মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল বাজার সুস্বাদু মিষ্টি ও ঘোলের জন্য সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে সুপরিচিত। আদি ও আসল স্বাদের সন্দেশ, ছানা, চমচমের মত বিভিন্ন মিষ্টান্ন খেতে চাইলে ভাগ্যকুল এক স্বর্গীয় স্থান। রকমারি মিষ্টির বাহার নিয়ে ভাগ্যকুলের বিভিন্ন মিষ্টান্ন ভান্ডারগুলো যেন আপ্যায়নের পসরা সাজিয়ে বসে আছে। এদের মধ্যে গোবিন্দ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং চিত্তরঞ্জন মিষ্টান্ন ভান্ডার অতুলনীয় স্বাদের মিষ্টি ও ঘোলের জন্য সবচেয়ে প্রসিদ্ধ। যদিও ভাগ্যকুলের সকল দোকানেরই রয়েছে সমান সুনাম।
কিভাবে যাবেন
ঢাকার গুলিস্তান হতে দোহার বা শ্রীনগরগামী বাসে (যেমন: আরাম পরিবহন, ডি এন ট্রাভেলস বা নগর পরিবহন) চড়ে বালাশুর নামতে হবে। বালাশুর বাজার থেকে রিকশা, অটো রিকশা বা সিএনজি নিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীর তীরে ভাগ্যকুল বাজার যেতে পারবেন। এছাড়া ঢাকার বাবুবাজার ব্রিজ পার হয়ে মাওয়া হাইওয়ে দিয়ে নিজস্ব পরিবহনেও সরাসরি ভাগ্যকুল যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন
রাজধানী ঢাকার কাছাকাছি এবং সুবিধাজনক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ভাগ্যকুল বাজারে দিনে গিয়ে বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যেই অনায়াসে ঢাকায় ফিরে আসা যায়। তাই এখানে রাত্রিযাপনের প্রয়োজন পড়ে না।
আশেপাশের অন্যান্য দর্শনীয় স্থান
ভাগ্যকুল বাজারের কাছে অবস্থিত অন্যান্য দর্শনীয় স্থানের মধ্যে ইনসার আলীর খুদের ভাত (ভাগ্যকুল বাজারেই অবস্থিত), কোকিলপেয়ারী জমিদার বাড়ি (ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ি), খেলারাম দাতার বাড়ি এবং ইছামতী নদী উল্লেখযোগ্য।