সংক্ষিপ্ত বিবরণ
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এটি বাংলাদেশের মূলভূখন্ডের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত। কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে ১৭ বর্গ কিলোমিটারের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন (Saint Martins Island)। স্থানীয় ভাষায় সেন্টমার্টিনকে নারিকেল জিঞ্জিরা বলেও ডাকা হয়। অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত এ দ্বীপটি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্থান গুলোর একটি। অসীম নীল আকাশের সাথে সমুদ্রের নীল জলের মিতালী, সারি সারি নারিকেল গাছ এ দ্বীপকে করেছে অনন্য, যা ভ্রমণ পিয়াসী মানুষকে দুর্নিবার আকর্ষনে কাছে টেনে নেয় বার বার।
বিস্তারিত বিবরণ
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এটি বাংলাদেশের মূলভূখন্ডের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত। কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে ১৭ বর্গ কিলোমিটারের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন (Saint Martins Island)। স্থানীয় ভাষায় সেন্টমার্টিনকে নারিকেল জিঞ্জিরা বলেও ডাকা হয়। অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত এ দ্বীপটি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্থান গুলোর একটি। অসীম নীল আকাশের সাথে সমুদ্রের নীল জলের মিতালী, সারি সারি নারিকেল গাছ এ দ্বীপকে করেছে অনন্য, যা ভ্রমণ পিয়াসী মানুষকে দুর্নিবার আকর্ষনে কাছে টেনে নেয় বার বার।
সেন্টমার্টিন কখন ভ্রমণ করা যাবে
আবহাওয়া ও নিরাপত্তা সবকিছু বিবেচনায় প্রশাসন যখন যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে তখনই শুধুমাত্র সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করা যায়। এই বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করা যাবে। তবে শুধুমাত্র ডিসেম্বর ও জানুয়ারী মাস রাতে সেন্টমার্টিন থাকা যাবে, নভেম্বর মাসে দিনে গিয়ে দিনে ফিরে আসতে হবে।
সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায়
সেন্টমার্টিন যাবার শীপ কক্সবাজারের নুনিয়া ছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে ছেড়ে যায়। তাই সেন্টমার্টিন যেতে চাইলে কক্সবাজার আসতে হবে সবার আগে। ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়া যায় বাসে, ট্রেনে অথবা আকাশপথে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার উপায় এই আর্টিকেলটি। এছাড়া পড়তে পারেন আমাদের কক্সবাজার ভ্রমণ গাইড । অন্য কোন জেলা থেকে আসতে হলে আপনার সুবিধামত পরিবহনে প্রথমে চলে আসুন কক্সবাজার।
কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন
কক্সবাজারের নুনিয়া ছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে যেতে হবে। ডলফিন মোড় থেকে সিএনজি, অটো রিক্সা, জীপে করে যেতে পারবেন বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে। ডলফিন মোড় থেকে বিআইডব্লিউটিএ ঘাটের দূরত্ব প্রায় ৩ কিলোমিটার, যেতে সময় লাগবে মাত্র ৪০ মিনিট।
এবছর কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনে প্রতিদিন এমভি কর্ণফুলী ও বারো আউলিয়া শীপ আসা যাওয়া করবে। এছারা অনুমতি পেলে চালু হবে কেয়ারী সিন্দাবাদ, কেয়ারি ক্রজ এন্ড ডাইন, এম ভি ফারহান, আটলান্টিক ইত্যাদি। জাহাজে করে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যেতে সময় লাগে প্রায় ৪/৬ ঘন্টা।
জাহাজের ক্লাস ও মান অনুযায়ী সেন্টমার্টিন যাওয়া ও আসা (রাউন্ড) টিকেট ভাড়া ৩,৫০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। জেটি ঘাট থেকে প্রতিদিন জাহাজগুলো সকাল ৭টা থেকে ১০টার মধ্যে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সেন্টমার্টিন থেকে রওনা দেয় বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে।
সেন্টমার্টিনে কোন কোন জাহাজ চলে, জাহাজের টিকেট ভাড়া কত, টিকেট বুকিং কোথায় করবেন এবং যোগাযোগ করার বিস্তারিত তথ্যের জন্যে পড়ুন: সেন্টমার্টিন জাহাজ ভাড়া, টিকেট বুকিং ও দরকারি তথ্য
সেন্টমার্টিনের রিসোর্ট ও হোটেল
সেন্টমার্টিনে রাতে থাকার জন্য বিভিন্ন মানের রিসোর্ট, হোটেল ও কটেজ রয়েছে। ছুটির দিনে গেলে আগে থেকে বুকিং করে যাওয়া সুবিধাজনক। তবে চাইলে সেখানে গিয়েও পছন্দমত রিসোর্ট ঠিক করতে পারবেন। আর প্রিমিয়াম জনপ্রিয় যে সব রিসোর্ট আছে সেই গুলোতে এক্সপেরিয়েন্স নিতে চাইলে আগেই বুকিং করে যেতে হবে। তা না হলে হয়তো রুম খালি নাও থাকতে পারে। সেন্টমার্টিনের জনপ্রিয় রিসোর্ট গুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
ব্লু মেরিন রিসোর্ট (Blue Marine Resort) : সেন্টমার্টিন দ্বীপের ফেরি ঘাটের খুব কাছেই ব্লু মেরিন রিসোর্টের অবস্থান। ব্ল–মেরিন রিসোর্টের এসিযুক্ত ডাবল বেডরুমের ভাড়া ১৫০০০ টাকা এবং নন-এসি ৫০০০ টাকা, ট্রিপল রেডরুমের প্রতিটির ভাড়া ৩০০০ টাকা, ছয়জনের বেডরুমের ভাড়া ৪০০০ টাকা এবং দশজনের বেডরুমের ভাড়া ৫০০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01713399000
প্রাসাদ প্যারাডাইস রিসোর্ট (Praasad Paradise Resort) : সেন্টমার্টিন বাজারের ভেতর দিয়ে ব্লু মেরিন রিসোর্ট পার হয়ে আরো কিছুটা উত্তর দিকে এগিয়ে গেলে সুদৃশ্য প্রাসাদ প্যারাডাইস। বিভিন্ন ধরনের ১৬টি রুমের যেকোন একটি ভাড়া নিতে খরচ করতে হবে ২০০০-৫০০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01556347711, 01995 539248, 01883 626003
নীল দিগন্তে রিসোর্ট (Neel Digante Resort) : সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ বীচের কোণাপাড়ায় অবস্থিত নীল দিগন্তে রিসোর্টটি জেটি থেকে বেশখানিকটা দূরে অবস্থিত। নীল দিগন্তে রিসোর্টের নানা ধরণের কটেজ টাইপ রুমে থাকতে খরচ হবে ১৫০০-৫০০০টাকা। যোগাযোগঃ 01730051005, 01730051009
প্রিন্স হেভেন রিসোর্ট (Prince Heaven Resort) : উত্তর বিচে অবস্থিত প্রাসাদ প্যারাডাইস সংলগ্ন প্রিন্স হেভেন রিসোর্টে মোট ২৪ টি কক্ষ এবং একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। প্রিন্স হেভেন রিসোর্টের রুম ভাড়ার পরিমাণ ১,৫০০-৩,৫০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01601222456, 01995 539 246, 01883 626 002
দি আটলান্টিক রিসোর্ট (The Atlantic Resort ) : দি আটলান্টিক রিসোর্ট পশ্চিম বীচে অবস্থিত এই রিসোর্টে রাত্রি যাপনের জন্য ৪৩ টি কক্ষ রয়েছে। আর এখানে থাকতে আপনাকে খরচ করতে হবে ৩৫০০ টাকা থেকে ১২০০০ টাকা পর্যন্ত। যোগাযোগঃ 01700 969 212, 01834 267 922
ড্রিম নাইট রিসোর্ট (Dream Night Resort) : পশ্চিম বীচের শেষ প্রান্তে অবস্থিত ড্রিম নাইট রিসোর্টের প্রতি কক্ষে ২ থেকে ৪ জনের রাত্রিযাপনের সুযোগ আছে। এই রিসোর্টে থাকতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে ১৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা পর্যন্ত। যোগাযোগঃ 01703-285607, 01671606964
সায়রী ইকো রিসোর্ট (Sayari Eco Resort) : দক্ষিণ বীচে নজরুল পাড়ায় অবস্থিত সায়রী ইকো রিসোর্ট নান্দ্যনিকতা অনন্য। সায়রী ইকো রিসোর্টের বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১৮ টি রুমে ২,০০০ থেকে ৬,৫০০ টাকায় রাত্রিযাপনের সুযোগ রয়েছে। যোগাযোগঃ 01711232917, 01610 555500
এছাড়াও আছে কোরল ব্লু, মারমেইড, দীপান্তর, পান্না রিসোর্ট, সি প্রবাল, সি ইন, হোটেল সাগর পাড়, রিয়াদ গেস্ট হাউজ, হোটেল স্বপ্ন প্রবাল, শ্রাবণ বিলাস, সানসেট ভিউ ইত্যাদি।
সব রিসোর্ট গুলোর বিস্তারিত জানতে পড়ুন সেন্টমার্টিনের সকল রিসোর্ট ও হোটেলের তথ্য গাইড।
সেন্টমার্টিনে কোথায় খাবেন
সাধারণত বেশিরভাগ রিসোর্টেই খাবারের ব্যবস্থা থাকে। আপনি যে রিসোর্টে থাকবেন সেখানে খাবার ব্যবস্থা আছে কিনা আগে জেনে নিন। সামুদ্রিক মাছের নানা পদের সাথে বাংলা খাবারের আয়োজন থাকে প্রায় সব জায়গাতেই। রিসোর্ট গুলোতেই থাকে বারবিকিউ এর ব্যবস্থা। সেন্টমার্টিন বাজারে কাছে বেশ কিছু খাবার হোটেল আছে। চাইলে সে গুলো থেকেও খাবার খেতে পারবেন। যদি রাতে না থেকে দিনে দিনে ফিরতে চান সেই ক্ষেত্রের বাজারের হোটেল গুলোতেই খাবার পাবেন। তবে অবশ্যই খাবার ও দাম একটু যাচাই করে নিবেন।
সেন্টমার্টিনে কি খাবেন
সেন্টমার্টিনের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ জিনিস হল ডাব যা একাধারে মিষ্টি ও সুস্বাদু। যারা মাছ খেতে পছন্দ করেন তাদের জন্য সেন্টমার্টিন কোরাল, সুন্দরী পোয়া, ইলিশ, রূপচাঁদা, লবস্টার, কালাচাঁদা ইত্যাদি নানান ধরনের ও স্বাদের বাহার নিয়ে অপেক্ষা করছে। নিজের পছন্দ মতো মাছ বারবিকিউ করার সুযোগ থাকে সব রিসোর্ট ও হোটেলেই। এখানে আরো রয়েছে অফুরন্ত লইট্টা, ছুড়ি, রূপচাঁদা, কাচকি ইত্যাদি জানাঅজানা শুঁটকি মাছের ভান্ডার। এছাড়া গরমের সময় গেলে সেখানের তরমুজ খেয়ে দেখতে পারেন।
কি করবেন ও কি দেখবেন
কক্সবাজার থেকে শীপে সেন্টমার্টিন যেতে অনেক সময় লাগে। দেখা যায় পৌছাতে পৌছাতেই বিকেল হয়ে যায়। যারা দিনে গিয়ে দিনেই সেন্টমার্টিন থেকে ফিরে আসবেন তারা পরবর্তীতে আফসোস করতে পারেন তাই সবচেয়ে ভালো হয় অন্তত একদিন সেন্টমার্টিনে অবস্থান করা। এতে যেমন পুরো দ্বীপ ঘুরে দেখতে পারবেন তেমনি এই আনন্দময় ভ্রমণ আপনাকে সবসময় মোহিত করবে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা গুলোর একটি হলো পশ্চিম বিচ। আপনার রিসোর্ট পশ্চিম বিচ হলে তো কথাই নেই। না হলে একটা সূর্যাস্ত পশ্চিম বীচে কাটান, সুর্যোদয় দেখতে পারেন পূর্ব বিচে গিয়ে। যে কোন একটা সকাল বা বিকেল রাখুন ছেঁড়া দ্বীপ ঘুরে আসার জন্যে।
এছাড়া সাইকেল অথবা মোটরসাইকেল দিয়ে ছোট্ট এই দ্বীপ ঘুরে দেখতে পারেন। কোন এক রাতে করতে পারেন বার-বি-কিউ এর আয়োজন। সব রিসোর্টেই বারবিকিউ এর আয়োজন থাকে। অথবা চলে যেতে পারেন বাজারের কোন ভালো হোটেলে।
আপনার সেন্টমার্টিন ট্যুর প্ল্যান কিভাবে সাজাবেন তার আরও বিস্তারিত তথ্য পাবেন আমাদের সেন্টমার্টিন ট্যুর প্ল্যান গাইডে।
সেন্টমার্টিন ভ্রমণ খরচ
যে কোন ভ্রমণে খরচ কত হবে তা সম্পূর্ণই আপনার উপর নির্ভর করবে। আপনি কিভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, কি খাবেন ও কি করবেন সেইসব বিষয়ের সাথে কোন সময় যাচ্ছেন তার উপরেও খরচ নির্ভর করে। ছুটির দিন গুলোতে থাকা খাওয়া সহ অন্যান্য খরচ একটু বেশিই হবে।
কম খরচে ও মোটামুটি মানের হোটেলে ১ রাত থাকা ও খাওয়া সহ ঢাকা থেকে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে কত খরচ হবে তার একটা ধারণা দেবার জন্যে খরচের তালিকা দেওয়া হলো। যা থেকে আপনি কিছুটা হলেও খরচ সম্পর্কে ধারণা করতে পারবেন।
যাতায়াত খরচ
বাসের টিকেট যাওয়া ও আসা সহ ১,৮০০ টাকা (নন এসি)। শিপ/জাহাজ ভাড়া যাওয়া ও আসা সহ ৩৫০০ টাকা। সেন্টমার্টিনে গিয়ে সেখানের লোকাল যাতায়াত খরচ আনুমানিক ২০০ টাকা। অন্যান্য আরও কিছু খরচ ৫০০ টাকা।
খাবার খরচ
খাবারের খরচ আপনি কি খাবেন, কিভাবে খাবেন তার উপর নির্ভর করবে। মোটামুটি মানের খাবারের হিসেবে সকালের নাস্তা ১০০-১৫০ টাকা, দুপুর ও রাতের খাবার প্রতি বেলার খাবারের জন্যে ২০০-৪০০ টাকা খরচ ধরতে হবে। বারবিকিউ এর জন্যে জনপ্রতি ৪০০-৬০০ টাকা খরচ হবে। চাইলে আরও কম খরচে খাওয়া দাওয়া করা সম্ভব। বাজারের ভিতরের দিকে হোটেল গুলোতে গিয়ে সাধারণ খাবার খেলে খরচ অনেক কমে যাবে।
থাকার খরচ
স্ট্যান্ডার্ড হোটেল/রিসোর্ট ডাবল বেড রুম প্রতি দিন ২০০০-৪০০০ টাকা। পিক সিজন আর সরকারি ছুটির দিনে ভাড়া আরও একটু বেড়ে যাবে। সি ভিউ অথবা একটু ভালো মানের প্রিমিয়াম রিসোর্ট থাকতে রুম প্রতি ৪০০০-১২,০০০ টাকা লাগবে।
ডাবল বেডের রুম নিলে এক রুমে ৪ জন থাকলে খরচ ভাগ হয়ে কমে যাবে। ছুটির দিন ছাড়া গেলে ডিসকাউন্ট পাবেন। কম খরচে থাকতে সি ভিউ রুম না নিয়ে একটু ভিতরের দিকে রুম নিন। এছাড়া বাজারের দিকে কিছু স্থানীয় হোটেল আছে সেগুলো দেখতে পারেন।
এখন উপরের সব গুলো খরচ থেকে ধারণা নিয়ে আপনারা কতজন যাবেন, কি মানের খাবার খাবেন, কি মানের রিসোর্টে থাকবেন, এক রুমে কতজন থাকবেন, এইসব হিসেবে নিয়ে খরচের একটা হিসেব বের করে নিতে পারবেন।
সেন্টমার্টিন ভ্রমণ প্যাকেজ
বেশ কিছু ট্রাভেল এজেন্সি সিজনের সময় সেন্টমার্টিন ভ্রমণ প্যাকেজ অফার করে। ভ্রমণ প্যাকেজ গুলো সাধারণত সেন্টমার্টিন ১ রাত বা ২ রাত থাকার খরচ, যাওয়া আসার বাস টিকেট ও শীপ টিকেটের খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে। সেন্টমার্টিন ভ্রমণ প্যাকেজ খরচ নির্ভর করে কোন মানের জাহাজে যাওয়া আসা হবে, কেমন মানের রিসোর্টে রাখবে এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধার উপর। সাধারণত ট্যুর এজেন্সির প্যাকেজ প্রাইস গুলো ঢাকা থেকে যাওয়া আসা সহ জনপ্রতি ৭,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
যাওয়া আসার বাস টিকেট, শীপ টিকেট কাটা ও সেখানের রিসোর্টে বুকিং করা অনেকের কাছে ঝামেলার মনে হতে পারে। যদি নিজেরা সবকিছুর আয়োজন করতে না চান, ঝামেলা কমাতে চান তাহলে ভালো দেখে কোন ট্যুর এজেন্সির প্যাকেজে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারেন।
ভ্রমণ টিপস ও সতর্কতা
সেন্টমার্টিন আমাদের দেশের সম্পদ, তাই প্রকৃতির ক্ষতি হয়ে এমন কিছু করবেন না
সেন্টমার্টিনে মোবাইল ফ্রিকোয়েন্সি কম থাকে। কথা বলতে সমস্যা হতে পারে। তবে টেলিটক তুলনামূলক ভাল কাজ করে
বর্তমানে নিয়মিতভাবে সেন্টমার্টিনে বিজিবি টহল দেয়৷ তারা অনেক সময় রাত ১২টার পর পর্যটকদেরকে বীচ বা জেটি এলাকায় থাকতে নিষেধ করে
সঠিক জায়গায় ময়লা আবর্জনা ফেলবেন। দয়া করে প্লাস্টিক/পলিথিন কিছু সৈকতে ফেলে আসবেন না
কম খরচে সেন্টমার্টিন ভ্রমণের জন্যে ছুটির দিন গুলোতে না গিয়ে অন্যান্য দিনে যেতে পারেন
পর্যটন এলাকায় যে কোন কিছুর জন্যে দরদাম করবেন কেনাকাটায়
ঝামেলা এড়াতে ছুটির দিন গেলে আগেই শীপ টিকেট ও রিসোর্ট বুকিং দিয়ে যান
চাইলে নানা ট্যুর এজেন্ট থেকে সেন্টমার্টিন এর প্যাকেজ কিনে নিতে পারবেন
তবে কোন ট্যুর এজেন্সি থেকে প্যাকেজ বুকিং এর আগে তাদের সেবার মান সম্পর্কে জেনে নিন আগেই
সেন্ট মার্টিন যাওয়া আসার সময় জাহাজের ডেক থেকেই সবচেয়ে সুন্দর ভিউ দেখতে পাবেন
সমুদ্রে নামার সময় সতর্ক থাকুন
ফটো গ্যালারি
সুযোগ-সুবিধা
খাবার
নেই
থাকার ব্যবস্থা
নেই
পার্কিং
নেই
টয়লেট
নেই
গাইড
নেই
হুইলচেয়ার
নেই
অনুমতি
ফটোগ্রাফি
অনুমোদিত
ড্রোন
নিষিদ্ধ
ক্যাম্পিং
নিষিদ্ধ
ভ্রমণকারীদের মতামত
যারা এখানে ঘুরতে এসেছেন তাদের অভিজ্ঞতা
(0 রিভিউ)
সতর্কতা রিপোর্ট
এই স্থান সম্পর্কে সতর্কতামূলক রিপোর্টসমূহ
রিপোর্ট লোড হচ্ছে...
দ্রুত তথ্য
ঠিকানা
কক্সবাজার, চট্টগ্রাম
প্রবেশ মূল্য
বিনামূল্যে
সময়সূচি
সর্বদা খোলা
আরও দেখুন
সব দেখুন
জাফলং
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

মাতামুহুরী নদী
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

বিরিশিরি
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

শৈল-চূড়া ক্যাফে
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

কালিনদীর কাঠের পুল
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন

আদিনাথ মন্দির
এই স্থানটি সম্পর্কে আরও জানুন
