দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি
রাজধানী ঢাকা থেকে অল্প দূরত্বে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার ডাংগা বাজারের কাছে উকিলের বাড়ি বা লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি (Lokkhon Shahar Jomidar Bari) অবস্থিত। নিপুণ কারুকার্যমন্ডিত এই বাড়ির নির্মাতা জমিদার লক্ষণ সাহা মূলত ছিলেন প্রধান জমিদারের অধিনস্থ একজন সাব-জমিদার। লক্ষণ সাহার ৩ ছেলের নাম পেরিমোহন সাহা, নিকুঞ্জ সাহা ও বঙ্কু সাহা। দেশ ভাগের সময় বঙ্কু সাহা ভারতে চলে যান এবং ১৯৭১ সালের পূর্বে নিকুঞ্জ সাহাও ভারতে পাড়ি জমান। একমাত্র পেরিমোহন সাহা এখানে থেকে যান। পেরিমোহন সাহার একমাত্র ছেলে বৌদ্ধ নারায়ন সাহা আহম্মদ আলী নামের একজন উকিলের কাছে বাড়িটি বিক্রি করে দেন। এ কারণে লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়িটি এই অঞ্চলে উকিলের বাড়ি নামে অধিক পরিচিত। জানা যায় বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ শহরে লক্ষণ সাহার বংশধরের একাংশ বসবাস করছেন।

বারদী লোকনাথ আশ্রম
নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে ৩৪ কিলোমিটার দূরে সোনারগাঁ উপজেলার বারদি বাজারের পশ্চিম-উত্তর কোণে শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রম (Sri Sri Loknath Bramhachari Ashram) বা বারদী লোকনাথ আশ্রম অবস্থিত। ১৭৩০ সালের ৩১ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত থানার অন্তর্গত কচুয়া গ্রামে লোকনাথ ব্রহ্মচারী জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পুঁথি বিদ্যা ত্যাগ করে সন্ন্যাস ব্রত গ্রহণ করে হিমালয়ে কঠোর যোগ সাধনা করেন। পরবর্তীতে মানুষের মাঝে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি লোকালয়ে বের হয়ে আসেন। বিভিন্ন দেশ ঘুরে ১৮৬৩ সালে সোনারগাঁয়ে পৌঁছে লোকনাথ ব্রহ্মচারী বারদী গ্রামে প্রকৃতির নিবিড় সজীবতায় এই আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। প্রায় ১৬০ বছর বয়সে ১৮৯০ সালের ১ জুন (১৯শে জ্যৈষ্ঠ) মহাপুরুষ লোকনাথ ব্রহ্মচারী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বারদী লোকনাথ আশ্রম জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য এক মিলন মেলা হিসেবে পরিচিত।

লটকন বাগান
টক-মিষ্টি স্বাদের লটকন (Lotkon) কম-বেশি সবারই পছন্দের একটি ফল। আর লটকনের জন্য নরসিংদী জেলার রয়েছে দেশজোড়া খ্যাতি। নরসিংদীর শিবপুর ও মরজাল উপজেলায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি লটকনের আবাদ হয়ে থাকে। শিবপুর উপজেলার ছোটাবান্দা গ্রামের রাস্তার দুই পাশের অসংখ্য ছোট বড় লটকন বাগান নজরে পড়ে। বাগানের গাছগুলোর গোড়া থেকে শুরু করে শাখা প্রশাখা ও উপশাখা জুড়ে ঝুলতে থাকে থোকা থোকা হাজারো পাকা লটকন। তবে কোন বাগানে ঢোকার আগে অবশ্যই মালিকের অনুমতি নিতে হবে। অধিকাংশ বাগানের মালিক খুবই আন্তরিক এবং দর্শনার্থীদের আগ্রহ নিয়ে নিজেদের বাগান ঘুরে দেখায়। তাই বাগানের মালিকের সাথে কথা বলে নিজ হাতে গাছ থেকে পেড়ে লটকন খেতে পারবেন।

শকুনি লেক
শকুনি লেক (Shokuni Lake) মাদারীপুর জেলার একটি পরিচয় বহনকারী ঐতিহাসিক নাম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর শকুনি লেকের পরিবেশ সহজেই মনকে প্রশান্ত করে তোলে। কাগজপত্রে ‘শকুনি লেক’ নামে পরিচিত হলেও স্থানীয়দের কাছে এই লেক ‘মাদারীপুর লেক’ হিসেবে সুপরিচিত। কয়েকশ বছর পূর্বে জনৈক রাজা প্রজাদের পানির সংকট নিরসনের জন্য শকুনি লেক খনন করেন। যা বর্তমানে মাদারীপুরবাসীর কাছে বিনোদন কেন্দ্রের চাহিদা পূরণ করে চলেছে। এখানে আছে ওয়াচ টাওয়ার, কৃত্রিম ঝর্ণা, কফি শপ, রেস্টুরেন্ট এবং বিশ্রামের জন্য ছাউনি।

মধুটিলা ইকোপার্ক
শেরপুর জেলা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁওয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারিভাবে মধুটিলা ইকো পার্ক ( Madhutila Eco Park ) এর অবস্থান। মধুটিলা ইকোপার্কে শোভাবর্ধনকারী ও বিরল প্রজাতির বৃক্ষের বনায়নের পাশাপাশি আছে বিশ একরের ঔষধি বৃক্ষের বনায়ন। এছাড়া রয়েছে রেস্ট হাউজ, বাসগৃহ, বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, আকর্ষণীয় রাইড, স্টার ব্রিজ, ক্যান্টিন, মিনি চিড়িয়াখানা, কার পার্কিং এবং বসার স্থান। মধুটিলার লেকে ঘুরে বেড়ানো জন্য ৫ টি দেশীয় নৌকা ও ৩টি প্যাডেল বোট রয়েছে। সবুজের সমারোহ আর পাহাড়ের হাতছানিতে প্রতি বছর সারাদেশ থেকে সৌন্দর্য্য প্রিয় মানুষ মধুটিলায় বেড়াতে আসেন। মধুটিলা ইকোপার্কের খুব কাছেই রয়েছে গজনী অবকাশ কেন্দ্র , হাতে সময় থাকলে সেখান থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।

ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক
ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক (Magic Paradise Park) কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত। ওয়াটার পার্ক, ২০টির অধিক রাইড, ডাইনোসর পার্ক, পিকনিক স্পট সহ এই পার্কটি কুমিল্লার সবচেয়ে সুন্দর ও বড় এমিউজমেন্ট পার্ক। বিদেশি কার্টুন ডিজনিকের আদলে তৈরি প্যারাডাইজ পার্কের গেটটি বেশ আকর্ষনীয়। মনোরম পরিবেশের এই পার্কটি ছোট বড় সবার জন্যেই। পার্ক রিভিউ নিয়ে দেখে নিন আমাদের ম্যাজিক প্যারাডাইস ইউটিউব ভিডিও ।

মহামুনি বৌদ্ধ বিহার
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী মহামুনি গ্রামে টিলার উপর মহামুনি বৌদ্ধ বিহার (Mahamuni Buddhist Vihara) অবস্থিত। ধারণা করা হয়, ১৮১৩ সালে চাইংগা ঠাকুর নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে এই বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখা হয় মহামুনি মন্দির। আবার ড. রামচন্দ্র বড়ুয়া তাঁর ‘চট্টগ্রামের মগের ইতিহাস প্রাগুক্ত’ গ্রন্থে ১৮০৫ সালে মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের মন্দির ও মুর্তি নির্মাণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও এই স্থাপনাটি প্রায় ২০০ বছরের পুরাতন একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।

মহারাজার দিঘী
পঞ্চগড় জেলা সদর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক পুকুরের নাম মহারাজার দীঘি (Maharajar Dighi)। ধারণা করা হয়, ভিতরগড় নামের ১৫০০ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক এক রাজ্যে মহারাজা পৃথু রাজত্ব করাকালীন এই দীঘিটি খনন করেন।

মানা বে ওয়াটার পার্ক
মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া এলাকায় অবস্থিত মানা বে ওয়াটার পার্ক (Mana Bay Waterpark) বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম থিম পার্ক। প্রায় ৬০ হাজার স্কয়ার মিটার বিস্তৃত এই ওয়াটার পার্ক দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম এবং আধুনিক রাইড সমৃদ্ধ বিনোদন কেন্দ্র। পার্কটিতে সকল বয়সের মানুষের জন্য বৈচিত্র্যময় সব আয়োজন রয়েছে। এখানে ১৭ টি রোমাঞ্চকর রাইড রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো- ওয়াটার স্লাইড ট্যুর, দেশের একমাত্র ওয়েভ পুল ও ফ্লোরাইডার ডাবল (সার্ফিং সিমুলেটর)। বাচ্চাদের জন্য একটি আলাদা জোন ও একটি কৃত্রিম নদীর ব্যবস্থা রয়েছে পার্কটিতে।

মারায়ন তং
বান্দরবান জেলার আলীকদম থানার মিরিঞ্জা রেঞ্জে অবস্থিত একটি পাহাড়ের নাম মারায়ন তং (Marayan Dong)। এই পাহাড় আরও কয়েকটি নামে পরিচিত যেমন; মারায়ান তং, মারায়ং তং, মেরাই থং জাদি, মারাইং ডং ইত্যাদি। প্রায় ১৬৪০ ফুট উচ্চতার এই পাহাড়ের চূড়ায় আছে একটি বৌদ্ধ উপাসনালয়। খোলা প্রকৃতির মাঝে বৌদ্ধের বিশাল মূর্তি এই জায়গাটিকে আরও গাম্ভির্যময় করে তোলেছে। দিগন্তজোড়া পাহাড় আর নিচে সাপের মতো বয়ে চলা মাতামুহুরী নদী, ফসলের ক্ষেত সবকিছু মিলিয়ে এ যেন এক কল্পনার রাজ্য।

মহেশখালী
মহেশখালী (Moheshkhali) উপজেলা কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ। কক্সবাজার শহর থেকে এটি মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। জনশ্রুতি আছে, ১৫৫৯ সালের প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এই দ্বীপের সৃষ্টি হয়। বৌদ্ধ সেন মহেশ্বর থেকেই প্রায় ২০০ বছর আগে এই জায়গার নামকরণ হয় মহেশখালী। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ‘এনার্জি হাব’ বা জ্বালানি কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

মোংলা বন্দর
মোংলা বন্দর বা মোংলাপোর্ট (Mongla Port) খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার সেলাবুনিয়া মৌজায় পশুর ও মোংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত। ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত মোংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর। খুলনা থেকে মোংলা বন্দরের দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। বন্দরটি বঙ্গোপসাগর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। মোংলা পোর্টটি অন্যান্য অভ্যন্তরীণ নদী বন্দর ও খুলনায রেল টার্মিনালের সাথে সংযুক্ত রয়েছে।

মৈনট ঘাট
দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট (Moinot Ghat Dhaka) কে ডাকা হয় মিনি কক্সবাজার নামে। ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে সোজা একটি রাস্তা এসে মিলেছে দোহারের মৈনট ঘাটে। পদ্মার এক পাড়ে দোহার আর অপর পাড়ে ফরিদপুর। মৈনট ঘাট থেকে মানুষ পদ্মা পাড় হয়ে ফরিদপুরের গোপালপুর যায়। ঘাটের পূর্ব পাশে বিশাল চর মানুষকে সাগরের বেলাভূমির কথা মনে করিয়ে দেয় আর সামনের বিস্তীর্ণ পদ্মা হয়ে যায় সাগর। আর চাইলে এখান থেকে নৌকায় করে পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়ানো যায় কিংবা পাড় ধরে হাটা যায় ইচ্ছে মত।

মহিষারের দিগম্বরী দীঘি
শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত ৬০০ বছরের পুরনো মহিষারের দিগম্বরী দীঘি (Mohisar Digumbori Dighi) হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। মোঘল আমলের স্বাধীন ১২ ভূঁইয়ার এক ভূঁইয়া বিক্রমপুর পরগনার জমিদার রাজা চাঁদ রায় দিগম্বরীর সন্ন্যাসীদের অনুরোধে ১০ একর জায়গার উপর এই দীঘি খনন করেন। মহিষারের দিগম্বরী দীঘির চারপাশে ইতিহাসের অমর সাক্ষী দিগম্বরী সন্ন্যাসী বাড়ি, মেলা চত্বর, জোড়া পুকুর, মনসা মন্দির, কালি মন্দির চত্বর ও লক্ষ্মী মন্দিরসহ অসংখ্য স্থাপনা ঘিরে রয়েছে। ১৯৮২ সালে দীঘিটি পুনঃখননের সময় ৪২ কেজি ওজনের কষ্টি মূর্তিসহ বেশকিছু দুর্লভ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন খুঁজে পাওয়া যায়।

মণিপুরী পল্লী
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অসংখ্য উপজাতীয় নৃ-গোষ্ঠী ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তেমনি মৌলভীবাজার শহর থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে শ্রীমঙ্গলের কমলগঞ্জ উপজেলায় আদমপুর ইউনিয়নে মনিপুরী সম্প্রদায়ের কাপড়ের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে মণিপুরী পল্লী (Monipuri Village)। স্থানীয় মনিপুরীরা এখানে নিজেরা কাপড়ের বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে। দেশ বিদেশে মণিপুরী পণ্য সমূহের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এছাড়া নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কারণেও মনিপুরীদের সুখ্যাতি ছড়িয়ে আছে বিশ্বব্যাপী।

ভিতরগড় দুর্গ নগরী
পঞ্চগড় জেলা থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অমরখানা ইউনিয়নে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় মধ্যযুগের অন্যতম এক নিদর্শন ভিতরগড় দুর্গ নগরীর (Bhitorgarh Durg Nogori) অবস্থান। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, ৬ষ্ঠ শতকের দিকে পৃথু রাজা তার রাজধানী হিসেবে ভিতরগড় দুর্গ নির্মাণ করেন। ১২৫৭ সালে পাল বংশীয় সুলতান মুঘিসউদ্দিন কামরূপ রাজ্য আক্রমণ করলে এই দুর্গটি সুলতানী শাসনে চলে আসে। ধারণা করা হয়, ষষ্ঠ শতকের শেষে বা সপ্তম শতকের শুরুতে ভিতরগড় স্বাধীন রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা এই ভিতরগড়ে প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস, স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ ও বেশ কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে।