দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

মানা বে ওয়াটার পার্ক
মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া এলাকায় অবস্থিত মানা বে ওয়াটার পার্ক (Mana Bay Waterpark) বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম থিম পার্ক। প্রায় ৬০ হাজার স্কয়ার মিটার বিস্তৃত এই ওয়াটার পার্ক দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম এবং আধুনিক রাইড সমৃদ্ধ বিনোদন কেন্দ্র। পার্কটিতে সকল বয়সের মানুষের জন্য বৈচিত্র্যময় সব আয়োজন রয়েছে। এখানে ১৭ টি রোমাঞ্চকর রাইড রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো- ওয়াটার স্লাইড ট্যুর, দেশের একমাত্র ওয়েভ পুল ও ফ্লোরাইডার ডাবল (সার্ফিং সিমুলেটর)। বাচ্চাদের জন্য একটি আলাদা জোন ও একটি কৃত্রিম নদীর ব্যবস্থা রয়েছে পার্কটিতে।

মহারাজার দিঘী
পঞ্চগড় জেলা সদর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক পুকুরের নাম মহারাজার দীঘি (Maharajar Dighi)। ধারণা করা হয়, ভিতরগড় নামের ১৫০০ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক এক রাজ্যে মহারাজা পৃথু রাজত্ব করাকালীন এই দীঘিটি খনন করেন।

মহামুনি বৌদ্ধ বিহার
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী মহামুনি গ্রামে টিলার উপর মহামুনি বৌদ্ধ বিহার (Mahamuni Buddhist Vihara) অবস্থিত। ধারণা করা হয়, ১৮১৩ সালে চাইংগা ঠাকুর নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে এই বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখা হয় মহামুনি মন্দির। আবার ড. রামচন্দ্র বড়ুয়া তাঁর ‘চট্টগ্রামের মগের ইতিহাস প্রাগুক্ত’ গ্রন্থে ১৮০৫ সালে মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের মন্দির ও মুর্তি নির্মাণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও এই স্থাপনাটি প্রায় ২০০ বছরের পুরাতন একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।

ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক
ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক (Magic Paradise Park) কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত। ওয়াটার পার্ক, ২০টির অধিক রাইড, ডাইনোসর পার্ক, পিকনিক স্পট সহ এই পার্কটি কুমিল্লার সবচেয়ে সুন্দর ও বড় এমিউজমেন্ট পার্ক। বিদেশি কার্টুন ডিজনিকের আদলে তৈরি প্যারাডাইজ পার্কের গেটটি বেশ আকর্ষনীয়। মনোরম পরিবেশের এই পার্কটি ছোট বড় সবার জন্যেই। পার্ক রিভিউ নিয়ে দেখে নিন আমাদের ম্যাজিক প্যারাডাইস ইউটিউব ভিডিও ।

মধুটিলা ইকোপার্ক
শেরপুর জেলা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁওয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারিভাবে মধুটিলা ইকো পার্ক ( Madhutila Eco Park ) এর অবস্থান। মধুটিলা ইকোপার্কে শোভাবর্ধনকারী ও বিরল প্রজাতির বৃক্ষের বনায়নের পাশাপাশি আছে বিশ একরের ঔষধি বৃক্ষের বনায়ন। এছাড়া রয়েছে রেস্ট হাউজ, বাসগৃহ, বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, আকর্ষণীয় রাইড, স্টার ব্রিজ, ক্যান্টিন, মিনি চিড়িয়াখানা, কার পার্কিং এবং বসার স্থান। মধুটিলার লেকে ঘুরে বেড়ানো জন্য ৫ টি দেশীয় নৌকা ও ৩টি প্যাডেল বোট রয়েছে। সবুজের সমারোহ আর পাহাড়ের হাতছানিতে প্রতি বছর সারাদেশ থেকে সৌন্দর্য্য প্রিয় মানুষ মধুটিলায় বেড়াতে আসেন। মধুটিলা ইকোপার্কের খুব কাছেই রয়েছে গজনী অবকাশ কেন্দ্র , হাতে সময় থাকলে সেখান থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।

শকুনি লেক
শকুনি লেক (Shokuni Lake) মাদারীপুর জেলার একটি পরিচয় বহনকারী ঐতিহাসিক নাম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর শকুনি লেকের পরিবেশ সহজেই মনকে প্রশান্ত করে তোলে। কাগজপত্রে ‘শকুনি লেক’ নামে পরিচিত হলেও স্থানীয়দের কাছে এই লেক ‘মাদারীপুর লেক’ হিসেবে সুপরিচিত। কয়েকশ বছর পূর্বে জনৈক রাজা প্রজাদের পানির সংকট নিরসনের জন্য শকুনি লেক খনন করেন। যা বর্তমানে মাদারীপুরবাসীর কাছে বিনোদন কেন্দ্রের চাহিদা পূরণ করে চলেছে। এখানে আছে ওয়াচ টাওয়ার, কৃত্রিম ঝর্ণা, কফি শপ, রেস্টুরেন্ট এবং বিশ্রামের জন্য ছাউনি।

লটকন বাগান
টক-মিষ্টি স্বাদের লটকন (Lotkon) কম-বেশি সবারই পছন্দের একটি ফল। আর লটকনের জন্য নরসিংদী জেলার রয়েছে দেশজোড়া খ্যাতি। নরসিংদীর শিবপুর ও মরজাল উপজেলায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি লটকনের আবাদ হয়ে থাকে। শিবপুর উপজেলার ছোটাবান্দা গ্রামের রাস্তার দুই পাশের অসংখ্য ছোট বড় লটকন বাগান নজরে পড়ে। বাগানের গাছগুলোর গোড়া থেকে শুরু করে শাখা প্রশাখা ও উপশাখা জুড়ে ঝুলতে থাকে থোকা থোকা হাজারো পাকা লটকন। তবে কোন বাগানে ঢোকার আগে অবশ্যই মালিকের অনুমতি নিতে হবে। অধিকাংশ বাগানের মালিক খুবই আন্তরিক এবং দর্শনার্থীদের আগ্রহ নিয়ে নিজেদের বাগান ঘুরে দেখায়। তাই বাগানের মালিকের সাথে কথা বলে নিজ হাতে গাছ থেকে পেড়ে লটকন খেতে পারবেন।

বারদী লোকনাথ আশ্রম
নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে ৩৪ কিলোমিটার দূরে সোনারগাঁ উপজেলার বারদি বাজারের পশ্চিম-উত্তর কোণে শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রম (Sri Sri Loknath Bramhachari Ashram) বা বারদী লোকনাথ আশ্রম অবস্থিত। ১৭৩০ সালের ৩১ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত থানার অন্তর্গত কচুয়া গ্রামে লোকনাথ ব্রহ্মচারী জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পুঁথি বিদ্যা ত্যাগ করে সন্ন্যাস ব্রত গ্রহণ করে হিমালয়ে কঠোর যোগ সাধনা করেন। পরবর্তীতে মানুষের মাঝে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি লোকালয়ে বের হয়ে আসেন। বিভিন্ন দেশ ঘুরে ১৮৬৩ সালে সোনারগাঁয়ে পৌঁছে লোকনাথ ব্রহ্মচারী বারদী গ্রামে প্রকৃতির নিবিড় সজীবতায় এই আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। প্রায় ১৬০ বছর বয়সে ১৮৯০ সালের ১ জুন (১৯শে জ্যৈষ্ঠ) মহাপুরুষ লোকনাথ ব্রহ্মচারী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বারদী লোকনাথ আশ্রম জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য এক মিলন মেলা হিসেবে পরিচিত।

লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি
রাজধানী ঢাকা থেকে অল্প দূরত্বে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার ডাংগা বাজারের কাছে উকিলের বাড়ি বা লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি (Lokkhon Shahar Jomidar Bari) অবস্থিত। নিপুণ কারুকার্যমন্ডিত এই বাড়ির নির্মাতা জমিদার লক্ষণ সাহা মূলত ছিলেন প্রধান জমিদারের অধিনস্থ একজন সাব-জমিদার। লক্ষণ সাহার ৩ ছেলের নাম পেরিমোহন সাহা, নিকুঞ্জ সাহা ও বঙ্কু সাহা। দেশ ভাগের সময় বঙ্কু সাহা ভারতে চলে যান এবং ১৯৭১ সালের পূর্বে নিকুঞ্জ সাহাও ভারতে পাড়ি জমান। একমাত্র পেরিমোহন সাহা এখানে থেকে যান। পেরিমোহন সাহার একমাত্র ছেলে বৌদ্ধ নারায়ন সাহা আহম্মদ আলী নামের একজন উকিলের কাছে বাড়িটি বিক্রি করে দেন। এ কারণে লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়িটি এই অঞ্চলে উকিলের বাড়ি নামে অধিক পরিচিত। জানা যায় বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ শহরে লক্ষণ সাহার বংশধরের একাংশ বসবাস করছেন।

লোহাগড়া মঠ
চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা বাজার থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লোহাগড়া মঠ (Lohagarh Moth) একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন নিদর্শন। জমিদার বংশের লোহা ও গহড় নামের অত্যাচারী ও প্রতাপশালী দুই ভাই জমিদার বাড়ির অবস্থানস্বরূপ ডাকাতিয়া নদীর কূল ঘেঁষে এই মঠটি নির্মাণ করেছিল এবং তাদের নামেই এই গ্রাম ও মঠের নামকরণ করা হয়। প্রায় ২০০ বছরের পুরাতন লোহাগড় মঠে বর্তমানে ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতার ৩টি মঠ, প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ ও মাটির নিচের গহবর বিদ্যমান রয়েছে। সবচেয়ে বড় মঠটির শৈল্পিক কারুকার্যময় এবং অন্যান্য মঠ থেকে আলাদা। তৎকালীন জমিদারদের অত্যাচারের নীরব সাক্ষী লোহাগড়া মঠ চাঁদপুরের একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।

লাংলোক ঝর্ণা
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবান। পাহাড়ি এই জেলায় ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ছোট-বড় ঝর্ণা, আর প্রতিটি ঝর্ণার সৌন্দর্যই ভিন্নরকম। এর মধ্যে অন্যতম লাংলোক ঝর্ণা (Langlok Waterfall) , যা স্থানীয়ভাবে লিলুক ঝর্ণা নামেও পরিচিত। অ্যাডভেঞ্চার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী এর উচ্চতা প্রায় ৩৯৩ ফুট । অনেকের মতে, এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ঝর্ণা। বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়নে অবস্থিত এই ঝর্ণাটি এখন অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য।

লামা
বান্দরবান জেলার লামা (Lama) উপজেলা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে স্বর্গ রাজ্য হিসাবে খ্যাত। প্রায় ১১ টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা ও নৈসর্গিক পরিবেশ লামা আসা ভ্রমণ পিপাসু মানুষের হৃদয়কে মোহিত করে। বিশেষ করে চকরিয়া থেকে লামা যাওয়ার রাস্তাটা যেন স্বর্গে প্রবেশের সংযোগ। এছাড়া কোয়ান্টাম শিশু কাননে অসাধারণ সূর্যাস্ত দেখতে পারেন। লামায় যাওয়ার পথে লামা থেকে ৭ কিলোমিটার দূরত্বে প্রায় ৩৩ একর জায়গা জুড়ে রয়েছে মিরিঞ্জা পর্যটন কমপ্লেক্স। সমতল ভূমি থেকে প্রায় ২২০০ ফুট উচ্চতায় আবস্থিত এই পর্যটন কমপ্লেক্স থেকে পাহাড় আর মেঘের অপূর্ব লুকোচুরি খেলা দেখা যায়। মিরিঞ্জা পর্যটন কমপ্লেক্সে জনপ্রতি প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের অবস্থান পটুয়াখালী (Patuakhali) জেলার কলাপাড়া থানার লতাচাপলি ইউনিয়নে। প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত (Kuakata Sea Beach) থেকে একই সাথে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখা যায়। এই বৈশিষ্ট কুয়াকাটাকে সকল সমুদ্র সৈকত থেকে অনন্য করেছে। পরিচ্ছন্ন বেলাভূমি, অনিন্দ্য সুন্দর সমুদ্র সৈকত, দিগন্তজোড়া সুনীল আকাশ এবং ম্যানগ্রুভ বন কুয়াকাটাকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা সাগরকন্যা হিসেবে পরিচিত।

কুড়িখাই মেলা
একসময় গ্রামে গঞ্জে সারাবছরই ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরণের গ্রামীন মেলা হতো। যুগের সাথে আমাদের মন মানসিকতা তাল মিলাতে গিয়ে এই গ্রামীন মেলা গুলো এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক এইরকম গ্রামীন মেলা এখন খুব কমই দেখা যায়। তবে কিছু কিছু জায়গায় এখনো অনেক ঐতিহ্যবাহী মেলার আয়োজন বহু পুরনো বছরের রেওয়াজ ধরে চলছে প্রতিবছরই।

কুন্দ পুকুর মাজার
নীলফামারী সদর উপজেলা থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে কুন্দু পুকুর ইউনিয়নে ইসলামের মহান সাধক মহিউদ্দিন চিশতির (রাঃ)-র মাজার অবস্থিত। স্থানীয়দের কাছে এই মাজার কুন্দ পুকুর মাজার (Kundo Pukur Majar) হিসেবে পরিচিত। সুদূর পারস্য থেকে ইসলাম ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে হযরত মহিউদ্দিন চিশতি (রাঃ) কুন্দু পুকুর এলাকায় আসেন এবং এখানেই তিনি পরলোক গমন করেন।

কুতুব শাহ মসজিদ, অষ্টগ্রাম
কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে কুতুব মসজিদ বা কুতুব শাহ মসজিদ অবস্থিত। মসজিদের কোন শিলালিপি বর্তমান না থাকায় এর নির্মানশৈলী দেখে ১৬শ শতকের সুলতানী আমলের নিদর্শন হিসাবে এটিকে মানা হয় তাই কুতুব শাহ মসজিদের রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব। মসজিদের পাশেই একটি কবর রয়েছে আর এই কবরটি কুতুব শাহের কবর বলে প্রচলিত।কুতুব শাহ মসজিদের চারকোনায় চারটি অষ্টভূজাকৃতির বুরুজ রয়েছে আর প্রত্যেক বুরুজের উপর মিনার রয়েছে। এছাড়া মসজিদটিতে সর্বমোট ৫ টি গম্বুজ রয়েছে। পশ্চিম দিক বাদে মসজিদের তিন পাশ থেকেই মসজিদে প্রবেশের পথ রয়েছে। এ মসজিদের কার্নিশ বক্রাকার, মসজিদের দেয়ালে রয়েছে বিভিন্ন করুকাজ। বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে সুলতানী আমলের সবচেয়ে প্রাচীন স্থাপনা হিসাবে এর সুখ্যাতি রয়েছে। ১৯০৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কুতুব শাহ মসজিদটিকে সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে নথিভুক্ত করে। কুতুব মসজিদ দেখার সাথে সাথে আপনার অষ্টগ্রাম হাওর ভ্রমণ ও হয়ে যাবে।