সংক্ষিপ্ত বিবরণ
দেবতাখুম (Debotakhum) বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত এক অপরূপ প্রাকৃতিক বিস্ময়। খুম শব্দের অর্থ হচ্ছে গভীর জলাধার বা জলপ্রপাত-পরবর্তী শান্ত নদী অববাহিকা। দেবতাখুম মূলত বান্দরবানের অন্যতম পাহাড়ি স্রোতস্বিনী তারাছা খালের একটি অংশ, যার দুই পাশে আকাশছোঁয়া পাথুরে পাহাড় এবং মাঝখানে জমে থাকা গভীর নীল পানি। বান্দরবানে ছোট-বড় অনেক খুম আছে, যেমন থানচির বিখ্যাত আমিয়াখুম , ভেলাখুম বা সাতভাইখুম । তবে বান্দরবানে ঘুরে দেখার মতো যতগুলো খুম বা গিরিপথ রয়েছে, তাদের মধ্যে দেবতাখুম সবার কাছেই সবচেয়ে জনপ্রিয়। এর প্রধান কারণ হলো, অন্যান্য দুর্গম খুমগুলোর তুলনায় খুব সহজেই এবং কম ট্র্যাকিং করে এই স্বর্গের মতো জায়গা থেকে ঘুরে আসা যায়। স্থানীয় মারমা, ত্রিপুরা ও তঞ্চঙ্গ্যা অধিবাসীদের মতে, এই খুমের কিছু কিছু জায়গা প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ফুট পর্যন্ত গভীর।
বিস্তারিত বিবরণ
দেবতাখুম (Debotakhum) বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত এক অপরূপ প্রাকৃতিক বিস্ময়। খুম শব্দের অর্থ হচ্ছে গভীর জলাধার বা জলপ্রপাত-পরবর্তী শান্ত নদী অববাহিকা। দেবতাখুম মূলত বান্দরবানের অন্যতম পাহাড়ি স্রোতস্বিনী তারাছা খালের একটি অংশ, যার দুই পাশে আকাশছোঁয়া পাথুরে পাহাড় এবং মাঝখানে জমে থাকা গভীর নীল পানি। বান্দরবানে ছোট-বড় অনেক খুম আছে, যেমন থানচির বিখ্যাত আমিয়াখুম , ভেলাখুম বা সাতভাইখুম । তবে বান্দরবানে ঘুরে দেখার মতো যতগুলো খুম বা গিরিপথ রয়েছে, তাদের মধ্যে দেবতাখুম সবার কাছেই সবচেয়ে জনপ্রিয়। এর প্রধান কারণ হলো, অন্যান্য দুর্গম খুমগুলোর তুলনায় খুব সহজেই এবং কম ট্র্যাকিং করে এই স্বর্গের মতো জায়গা থেকে ঘুরে আসা যায়। স্থানীয় মারমা, ত্রিপুরা ও তঞ্চঙ্গ্যা অধিবাসীদের মতে, এই খুমের কিছু কিছু জায়গা প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ফুট পর্যন্ত গভীর।
এই আদিম খুমের দুই পাশে রয়েছে প্রাগৈতিহাসিক রূপ ধারণ করা বিশাল জঙ্গল ও খাড়া পাহাড়। উঁচু পাহাড়ের দেওয়ালে ঘেরা থাকার কারণে খুমের ভেতরে সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছাতে পারে না। তাই খুমের যত ভেতরে যাওয়া যায়, চারপাশের পরিবেশ ততই শীতল ও রহস্যময় মনে হয়। জায়গাটি অত্যন্ত শান্ত, আদিম এবং কোলাহলমুক্ত। কোলাহল ছেড়ে প্রকৃতির এই নিস্তব্ধতার মাঝে বাঁশের ভেলা কিংবা স্থানীয় ডিঙি নৌকায় চেপে খুমের ভেতরের সরু গিরিপথ দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় পর্যটকদের মনে এক রোমাঞ্চকর ও শিহরণজাগানো অনুভূতি তৈরি হয়। এর পানিও কাচের মতো বেশ স্বচ্ছ, যার নিচে লুকিয়ে আছে বিশাল আকৃতির অনেক পাথরের টুকরো
কখন যাবেন
দেবতাখুম (Debotakhum) বছরের প্রায় সবসময়ই যাওয়া যায় এবং একেক ঋতুতে এটি একেক রূপ ধারণ করে। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলের কারণে পানি প্রবাহ অনেক বেশি থাকে, যা দেখতে অত্যন্ত ভয়ংকর সুন্দর হলেও এই সময়ে খুমের ভেতরে যাওয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য ও বিপজ্জনক। বর্ষায় পানির রঙ ঘোলাটে হয়ে যায় এবং হরকাবান বা ফ্লাশ ফ্লাডের (Flash Flood) তীব্র আশঙ্কা থাকে। সেই কারণে দেবতাখুম ভ্রমণের সবচেয়ে আদর্শ ও নিরাপদ সময় হলো বর্ষা-পরবর্তী এবং শীতকাল। দেবতাখুমসহ বান্দরবানের যেকোনো খুম দেখতে যাওয়ার সেরা সময় হলো নভেম্বর থেকে এপ্রিল মাস। এই সময়ে পাহাড়ের ঝিরিপথের পানি শান্ত ও কাচের মতো স্বচ্ছ থাকে।
আরও পড়ুনঃ ফ্লাশ ফ্লাড কি, কেন হয় এবং হলে কি করণীয়
দেবতাখুম যাওয়ার উপায়
দেবতাখুম (Debotakhum) যেতে চাইলে প্রথমে বান্দরবান (Bandarban) আসতে হবে। ঢাকা থেকে এসি/নন এসি সব ধরনের বাসই বান্দরবান যায়। ঢাকার সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল বা কলাবাগান থেকে শ্যামলী, এনা, হানিফ, ইউনিক, সেন্টমার্টিন হুন্দাই ও সৌদিয়া পরিবহনের বাস নিয়মিত যাতায়াত করে। নন-এসি বাসের ক্ষেত্রে জনপ্রতি টিকিট মূল্য সাধারণত ৯০০ টাকা এবং এসি বাসের মান ও আসনভেদে ভাড়া ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
যদি আপনি ট্রেনে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন, তবে ঢাকা থেকে প্রথমে চট্টগ্রাম চলে আসতে হবে। পর্যটক এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা এক্সপ্রেস, চট্টলা বা মহানগর গোধূলীসহ অনেকগুলো ট্রেন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ট্রেন ও আসনভেদে ভাড়া ৪০৫ থেকে ১৩৯৮ টাকা।
চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ (শাহ আমানত সেতু), দামপাড়া অথবা বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে বান্দরবান যাওয়ার সরাসরি বাস পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম থেকে বাসে করে বান্দরবান পৌঁছাতে জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এছাড়া কেউ যদি কক্সবাজার থেকে সরাসরি বান্দরবান আসতে চান, তবে কক্সবাজার বাস কাউন্টার বা পুরবী বাস কাউন্টার থেকে সরাসরি বাসের টিকিট পেয়ে যাবেন, ভাড়া লাগবে জনপ্রতি ২৫০ টাকা।
বান্দরবান থেকে দেবতাখুম
বান্দরবান শহর থেকে দেবতাখুম যাওয়ার মূল রুটটি হলো: বান্দরবান শহর ➔ রোয়াংছড়ি ➔ কচ্ছপতলী বাজার ➔ দেবতাখুম।
বান্দরবান শহর থেকে রোয়াংছড়ির দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার এবং রোয়াংছড়ি থেকে কচ্ছপতলীর দূরত্ব ৭ কিলোমিটার। বান্দরবান শহরের রোয়াংছড়ি বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রতি ঘণ্টায় কচ্ছপতলীর উদ্দেশ্যে বাস কিংবা লোকাল যানবাহন চলাচল করে, ভাড়া লাগবে জনপ্রতি ৬০ টাকা। আর রোয়াংছড়ি থেকে কচ্ছপতলী বাজারের সিএনজি ভাড়া সাধারণত ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মতো হয়ে থাকে।
তবে পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী উপায় হলো বান্দরবান শহরের রাজার মাঠ বা হিলভিউ রিসোর্টের সামনের গ্যারেজ থেকে সরাসরি জিপ (চাঁদের গাড়ি) অথবা সিএনজি রিজার্ভ করে কচ্ছপতলী বাজার চলে যাওয়া। চার্ট বা সরকারি রেট অনুসারে সিএনজি আপ-ডাউন (যাওয়া-আসা) রিজার্ভ ভাড়া ২০০০ টাকা, দরদাম করলে কিছুটা কমেও যাওয়া সম্ভব। চারজন মিলে সিএনজি নিলে জনপ্রতি ৫০০ টাকার মতো খরচ পড়ে। আর যদি বড় টিম থাকে, তাহলে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকায় চাঁদের গাড়ি বা জিপ রিজার্ভ করতে পারেন, যেখানে অনায়াসে ১২ থেকে ১৩ জন বসতে পারবেন। কচ্ছপতলী বাজার পর্যন্ত গাড়ি নিয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে, কারণ এর পরের পথটুকু বেশ খাড়া এবং পাথুরে ট্র্যাকিং পথ যা হেঁটে পাড়ি দেওয়া বেশ কষ্টকর।
আর্মি ক্যাম্পের অনুমতি ও গাইড
নিরাপত্তার স্বার্থে রোয়াংছড়ি থানা এবং কচ্ছপতলী আর্মি ক্যাম্প থেকে দেবতাখুম (Debotakhum) যাওয়ার আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য পর্যটকদের অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID Card) ২ কপি ফটোকপি জমা দিতে হবে। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তারা জন্ম নিবন্ধন সনদের (Birth Certificate) ২ কপি ফটোকপি জমা দিয়ে অনুমতি নিতে পারবেন। আর্মি ক্যাম্পের অনুমতি ফর্মের জন্য সরকারি ফি মাত্র ৫০ টাকা।
দেবতাখুমে প্রবেশের জন্য স্থানীয় রেজিস্ট্রিকৃত গাইড নেওয়া বাধ্যতামূলক, তা আপনার দলে ১ জন থাকুক বা ১০ জন। কচ্ছপতলী বাজারের গাইড অফিস থেকেই আপনাকে গাইড বুক করতে হবে। সারাদিনের জন্য গাইডের অফিশিয়াল ফি ১০০০ টাকা। একজন গাইড সর্বোচ্চ ১০ জনের একটি দলকে গাইড করতে পারেন। গাইড ঠিক করার সময়ই তাঁর দুপুরের খাবার বা অন্যান্য খরচ কে বহন করবে, তা পরিষ্কার কথা বলে চূড়ান্ত করে নেওয়া ভালো। দেবতাখুমে প্রবেশ, লকার পলিসি, লাইফ জ্যাকেট ভাড়া এবং খুমের ভেতর স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী বাঁশের ভেলা বা ডিঙি নৌকা ব্যবহারের যাবতীয় প্যাকেজ খরচ জনপ্রতি ২০০ টাকা। যদি মূল খুমের পাশাপাশি আপনারা ভেতরের দিকে অবস্থিত ‘শীলবান্ধা ঝরনা’ দেখতে যেতে চান, তবে গাইডের জন্য অতিরিক্ত ৩০০ টাকা গাইড ফি যুক্ত হবে।
রোয়াংছড়ি, দেবতাখুম গাইড নাম্বার:
রুন্ময় লাল – 01857 272095
রকি – 01855 360264 (অথবা কচ্ছপতলী বাজার গাইড অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করে যেকোনো অনুমোদিত গাইড বেছে নিতে পারেন।)
কোথায় খাবেন
কচ্ছপতলী বাজার পার হয়ে দেবতাখুমের ঝিরিপথ বা মূল খুমের আশেপাশে খাবারের কোনো বাণিজ্যিক ব্যবস্থা বা রেস্তোরাঁ নেই। তাই দুপুরের খাবারের জন্য কচ্ছপতলী বাজারে যাওয়ার সময়ই গাইড অফিসে কথা বলে স্থানীয় হোটেলে অগ্রিম খাবারের অর্ডার দিয়ে যেতে হবে। বাজারে অবস্থিত ‘লিরাগাও এন্ড রেস্টুরেন্ট’ (Leeragaow & Restaurant) খাবারের মানের দিক থেকে বেশ চমৎকার ও জনপ্রিয়। এখানে মাত্র ২২০ টাকার প্যাকেজে দেশি বা বয়লার মুরগির মাংসের সাথে পাহাড়ি আলু ভর্তা, ডাল ও আনলিমিটেড ভাত পাওয়া যায়। ট্র্যাকিংয়ে যাওয়ার আগে অর্ডার দিয়ে গেলে খুম থেকে ফিরে এসে গরম-গরম দুপুরের খাবার খেয়ে নিতে পারবেন। ট্র্যাকিং বা খুমের ভেতরে যাতায়াতের সময় নিজেদের সাথে কিছু শুকনো খাবার (যেমন: বিস্কুট, খেজুর) এবং খাবার পানি রাখতে পারেন। পাহাড়ি পথ চলার সময় স্থানীয় মারমা ও ত্রিপুরা পাড়ায় দেখা মিলবে পাহাড়ি লাউ, জুম চাষের ফসল এবং মিষ্টি ও পুষ্টিকর তাজা কাজুবাদাম ফল, যা চাইলে চেখে দেখতে পারেন।
কোথায় থাকবেন
সকাল সকাল বান্দরবান শহর থেকে দেবতাখুমের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে খুমের রোমাঞ্চকর ট্র্যাকিং শেষ করে সন্ধ্যার মধ্যেই আবার নিরাপদে বান্দরবান শহরে ফিরে আসা সম্ভব। দেবতাখুমে রাত্রিযাপনের কোনো ব্যবস্থা নেই। বান্দরবান শহরে থাকার জন্য বিভিন্ন মানের হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। কম খরচে একাকী ভ্রমণের জন্য ‘হোটেল পূরবী’ বা ‘হোটেল পুবানি’-তে মাত্র ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায় সিঙ্গেল বেডের রুম পাওয়া যায়। এছাড়া উন্নত সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন হোটেল যেমনঃ হোটেল হিল ভিউ, হোটেল প্লাজা বান্দরবান, হোটেল হিল্টন, এবং হোটেল নাইট হেভেনে রুমের মান ও এসি/নন-এসি ভেদে প্রতি রাতের জন্য ১০০০ থেকে ৫৫০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া গুনতে হতে পারে। ছুটির দিনে বা পর্যটন মৌসুমে (পিক সিজন) যাওয়ার আগে অবশ্যই পছন্দের হোটেল বা রিসোর্ট বুকিং করে নেওয়া উচিত।
ভ্রমণ তথ্য ওসতর্কতা
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস: কচ্ছপতলী আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্টিং এবং দেবতাখুম ট্র্যাকিংয়ের অনুমতি পাওয়ার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম নিবন্ধনের ন্যূনতম ২টি ফটোকপি অবশ্যই সাথে রাখুন।
মোবাইল নেটওয়ার্ক: কচ্ছপতলী বাজার পার হওয়ার পর থেকে মোবাইল ফোনের কোনো নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট সংযোগ পাবেন না। তাই প্রয়োজনীয় যোগাযোগ আগেই সেরে নিন।
উপযুক্ত জুতো: পাহাড়ি পাথুরে ঝিরিপথ ও পিচ্ছিল কাদা-মাটি পাড়ি দেওয়ার জন্য ভালো গ্রিপের ট্র্যাকিং বুট বা রাবার/প্লাস্টিকের স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। তবে খুমের শেষ প্রান্তের পিচ্ছিল পাথরে হাঁটার সময় জুতো খুলে সাবধানে পা ফেলুন।
লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার: পানির গভীরতা অনেক বেশি হওয়ায় ভেলা বা নৌকায় চড়ার সময় এবং খুমে নামার সময় বাধ্যতামূলকভাবে লাইফ জ্যাকেট পরিধান করুন।
সাঁতার ও গভীরতা: যারা সাঁতার জানেন না, তারা কোনো অবস্থাতেই লাইফ জ্যাকেট ছাড়া পানিতে নামবেন না। খুমের ভেতরের মূল গিরিপথের পানি প্রায় ৭০-৮০ ফুট গভীর এবং পানির নিচে ধারালো ও বিশাল আকৃতির লুকানো পাথর রয়েছে।
স্থানীয় সংস্কৃতি ও পবিত্র স্থান: দেবতাখুমের ভেতরে স্থানীয় মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের একটি অত্যন্ত পবিত্র ধর্মীয় স্থান রয়েছে, যাকে ‘দেবতার পাথর’ বলা হয়। এটি তাদের পূজা-অর্চনার জায়গা যেখানে মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এই পাথরের ওপর আরোহণ করা, লাফালাফি করা বা এর আশেপাশে পানিতে নামা সম্পূর্ণ নিষেধ। স্থানীয়দের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন।
ক্যাম্পিং নিষেধাজ্ঞা: পরিবেশগত নিরাপত্তা ও দুর্গম অঞ্চল হওয়ার কারণে দেবতাখুমের মূল অববাহিকায় কিংবা শীলবান্ধা পাড়ায় তাঁবু খাটিয়ে বা ক্যাম্পিং করে রাত্রিযাপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পরিবেশ রক্ষা: প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট বা যেকোনো ধরনের বর্জ্য খুমে বা ঝিরিপথে ফেলে প্রকৃতির আদিম সৌন্দর্য নষ্ট করবেন না।
ফটো গ্যালারি
সুযোগ-সুবিধা
খাবার
নেই
থাকার ব্যবস্থা
নেই
পার্কিং
নেই
টয়লেট
নেই
গাইড
নেই
হুইলচেয়ার
নেই
অনুমতি
ফটোগ্রাফি
অনুমোদিত
ড্রোন
নিষিদ্ধ
ক্যাম্পিং
নিষিদ্ধ
ভ্রমণকারীদের মতামত
যারা এখানে ঘুরতে এসেছেন তাদের অভিজ্ঞতা
(0 রিভিউ)
সতর্কতা রিপোর্ট
এই স্থান সম্পর্কে সতর্কতামূলক রিপোর্টসমূহ
রিপোর্ট লোড হচ্ছে...
দ্রুত তথ্য
ঠিকানা
বান্দরবান, চট্টগ্রাম
প্রবেশ মূল্য
বিনামূল্যে
সময়সূচি
সর্বদা খোলা
আরও দেখুন
সব দেখুন
সাজেক ভ্যালি
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

নাফাখুম
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

সাজেক ভ্যালি
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

মেলখুম গিরিপথ
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

বাড়বকুণ্ড ট্রেইল
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন
