দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

ইটনা শাহী মসজিদ
ইটনা শাহী মসজিদ (Itna Shahi Masjid) কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলায় অবস্থিত। মোগল স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত ইটনা শাহী মসজিদটি একটি বেদির উপর স্থাপিত। চারপাশে মোটা দেয়াল দ্বারা পরিবেষ্টিত মসজিদের দুইটি তোরণ এবং ছাদে তিনটি সুদৃশ্য গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের মূল কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় ভাবে এটি বেশ কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। কিছুটা অপরিকল্পিত ভাবে মেরামত করায় মসজিদের গায়ে থাকা শিলালিপি সিমেন্টের প্রলেপের নিচে ঢাকা পড়ে গেছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ৪২৫ বছর পুরনো এই ইটনা শাহী মসজিদটি বারো ভূইয়ার প্রধান ঈসা খাঁর সভাসদ মজলিশ দেলোয়ার নির্মাণ করেন।

জ্যাকব টাওয়ার
জ্যাকব টাওয়ার (Jacob Tower) বা চরফ্যাশন টাওয়ার ভোলা জেলার চরফ্যাশনে অবস্থিত উপমহাদেশের সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার। আইফেল টাওয়ারের আদলে নির্মিত ১৬ তলা বিশিষ্ট এই ওয়াচ টাওয়ারে প্রতিটি তলায় ৫০ জন ও পুরো টাওয়ারে ৫০০ জন দর্শক অবস্থান করতে পারবেন। আধুনিক এই জ্যাকব ওয়াচ টাওয়ারে পর্যটকদের জন্যে রয়েছে সিঁড়ি দিয়ে চূড়ায় উঠার পাশাপাশি ১৬ জন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন স্বচ্ছ গ্লাসের ক্যাপসুল লিফট। ২২৫ ফুট উচ্চতার এই টাওয়ার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মধ্যে আকর্ষণীয় ও উঁচু টাওয়ার।

যাদুকাটা নদী
যাদুকাটা নদী বা জাদুকাটা নদী (Jadukata River) সুনামগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশ-ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা এক অপরূপ প্রাকৃতিক বিস্ময়। একে বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই নদীর আদি নাম ছিল রেণুকা। তবে এর বর্তমান নামকরণের পেছনে একটি করুণ জনশ্রুতি রয়েছে। প্রচলিত আছে, নদী তীরবর্তী কোনো এক গাঁয়ের বধূ তার শিশুপুত্র ‘যাদু’কে কোলে নিয়ে নদীর পাড়ে মাছ কাটছিলেন। একপর্যায়ে অন্যমনস্ক হয়ে মাছের জায়গায় তিনি নিজের কোলের শিশুকে কেটে ফেলেন। পরবর্তীতে সেই মর্মান্তিক কাহিনী থেকেই নদীটির নাম হয় ‘যাদুকাটা’।

জগদ্দল বিহার
নওগাঁ জেলা সদর থেকে ৫২ কিলোমিটার দূরে ধামইরহাট উপজেলার একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান জগদ্দল বিহার (Jagaddal Vihara)। প্রায় নয়শ বছরের প্রাচীন এই স্থাপত্য নিদর্শন স্থানীয়দের কাছে বটকৃষ্ণ জমিদার বাড়ীর ধ্বংসাবশেষ হিসাবেও পরিচিত। মূলত জগদ্দল মহাবিহার ১১শ থেকে ১২শ শতাব্দীর দিকে প্রতিষ্ঠিত একটি বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র। ঐতিহাসিক সূত্র মতে, একাদশ শতকে রাজা রামপাল ভীমকে পরাজিত করে প্রিয় পিতৃভূমি বরেন্দ্র উদ্ধার করে প্রজা সাধারণের জন্য পাহারপুরের কাছে রাজধানী রামাবতী ও শিক্ষা বিস্তারের জন্য জগদ্দল মহাবিহার (বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠা করেন। পাল শাসনামলের শেষার্ধে স্থাপিত প্রাচীন বাংলার শিক্ষা ও দীক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ এই বিহারে বিভূতিচন্দ্র, আচার্য দানশীল, আচার্য মোক্ষকর গুপ্ত, শুভাকর গুপ্তের মত খ্যাত নামা পণ্ডিতগণ শিক্ষা গ্রহন এবং গবেষণার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন ধর্মমঙ্গল কাব্যগ্রন্থ ও নীহারঞ্জন রায়ের বাঙ্গালীর ইতিহাস গ্রন্থে এই বিহারের কথা উল্লেখ রয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
রাজধানী ঢাকার সদরঘাট এলাকায় অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (Jagannath University)। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৫৮ সালে যাত্রা শুরু করলেও ২০০৫ সালে জগন্নাথ কলেজ হতে এই প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়।

জাহানারা ইমাম স্মৃতি জাদুঘর
শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, লেখিকা, কথা সাহিত্যিক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী। একাত্তরের স্মৃতি কথা নিয়ে তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ “একাত্তরের দিনগুলি” দেশ জুড়ে পাঠক নন্দিত। জাহানারা ইমাম ও তাঁর ছেলে শহীদ রুমির স্মৃতি সংরক্ষণে এলিফ্যান্ট রোডে নিজ বাড়ীতে গড়ে তোলা হয়েছে শহীদ জননী জাহানার ইমাম স্মৃতি জাদুঘর। তরুন প্রজন্মকে মহীয়সী নারী জাহানারা ইমামমের বিভিন্ন সংগ্রাম ও আত্নত্যাগের কথা জানানোর উদ্দ্যেশে জাহানারা ইমামের ছোট ছেলে সাইফ ইমাম জামি ২০০৭ সালে সম্পূর্ন ব্যক্তিগত উদ্যোগে জাদুঘরটি গড়ে তুলেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা জেলার অন্তর্গত সাভার উপজেলায় ১৯৭০ সালে মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (Jahangirnagar University) স্থাপন করা হয়েছে৷ সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার আয়তন প্রায় ৬৯৭.৫৬ একর। এটি বাংলাদেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সুপরিচিত। জীব বৈচিত্রে অন্যোন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ একর জায়গা জুড়ে আছে প্রজাপতি গার্ডেন (Butterfly Garden)৷ এখানে বিভিন্ন জাতের ফুলের বাগানে ঘুরে প্রায় ১১০ প্রজাতির প্রজাপতি সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি এদের সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করার সুযোগ আছে। এই বাগানে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে আরো নতুন নতুন প্রজাপতি উৎপাদন করে বাগানে ছাড়া হয়।

জল্লাদখানা বধ্যভূমি
১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল বাঙ্গালীরা। সেই সময় প্রায় দেড় মাস অবরুদ্ধ থাকা মিরপুরের অনেক গুলো জায়গাই পাকিস্থানিদের বর্বর অত্যাচারের করুন পরিণতি হিসেবে বধ্যভূমি হয়ে উঠেছিল। ১৯৯৯ সালে ১৫ই নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে মিরপুরের বিভিন্ন জায়গা খনন করা হলে মিরপুর ১০ এ জল্লাদ খানা বধ্যভূমি আবিষ্কৃত হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তৎকালীন সরকারের স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইনের সার্বিক পরিকল্পনায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রচেষ্টায় তৈরি করা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতি পাঠ। ঢাকার মিরপুর ১০ এ অবস্থিত এই বধ্যভূমি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙ্গালীদের উপর পাকিস্থানের পৈশাচিক অত্যাচারের কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম এই জল্লাদখানা বধ্যভূমিতে নির্যাতিত অসংখ্য বাঙ্গালীদের গণকবর দেওয়া হয়েছিল।

জামালপুর জমিদার বাড়ি জামে মসজিদ
ঠাকুরগাঁওয়ের জামালপুর ইউনিয়নে রয়েছে ঐতিহাসিক জামালপুর জমিদার বাড়ী। ভারতের পশ্চিম বঙ্গের তৎকালীন তাজপুর পরগনার রওশন আলীর বংশধর জামাল উদ্দিন এই অঞ্চলের জমিদারিত্ব পেয়ে ১৮৬২ সালে জমিদার বাড়ীর ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন কিন্তু জমিদার বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পূর্বেই ১৮৬৭ সালে জামিদার বাড়ির সাথে একটি মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মসজিদের নাম রাখা হয় জামালপুর জমিদার বাড়ী জামে মসজিদ (Jamalpur Zamindarbari Jame Mosque) এবং ব্যয়বহুল এই মসজিদ তৈরীর কারণে জমিদার বাড়ির নির্মাণ কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়।

যমুনা সেতু
বাংলাদেশের পূর্বাঞ্ছলের ভুয়াপুর ও পশ্চিমাঞ্চলের সিরাজগঞ্জ জেলার সাথে সংযোগ স্থাপনকারী যমুনা বহুমুখী সেতুটি বঙ্গবন্ধু সেতু (Bangabandhu Bridge) হিসেবেও সুপরিচিত। ১৯৯৮ সালের জুন মাসে উদ্বোধন হওয়া এই সেতু দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহৎ এবং বিশ্বের ১১তম দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৪ সালে জাপান সরকারের সহায়তায় যমুনা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হলেও ১৯৯৮ সালে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। সর্বপ্রথম মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানি যমুনা নদীর উপর সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা বাস্তবায়ন করেন। বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণের ফলে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের সাথে সাথে সড়ক ও রেলপথে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যপক উন্নতি সাধিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু যমুনা ইকোপার্ক
সিরাজগঞ্জ জেলার একমাত্র বিনোদন কেন্দ্রের নাম বঙ্গবন্ধু যমুনা ইকোপার্ক ( Bangabandhu Jamuna Eco Park )। বন বিভাগ বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে প্রায় ১২০ একর জায়গা নিয়ে ২০০৭ সালে বঙ্গবন্ধু যমুনা ইকোপার্ক প্রতিষ্ঠা করে। সবুজ বৃক্ষে আচ্ছাদিত পার্ক থেকে যমুনা নদী এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়। শান্ত-সুনিবিড় ছায়া ঘেরা অনন্য প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য বঙ্গবন্ধু যমুনা ইকোপার্কে ক্রমশই দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ছে।

জঙ্গলবাড়ি দূর্গ
জঙ্গলবাড়ি দূর্গ ( Jangalbari Fort ) কিশোরগঞ্জ (Kishoreganj) জেলা থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নে অবস্থিত। বাংলার বার ভূঁইয়াদের প্রধান ঈশা খাঁ জঙ্গলবাড়ির দুর্গে তাঁর দ্বিতীয় রাজধানী স্থাপন করেন। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের একটি ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসাবে তালিকাভুক্ত।

যশোরেশ্বরী কালী মন্দির
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর গ্রামে অবস্থিত যশোরেশ্বরী কালী মন্দির (Shaktipeeth Shri Jeshoreshwari Kali Temple) হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি পবিত্র তীর্থস্থান। যশোরেশ্বরী শব্দের অর্থ যশোরের দেবী। সত্য যুগে দক্ষ যজ্ঞের পর সতী মাতা দেহ ত্যাগের পর মহাদেব মৃত দেহ কাঁধে নিয়ে প্রলয় নৃত্য শুরু করেন। বিষ্ণু দেব তাঁর সুদর্শন চক্র কতৃক সতীর দেহ ছেদন করেন। এতে সতী মাতার দেহ খণ্ড গুলো ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। সতী মাতার দেহ খণ্ড যে সকল স্থানে পতিত হয়েছে সেসব স্থানকে শক্তিপীঠ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। যশোরেশ্বরী কালী মন্দির তেমনি একটি শক্তিপীঠ।

জেস গার্ডেন পার্ক
যশোর জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরত্বে বাহাদুরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে সুন্দর ও নিরিবিলি পরিবেশে জেস গার্ডেন পার্ক (Jess Garden Park) অবস্থিত। ১৯৯২ সালে মরহুম এ. এস. এম হাবিবুল হক চুনি প্রায় ১২ একর জমির উপর পার্কটি প্রতিষ্ঠা করেন।

কালেক্টরেট পার্ক
যশোর (Jessore) জেলা সদরে অবস্থিত যশোর কালেক্টরেট ভবন চত্বর শহরের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে অধিক জনপ্রিয়। কালেক্টরেট ভবনের পাশে ভৈরব নদীর তীরে গড়ে তোলা হয়েছে যশোর কালেক্টরেট পার্ক (Jessore Collectorate Park), যা আগে নিয়াজ পার্ক হিসাবে পরিচিত ছিল। গৌরবোজ্জ্বল অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের নিরব সাক্ষী এই নিয়াজ পার্ক।

যশোর রোড
কালীগঞ্জের নলডাঙ্গার জমিদার কালী পোদ্দার ঐতিহাসিক যশোর রোড (Jessore Road) নির্মাণ করেন। বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রমতে, জমিদার কালী পোদ্দারের মা যশোদা দেবী সড়ক পথে গঙ্গাস্নানের ব্রত নেন। এমতাবস্থায় জমিদার তাঁর মায়ের ইচ্ছা পুরণের উদ্দেশ্যে যশোরের কালীগঞ্জ থেকে বর্তমান ভারতের কলকাতার গঙ্গা তীরের কালীঘাট পর্যন্ত সড়কপথ নির্মাণ করেন। কিন্তু রাস্তার নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলেও রাজমাতা যশোদা দেবী প্রখর রোদ ভ্রমণের অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে যশোদা দেবীর পরামর্শক্রমে সড়কের দুই পাশে রেন্ট্রি/কড়ই গাছ রোপণ করা হয়। রাজমাতা যশোদা দেবীর নামানুসারে রাস্তাটিকে যশোর রোড নামকরণ করা হয়। শতবর্ষী সেই সব গাছ আজো যশোর রোডের শোভা বর্ধন করে আসছে।