ওডভার মুনক্সগার্ড পার্ক (Oddvar Munksgaard Park) রাজশাহী শহরের পদ্মা নদীর পারে অবস্থিত। পদ্মা নদীর পাশে অবস্থান হওয়ায় পার্কটি পদ্মা গার্ডেন (Padma Garden) নামেই বেশি পরিচিত। বড়কুটি এলাকার ফুতকিপাড়া থেকে দরগাপাড়া পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত পদ্মা পার্ক।
এই পার্কে একটি মুক্তমঞ্চ রয়েছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে থাকে এই মুক্তমঞ্চে। আর এই পার্ক ঘিরে গড়ে উঠেছে ছোট বড় অনেক রেস্টুরেন্ট। পদ্মা গার্ডেন থেকে পশ্চিম দিকে হাঁটলেই পাবেন হযরত শাহ্ মখদুম (রাঃ) এর মাজার, মাজার পার হয়ে কিছুটা সামনে গেলেই দেখতে পাবেন রবীন্দ্র মুক্তমঞ্চ এবং এর পাশেই গরে উঠেছে বিজিবি নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত নোঙর। এই সব স্থাপনা গড়ে উঠেছে পদ্মার পাড় ঘেঁষে। সবুজ ছায়ায় প্রকৃতিবান্ধব পার্ক হওয়ায় ইতিমধ্যেই সকল দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কারতে সক্ষম হয়েছে পার্কটি।
কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী যেতে পারবেন। ঢাকার মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে গ্রীন লাইন, একতা, শ্যামলি, হানিফ, ন্যাশনাল ট্রাভেলস এর এসি/নন-এসি বাসে করে রাজশাহী আসতে পারেন। এছারা ঢাকা থেকে ট্রেনে রাজশাহী যেতে চাইলে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, ধুমকেতু এক্সপ্রেস ও বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনে করেও আসতে পারবেন।
রাজশাহী জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ৪/৫ মিনিট হেটেই পদ্মা গার্ডেন আসতে পারবেন আবার শহরের যেকোন জায়গা থেকেই স্থানীয় যানবাহন ব্যাবহার করে সহজেই যেতে পারবেন দরগাপাড়ায় অবস্থিত পদ্মা গার্ডেন পার্কে।
কোথায় খাবেন
রাজশাহীতে বিখ্যাত হাঁসের মাংসের স্বাদ নিতে পারেন মড়মড়িয়া এলাকায়। কাটাখালিতে গিয়ে খেতে পারেন জনপ্রিয় কালাভুনা। এছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে দেশীয় ও চাইনিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট রয়েছে। যেখানে আপনার পছন্দমত সবধরনের খাবার খেয়ে নিতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন
রাত্রিযাপনের জন্য রাজশাহী শহরের উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে পর্যটন কর্পোরেশন মোটেল, হোটেল গ্রিন সিটি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সিল্ক ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল ও মুক্তা ইন্টারন্যাশনাল। আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুন রাজশাহীর সেরা হোটেল ও রিসোর্ট রিভিউ গাইড।
আশেপাশের দর্শনীয় স্থান
রাজশাহীর অন্যান্য দর্শনীয় স্থানের মধ্যে আছে টি-বাঁধ , রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় , রাজশাহী কলেজ , বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর , শিশু পার্ক , বাঘা মসজিদ ও পুঠিয়া রাজবাড়ী সহ আরও বেশ কিছু ঐতিহাসিক স্থাপনা।