
লালন মেলা
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ – সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
লালনের মাজার, কুষ্টিয়া
📅 কবে
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ – সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
📍 কোথায়
লালনের মাজার, কুষ্টিয়া
⏳ অবস্থা
আর ২২ দিন
ইভেন্ট সম্পর্কে
লালন মেলা (Lalon Mela) বছরে দুইবার অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। একটা দোল পূর্ণিমায় অন্যটা লালনের মৃত্যুবার্ষিকীতে। দোল পূর্ণিমার হিসেবে ২০২৬ সালের মার্চের ২ তারিখ লালন মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া অক্টোবর এর ১৬ তারিখ, বাংলা ১লা কার্তিক, লালন সাইজি এর মৃত্যুবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে কুষ্টিয়ার লালন আখড়ায় ৩ দিন ব্যাপী বিশাল মেলা হয় যা লালন মেলা নামে পরিচিত। রাত ভর চলে লালন গানের আসর। বছরের এই ৩ টা দিন লালন আখড়া থাকে জমজমাট। লালন মেলা উপলক্ষে আখড়াবাড়ীর লালন মাজারকে সাজানো হয় নানা সাজে। প্রধান ফটক আর মূল মাজারে সাদা, লাল, নীল আলোকসজ্জা, বিশাল তোরণ নির্মাণ ও মাজারের বাইরে কালী নদীর ভরাটকৃত জায়গায় স্থাপিত লালন মঞ্চের সামনে বিশাল ছামিয়ানা টাঙানো হয়। আলোচনা মঞ্চের চারপাশ লালন মাজারের প্রধান রাস্তাজুড়ে বসে গ্রামীণমেলা। মেলায় নানা রকম গৃহসামগ্রী, কাঠের তৈরি সাংসারিক নানা জিনিসপত্র, গরম জিলাপি, পাঁপড় ভাজা, লালনের গানের সিডি, গেঞ্জি, শন পাঁপড়ি, আখের শরবত, খই-বাতাসাসহ হরেক রকম পসরা বসে।
লালন মেলা কিভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী কিংবা টেকনিক্যাল মোড় থেকে এসবি, শ্যামলী, হানিফ, সোহাগ, খালেক পরিবহনের বাস বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ঢাকা-কুষ্টিয়া সরাসরি চলাচল করে। কুষ্টিয়া শহর থেকে রিকশা অথবা অটোরিকশায় লালন শাহের মাজারে যেতে পারেন। এছাড়াও ঢাকা-কুমারখালী সরাসরি অনেক বাস চলাচল করে। বাস কুষ্টিয়া মজমপুরে থামবে ওখান থেকে ২০ টাকা অটো ভাড়া! যে কোন অটোকে বললে নিয়ে যাবে। দূরত্ব ৩ কিমি!
ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ার লালন মেলা কি কি ট্রেন যায় এবং ট্রেনে যাওয়ার বিস্তারিত
কুষ্টিয়া কোথায় থাকবেন
মজমপুর গেট, শাপলা চত্বর, এন এস রোড, বড় বাজার এ বিভিন্ন হোটেল আছে। হোটেল আজমীরি, প্রীতম হোটেল (মজমপুর গেট), নূর ইন্টারন্যাশনাল। বড়বাজারের জুবলি হোটেল – ভাড়া ৩৫০ টাকা, ডাবল বেড। হোটেল লিবার্টি – এসি রুম ৫০০-৬০০ টাকা। এছাড়া ১০০-২০০ তেও মজমপুর ও বড় বাজারে হোটেল পাবেন।
শিলাইদহ ডাকবাংলো – 07173749 ও 07162356
এছাড়া থাকার জন্যে শহরেই মানসম্মত অনেক হোটেল পাবেন। এর মধ্যে পদ্মা, হোটেল রিভার ভিউ, গোল্ড স্টার, সানমুন অন্যতম।
কোথায় খাবেন
খাওয়ার জন্য রয়েছে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট। তার মধ্যে জাহাঙ্গীর হোটেল, শিল্পী হোটেল, শফি হোটেল, হোটেল খাওয়া-দাওয়া, মৌবন রেস্টুরেন্টসহ ৩টি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট পাবেন।
এন.এস. রোডের মৌবন মাসালা তে আলু পরাটা খেতে পারেন, দাম ৭০ টাকা। একই রোডের শিশির বেকারিতে ভাল নাস্তা পাওয়া যায়। চৌড়হাস মোড়ে রান্নাঘর হোটেলও ভাল। মজমপুরের জাহাঙ্গীর হোটেল। বাজেট ট্রাভেলারদের জন্য আছে বড় বাজারের গান্ধী হোটেল, মৌবন।
★ লালনের কুলফি খেতে ভুলবেন না।
যাওয়ার আগে জেনে নিন
🚌যাতায়াত
ঢাকার গাবতলী কিংবা টেকনিক্যাল মোড় থেকে এসবি, শ্যামলী, হানিফ, সোহাগ, খালেক পরিবহনের বাস বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ঢাকা-কুষ্টিয়া সরাসরি চলাচল করে। কুষ্টিয়া শহর থেকে রিকশা অথবা অটোরিকশায় লালন শাহের মাজারে যেতে পারেন। এছাড়াও ঢাকা-কুমারখালী সরাসরি অনেক বাস চলাচল করে। বাস কুষ্টিয়া মজমপুরে থামবে ওখান থেকে ২০ টাকা অটো ভাড়া! যে কোন অটোকে বললে নিয়ে যাবে। দূরত্ব ৩ কিমি! ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ার লালন মেলা কি কি ট্রেন যায় এবং ট্রেনে যাওয়ার বিস্তারিত
🏨থাকার ব্যবস্থা
মজমপুর গেট, শাপলা চত্বর, এন এস রোড, বড় বাজার এ বিভিন্ন হোটেল আছে। হোটেল আজমীরি, প্রীতম হোটেল (মজমপুর গেট), নূর ইন্টারন্যাশনাল। বড়বাজারের জুবলি হোটেল – ভাড়া ৩৫০ টাকা, ডাবল বেড। হোটেল লিবার্টি – এসি রুম ৫০০-৬০০ টাকা। এছাড়া ১০০-২০০ তেও মজমপুর ও বড় বাজারে হোটেল পাবেন। শিলাইদহ ডাকবাংলো – 07173749 ও 07162356 এছাড়া থাকার জন্যে শহরেই মানসম্মত অনেক হোটেল পাবেন। এর মধ্যে পদ্মা, হোটেল রিভার ভিউ, গোল্ড স্টার, সানমুন অন্যতম।
🍽️খাবার
খাওয়ার জন্য রয়েছে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট। তার মধ্যে জাহাঙ্গীর হোটেল, শিল্পী হোটেল, শফি হোটেল, হোটেল খাওয়া-দাওয়া, মৌবন রেস্টুরেন্টসহ ৩টি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট পাবেন। এন.এস. রোডের মৌবন মাসালা তে আলু পরাটা খেতে পারেন, দাম ৭০ টাকা। একই রোডের শিশির বেকারিতে ভাল নাস্তা পাওয়া যায়। চৌড়হাস মোড়ে রান্নাঘর হোটেলও ভাল। মজমপুরের জাহাঙ্গীর হোটেল। বাজেট ট্রাভেলারদের জন্য আছে বড় বাজারের গান্ধী হোটেল, মৌবন। ★ লালনের কুলফি খেতে ভুলবেন না।
ছবি
লোকেশন
Lalon Shah Mazar(লালন শাহ মাজার), Lalon Shah Road, Kushtia, Khulna Division, Bangladesh