দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

বাঘা মসজিদ
রাজশাহী শহর থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদ ( Bagha Mosque ) অবস্থিত। ইট দিয়ে তৈরি প্রাচীন এই মসজিদটির চারপাশে ৪ টি এবং মাঝখানে দুই সারিতে মোট ১০ টি গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের পূর্ব পাশের ৫ টি দরজা ছাড়া উত্তর-দক্ষিণের দেয়ালের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাঘা মসজিদের ভেতরে এবং বাইরে প্রচুর পোড়া মাটিরফলক দেখতে পাওয়া যায়। মসজিদের ভেতরে উঁচু বেদিতে একটি বিশেষ নামাজের কক্ষ রয়েছে। এই বিশেষ নামাজের কক্ষ কার বা কাদের জন্য সংরক্ষিত ছিল তা এখনো অজানা রয়েছে।

বালিয়া মসজিদ
ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে বালিয়া মসজিদ (Balia Mosque) অন্যতম। প্রচলিত আছে, কোন এক অমাবস্যার রাতে কিছু জ্বীন এই এলাকার উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় এখানে একটি মসজিদ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় এবং সারা রাত ধরে তারা মসজিদের নির্মাণের কাজ করতে থাকে। রাত শেষে যখন ভোর হয়ে আসে তখনও মসজিদের গম্বুজ নির্মাণের কাজ বাকি ছিল। অতঃপর জ্বীনেরা মসজিদের কাজ অসম্পন্ন রেখেই প্রস্থান করে। পরবর্তী প্রায় শতবছর ধরে এই বালিয়া মসজিদটি গম্বুজহীন অবস্থায় পরিত্যাক্ত ছিল। ২০০৫ সালে বালিয়া মসজিদটির সংস্কার কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১০ সালে মসজিদটি মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে খুলে দেয়া হয়। প্রচলিত এই ঘটনার জন্য অনেকের কাছে বালিয়া মসজিদটি জ্বীনের মসজিদ নামে পরিচিত।

বলিহার রাজবাড়ি
নওগাঁ জেলা শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বলিহার ইউনিয়নে প্রাচীন বলিহার রাজবাড়ি (Balihar Rajbari) অবস্থিত। সম্রাট আওরঙ্গজেব কর্তৃক জায়গির লাভ করে বলিহার জমিদার এই রাজবাড়ি তৈরী করেন। যা বর্তমানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসেবে সুপরিচিত। দোতালা জমিদার বাড়ির সামনে আছে বিশালাকারের তোরণ এবং ভেতরে আছে নাটমন্দির, রাজ রাজেশ্বরী মন্দির, জোড়া শিব মন্দির ও ২টি শিবলিঙ্গ। মন্দিরের দেয়ালে থাকা মূল্যবান রিলিফের কারুকার্য মন্দিরের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করেছে। ১৮২৩ সালে বলিহারের জমিদার রাজেন্দ্র লোকান্তরিত হবার পূর্বে বলিহার রাজবাড়ির দূর্গা মন্দিরে রাজ রাজেশ্বরী দেবীর অপরূপা পিতলের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এছাড়াও প্রাচীনকালে মন্দির ভবনে অবস্থিত প্রতিটি কক্ষকে এক একটি মন্দির বলে ধারণা করা হয়।

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক (Bangabandhu Safari Park) গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নে অবস্থিত। ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক ধরে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত বাঘের বাজার থেকে ৩ কিলোমিটার পশ্চিম দিকে এগিয়ে গেলেই বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে প্রবেশ দ্বার দেখতে পাবেন। প্রায় ৩,৬৯০ একর জায়গা জুড়ে গড়ে ওঠা বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক ছোট ছোট টিলা ও শালবন সমৃদ্ধ। থাইল্যান্ডের সাফারী ওয়ার্ল্ডের অনুকরণে তৈরি সাফারী পার্কটি ২০১৩ সালে চালু করা হয়। এই সাফারি পার্কের অন্যতম আকর্ষণ কোর সাফারি। চারপাশে উন্মুক্ত বাঘ, সিংহ, জিরাফ, জেব্রা, বন্য হরিণ ও অন্যান্য প্রাণী হেঁটে বেড়াচ্ছে আর তার মাঝ দিয়ে আপনি মিনিবাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। হয়তো হঠাৎ সামনে থেকে এক বাঘ রাস্তা আটকিয়ে দিলো কিংবা জানালার পাশে এসে সিংহ গর্জন দিয়ে উঠলো। এমন অভিজ্ঞতা পেতে ঢাকা ও আশপাশ থেকে সারাদিন পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়াবার জন্যে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক হতে পারে আদর্শ ঘুরে বেড়াবার জায়গা।

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী
কুমিল্লা জেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে কোটবাড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বা বার্ড (Bangladesh Academy for Rural Development, BARD) একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত গবেষণা ও প্রশিক্ষণ একাডেমী। ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার কর্তৃক পাকিস্থান গ্রাম উন্নয়ন একাডেমি নামে যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে পল্লী গবেষক ড. আখতার হামিদ খান বার্ড নামকরণ করেন। প্রায় ১৫৬ একর ছায়া সুনিবিড় প্রাকৃতিক পরিবেশে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর অবস্থান। বিভিন্ন ধরনের গাছ-গাছালি ও ফুলের বাগান রয়েছে একাডেমীর চারপাশে। এছাড়া বার্ডের বিশাল কমপ্লেক্সের মধ্যে রয়েছে পাঁচটি হোস্টেল, চারটি কনফারেন্স রুম, মসজিদ, লাইব্রেরী, হেলথ ক্লিনিক, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, দুইটি ক্যাফেটেরিয়া ও একটি প্রাইমারী স্কুল। স্বায়ত্ত্বশাসিত এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী কর্মকর্তাদের ট্রেনিং প্রোগ্রাম পরিচালনা করার পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের আয়োজন হয়ে থাকে। আর বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে এখানে পিকনিক আয়োজনের যাবতীয় সু-ব্যবস্থা রয়েছে।

সফিপুর আনসার একাডেমী
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর বাজারে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বোচ্চ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সফিপুর বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমী (Bangladesh Ansar VDP Academy) অবস্থিত। ১৯৭৬ সালে শুধুমাত্র আনসার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হলেও ১৯৮৫ সালে এর সাথে ভিডিপি যুক্ত করা হয়। প্রায় ৩৫৯ একর জায়গা জুড়ে গড়ে উঠা এই একাডেমীতে মৌলিক শিক্ষাক্রম, দক্ষতা বৃদ্ধি, যুদ্ধ কৌশল, মাঠ কৌশল, অফিস ব্যবস্থাপনা ও আর্থ সামজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এছাড়া পিকনিক ও শুটিং স্পট হিসেবেও সফিপুর আনসার একাডেমীর বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে।

বাংলার তাজমহল
পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম ভারতের আগ্রার তাজমহলের মত করে বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পেরাব গ্রামে নির্মাণ করা হয়েছে বাংলার তাজমহল বা দ্বিতীয় তাজমহল।

বাঁশখালী ইকোপার্ক
চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলায় মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে উঁচু-নিচু পাহাড়, লেকের স্বচ্ছ পানি ও বনাঞ্চল ঘিরে গড়ে উঠেছে বাঁশখালী ইকোপার্ক (Banshkhali Eco Park)। ২০০৩ সালে জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বন্য প্রাণীর আবাস্থল উন্নয়ন, ইকো ট্যুরিজম ও চিত্তবিনোদনের উদ্দেশ্যে প্রায় ১,০০০ হেক্টর বনভূমি নিয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে সরকারী উদ্যোগে বাঁশখালী ইকোপার্ক নির্মাণ করা হয়।

বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত
কক্সবাজার, পতেঙ্গা কিংবা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ছাড়াও বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি স্বল্প পরিচিত সমুদ্র সৈকত রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত (Banshkhali Sea Beach) তেমনি এক অপ্রচলিত ভ্রমণ গন্তব্য। বালুময় বেলাভূমি ও ঝাউবনে ঘেরা বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের পর বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত। এটি ছনুয়া, গন্ডামারা, সরল, বাহারছড়া, খানখানাবাদ উপকূল মিলিয়ে সর্বমোট ৩৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।

বারেক টিলা
বারেক টিলা (Barek Tila) সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত এক অপরূপ প্রাকৃতিক বিস্ময়। স্থানীয়ভাবে এটি বারাইক্কা টিলা (Barikka Tila) বা বারিক টিলা (Barik Tila) নামেও পরিচিত। প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু এই টিলার ওপর দাঁড়ালে চোখের সামনে উন্মোচিত হয় ভারতের মেঘালয়ের সুউচ্চ খাসিয়া পাহাড়, ঘন সবুজ অরণ্য আর নিচে সাপের মতো এঁকেবেঁকে চলা নীলচে-সবুজ যাদুকাটা নদী।

বারোবাজার
ঝিনাইদহ জেলা শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত বারোবাজার (Barobazar) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল। ইতিহাস থেকে জানা যায়, প্রায় ৭০০ বছরের প্রাচীন ১০ বর্গমাইল পরিধির বারোবাজার নগরী বারোটি পৃথক বাজারের জন্য তৎকালীন সময়ে বেশ প্রসিদ্ধ ছিল। বারোবাজার নগরীর গ্রামগুলো হল- পিরোজপুর, খোশালপুর, সাদেকপুর, বাঁদুরগাছা, সাতগাছিয়া, দৌলতপুর, মুরাদগড়, এনায়েতপুর, মোল্লাডাঙ্গা, রহমতপুর এবং বাদেডিহি।

বাটালি হিল
পার্বত্য জেলা চট্টগ্রামের জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরে টাইগারপাস এলাকায় অবস্থিত শহরের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের নাম বাটালি হিল (Batali Hill)। বাটালি হিলের রাস্তা প্যাঁচালো হবার কারণে এটি জিলাপি পাহাড় নামেও পরিচিত। পাহাড়ের সর্বোচ্চ চূড়ার নাম শতায়ু অঙ্গন। ২৮০ ফুট উচ্চতার বাটালি হিলের চূড়া থেকে চট্টগ্রাম শহর এবং বঙ্গোপসাগর দেখা যায়। পাহাড়ের উপর থেকে বঙ্গোপসাগরের মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করার পাশাপাশি বিশ্রাম নেওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে বর্তমানে পাহাড়ের চূড়া ও সংলগ্ন এলাকায় উন্নত ওয়াকিং ট্রেইল ও বসার স্থান তৈরি করা হয়েছে।

বেলাই বিল
গাজীপুর জেলার চেলাই নদী সংলগ্ন বাড়িয়া, ব্রাহ্মণগাঁও, বক্তারপুর ও বামচিনি মৌজা গ্রাম ঘেরা একটি মনোমুগ্ধকর বিলের নাম বেলাই বিল (Belai Beel)। প্রায় ৮ বর্গমাইল জুড়ে বিস্তৃত এই বিলের অনেক স্থানেই প্রায় সারা বছর পানি থাকে। তবে বেলাই বিলের প্রকৃত সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে বর্ষা কালের বিকল্প নেই। জানা যায়, ৪০০ বছর পূর্বে এই বিলের কোন অস্তিত্ব ছিল না। চেলাই নদীর পানি প্রবাহের মত এই বিলটিও খরস্রোতা ছিল। বর্ষা মৌসুমে বিলকে ঘিরে জেলেদের ব্যস্ততা চোখে পড়লেও শুষ্ক মৌসুমে বেলাই বিল বোরো ধানের জমিতে পরিণত হয়।

বঙ্গবন্ধু উদ্যান বেলস পার্ক
বরিশাল জেলা সদর থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যান বা বেলস পার্ক অবস্থিত (Bangabandhu Udyan/Bell’s Park)। ১৮৯৬ সালে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এন.ডি.বিটসন বেলস বরিশালে আসেন। বেলসের শাসনামলে ব্রিটিশ রাজা পঞ্চম জর্জের আগমনকে কেন্দ্র করে কীর্তনখোলা নদীর কিনারে এই উদ্যানটি নির্মাণ করা হয়। বরিশাল শহরের উন্নয়ন, মুসলিম শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যে বিটসন বেলসের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তার নামানুসারে উদ্যানটির নাম হয় বেলস পার্ক। বিভিন্ন সময় অনেক রাষ্ট্রীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি এই পার্কে তাদের মূল্যবান ভাষণ দিয়েছেন। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের দেওয়া ভাষণকে স্মরণীয় করে রাখতে এই পার্কে একটি মুক্ত মঞ্চ ও ম্যুর্যাল স্থাপন করা হয়। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার বেলস পার্কের নাম পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু উদ্যান রাখা হয়। বর্তমানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধীনে থাকা এই উদ্যানটি পরিচালনা করেন।

বেনাপোল স্থল বন্দর
বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের কাছে অবস্থিত যশোর জেলার শার্শা উপজেলার অন্তর্গত একটি গ্রামের নাম বেনাপোল। বেনাপোলে আছে একটি সীমান্ত তল্লাশী ঘাঁটি ও একটি আন্তর্জাতিক স্থল বন্দর, যা বেনাপোল স্থল বন্দর (Benapole Land Port) নামে পরিচিত। বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ কতৃক পরিচালিত বেনাপোল স্থল বন্দরের বিপরীতে ভারতের অংশটি পেট্রাপোল নামে পরিচিত, এটি পশ্চিম বাংলার বনগাঁ মহুকুমার অন্তর্ভুক্ত। আর বেনাপোল রেলস্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

বেতিলা জমিদার বাড়ি
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলায় অবস্থিত বেতিলা জমিদার বাড়ি (Betila Zamindar Bari) একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। সবুজ ঘেরা বেতিলা গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া বেতিলা খাল দিয়ে একসময় বিভিন্ন মহাজনী নৌকা ও বজরার যাতায়াত ছিল। বেতিলা খাল দিয়ে ধলেশ্বরী ও কালিগঙ্গা নদীতে সহজেই যাওয়া যেত। এরই ফলশ্রুতিতে তৎকালীন সময়ের বড় বড় বণিকেরা এই বেতিলা খালকে নিরাপদ পথ হিসাবে ব্যবহার করতেন। অত্র অঞ্চলের অন্যতম বনিক সত্য বাবুর বসতবাড়িই লোকমুখে বেতিলা জমিদারবাড়ি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। অজপাড়াগাঁয়ে এমন বিশালাকারের দালান ও আভিজাত্যের প্রকাশ স্থানীয়দের কাছে জমিদারী থেকে কম ছিল না।