সংক্ষিপ্ত বিবরণ
বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানান্য তথ্য ভাণ্ডারের নাম বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর (Bangladesh Military Museum)।
বিস্তারিত বিবরণ
বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানান্য তথ্য ভাণ্ডারের নাম বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর (Bangladesh Military Museum)।
১৯৮৭ সালে সর্বপ্রথম জাদুঘরটি বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালে জাদুঘরটি আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আধুনিকায়নের পর ২০২২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর নামে জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর জাদুঘরটির নাম আবার আগের নামে অর্থাৎ বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর নামে ফিরিয়ে আনে কর্তৃপক্ষ।
সামরিক জাদুঘরটি নভোথিয়েটারের পশ্চিম পাশে ১০ একর জমিতে নির্মিত হয়েছে। যেখানে স্বাধীনতার আগে ও পরে সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উপস্থাপন করা হয়েছে। জাদুঘরটিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর জন্য নির্ধারিত গ্যালারিসহ ছয়টি পৃথক অংশ রয়েছে।
সেই প্রাচীন অটোমানদের ব্যবহৃত ঢাল-তলোয়ার, যুদ্ধ জাহাজ থেকে শুরু করে নবাব সিরাজুদ্দৌলার সাথে ইংরেজদের পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল নেতৃত্ব এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সকল সংগ্রাম ও অর্জনের ইতিহাস; এইসব কিছু ফুটিয়ে তুলা হয়েছে অতি যত্নে।
বাংলাদেশের অধিকাংশ জাদুঘর দেখলে যেমনটা মনে হয়, কাচঘেরা বাক্সে গতানুগতিক উপস্থাপন, প্রচলিত এই ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে সামরিক জাদুঘর। এখানে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়েছে!
শুধু নিদর্শন নয়, জাদুঘর কমপ্লেক্সের স্থাপত্য, প্রবেশ পথে ঝরনার খেলা, বাইরের সবুজ উদ্যান সবকিছু মিলে একটি চমৎকার ভ্রমণ স্থান।
বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘরে কি আছে, কিভাবে ঘুরে দেখবেন, কিভাবে যাবেন, সময়সূচী ও খরচ সহ ভ্রমণের সকল খুঁটিনাটি তথ্য জানতে দেখে নিতে পারেন আমাদের এই ভ্রমণ ভিডিও গাইড।
প্রবেশ টিকেট ও সময়সূচী
সামরিক জাদুঘর প্রবেশ করতে জনপ্রতি টিকেট মূল্য ১৫০ টাকা। ৫ বছর বা তার ছোট বাচ্চাদের প্রবেশে কোন টিকেট এর প্রয়োজন হয়না। এছাড়া সার্কভুক্ত দেশ গুলোর দর্শনার্থীদের প্রবেশ টিকেট ৫০০ টাকা এবং অন্যান্য বিদেশী দর্শনার্থীদের জন্যে প্রবেশ ফি ৮০০ টাকা। আপনি যদি কাউন্টারের দীর্ঘ লাইন এড়াতে চান, তবে ঘরে বসেই অনলাইনে Bangladesh Military Museum Tickets বুকিং করে খুব সহজেই প্রবেশ করতে পারবেন।
রবি, সোম, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার : সকাল ১০.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ পর্যন্ত শুক্রবার : বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০ পর্যন্ত। শনিবার: সকাল ১০.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০ পর্যন্ত। বন্ধ থাকে : বুধবার ও সরকারি ছুটির দিন
কিভাবে যাবেন
ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বাস, সিএনজি কিংবা ট্যাক্সি ভাড়া করে বিজয় সরণিতে নভো থিয়েটারের পাশে অবস্থিত সামরিক জাদুঘর যেতে পারবেন। এছাড়া আপনার সুবিধামতো পরিবহণে ফার্মগেট, বিজয় সরণি, সংসদ ভবন অথবা চন্দ্রিমা উদ্যানের সামনে এসে রিক্সায় বা হেঁটে যেতে পারবেন সামরিক জাদুঘরে। এছারা মেট্রো রেলে বিজয় সরণি স্টপেজে নেমে হেটেই যেতে পারবেন।
কোথায় খাবেন
খাবার খেতে জাদুঘর কমপ্লেক্সের ভিতরেই নীহারিকা রেস্টুরেন্ট খেতে পারবেন। দাম একটু বেশি হলেও খাবারের মান বেশ ভালো। এছাড়া একটি সুন্দর কফি শপ আছে, সেখানেও কফির পাশাপাশি স্ন্যাকস এর ব্যবস্থা আছে। বাইরে খেতে চাইলে কাজী নজরুল রোডের পাশে কিংবা সংসদ ভবন এভিনিউ রোডের পাশে অনেক গুলো ভালো রেস্টুরেন্ট পাবেন।
আশেপাশের দর্শনীয় স্থান
সামরিক জাদুঘর এর সব গুলো গ্যালারি ভালো করে ঘুরে দেখতেই আপনার প্রায় ৩ ঘন্টা সময় লেগে যাবে। তারপরেও হাতে সময় থাকলে খুব কাছেই নভোথিয়েটার, চন্দ্রিমা উদ্যান , বিমান বাহিনী জাদুঘর , সংসদ ভবন এলাকা কিংবা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঘুরে দেখতে পারেন।
ফটো গ্যালারি
সুযোগ-সুবিধা
খাবার
নেই
থাকার ব্যবস্থা
নেই
পার্কিং
নেই
টয়লেট
নেই
গাইড
নেই
হুইলচেয়ার
নেই
অনুমতি
ফটোগ্রাফি
অনুমোদিত
ড্রোন
নিষিদ্ধ
ক্যাম্পিং
নিষিদ্ধ
ভ্রমণকারীদের মতামত
যারা এখানে ঘুরতে এসেছেন তাদের অভিজ্ঞতা
(0 রিভিউ)
সতর্কতা রিপোর্ট
এই স্থান সম্পর্কে সতর্কতামূলক রিপোর্টসমূহ
রিপোর্ট লোড হচ্ছে...
আরও দেখুন
সব দেখুন
লালবাগ কেল্লা
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

আহসান মঞ্জিল
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

মহাস্থানগড়
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধ
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

শেখ সাদী জামে মসজিদ
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

আটোয়ারী ইমামবাড়া
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন
