দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

ভাগ্যকুলের মিষ্টি
মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল বাজার সুস্বাদু মিষ্টি ও ঘোলের জন্য সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে সুপরিচিত। আদি ও আসল স্বাদের সন্দেশ, ছানা, চমচমের মত বিভিন্ন মিষ্টান্ন খেতে চাইলে ভাগ্যকুল এক স্বর্গীয় স্থান। রকমারি মিষ্টির বাহার নিয়ে ভাগ্যকুলের বিভিন্ন মিষ্টান্ন ভান্ডারগুলো যেন আপ্যায়নের পসরা সাজিয়ে বসে আছে। এদের মধ্যে গোবিন্দ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং চিত্তরঞ্জন মিষ্টান্ন ভান্ডার অতুলনীয় স্বাদের মিষ্টি ও ঘোলের জন্য সবচেয়ে প্রসিদ্ধ। যদিও ভাগ্যকুলের সকল দোকানেরই রয়েছে সমান সুনাম।

সিলেট শাহী ঈদগাহ
বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে সিলেট শাহী ঈদগাহ (Sylhet Shahi Eidgah) অন্যতম। নিপুণ কারুকার্যময় শাহী ঈদগাহটি ১৭০০ সালের দিকে মোগল ফৌজদার ফরহাদ খাঁ নির্মাণ করেন। ২২ টি সিঁড়ি মাড়িয়ে ১৫ টি গম্বুজ সজ্জিত শাহী ঈদগাহের মূল চত্বরে প্রবেশ করতে হয়। সীমানা প্রাচীরের ঘেরা ঈদগাহের চারদিকে ছোট বড় ১০টি গেইট রয়েছে। এই ঈদগায়ে প্রায় দেড় লাখ মুসল্লী একত্রে ঈদের নাযাজ আদায় করতে পারেন। শাহী ঈদগাহের উত্তর দিকে একটি মসজিদ আছে, যা শাহী ঈদগাহ মসজিদ নামে পরিচিত। আর মসজিদের পাশে সুউচ্চ টিলার উপর রয়েছে বন কর্মকর্তার বাংলো। ঈদগাহের সামনে অবস্থিত বিশাল পুকুরে মুসল্লিরা অজুর করে থাকেন। এছাড়া দক্ষিণ দিকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সিলেট কেন্দ্র এবং পূর্ব দিকে হযরত শাহজালাল (র.) এর সফরসঙ্গী শাহ মিরারজী (র.) এর মাজার ও সিলেট আবহাওয়া অফিস রয়েছে।

তিস্তা ব্যারেজ
তিস্তা ব্যারেজ (Teesta Barrage) বা তিস্তা সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। তিস্তা নদীর উপর নির্মিত তিস্তা ব্যারেজের একপাশে আছে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলাধীন গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী গ্রাম এবং অন্য পাশে আছে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলাধীন খালিসা চাপানী ইউনিয়নের ডালিয়া নামক স্থান। রংপুর, দিনাজপুর, নিলফামারী ও বগুড়া জেলার অনাবাদী জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের জন্য ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন সরকার তিস্তা ব্যারেজ তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালে ৬১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪৪ রেডিয়াল গেট বিশিষ্ট ব্যারেজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়, যা ১৯৯০ সালে শেষ হয়।

উলিপুর মুন্সিবাড়ী
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ধরনীবাড়ী ইউনিয়নে উলিপুর মুন্সিবাড়ীর (Ulipur Munshi Bari) অবস্থান। উলিপুর বাজার থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে প্রায় ৩৯ একর জায়গার উপর মুন্সিবাড়ীর বিশাল অট্টালিকাগুলো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আঠারো শতকে বিনোদী লালের পালক পুত্র শ্রী ব্রজেন্দ্র লাল মুন্সির তত্ত্বাবধানে চমৎকার স্থাপত্যের এই মুন্সিবাড়ী নির্মিত হয়। মূল ভবনে আছে শয়ন কক্ষ, ডাইনিং হল, রান্নাঘর, অঙ্কন কক্ষ, বিশ্রাম ঘর এবং অতিথিশালা। মূল বাড়ীর পিছনের দিকে শিব মন্দির, উন্মুক্ত দোল মঞ্চ, তুলসি বেদী, নাট মন্দির, দূর্গা মন্দির ও কূপসহ স্নানাগার রয়েছে। এছাড়া মূল ফটকের পাশে আছে কাঁঠালি চাপা ফুলের গাছ এবং শান বাঁধানো পুকুর ঘাট।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (University of Rajshahi) বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, যা ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে মাত্র ১৬১ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩৮ হাজারের বেশী শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এর সবুজে ঘেরা বিশাল ক্যাম্পাস, ঐতিহাসিক নিদর্শন ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য শিক্ষানুরাগী ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হতে পারে।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলার সাহেব কোয়ার্টার এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত। এখানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের কালজয়ী চিত্রকর্ম এবং অন্যান্য ব্যবহৃত জিনিসপত্র প্রদর্শিত হয়। এটি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে।

অরুনিমা ইকো পার্ক
৫০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাব (Arunima Resort Golf Club) স্থানীয় ভাবে অরুনিমা ইকো পার্ক নামেও পরিচিত। নড়াইল জেলার নারাগাতির পানিপাড়া গ্রামে অবস্থিত অরুনিমা ইকো পার্কে (Arunima Eco Park) মোট ১৯ টি ছোট বড় পুকুর ও একটি লেক আছে। আর লেকের মাঝে তৈরি করা হয়েছে একটি কৃত্রিম দ্বীপ, যেখানে রেস্টুরেন্ট, কটেজ এবং কনফারেন্স রুম নির্মাণ করা হয়েছে।

বালিয়া মসজিদ
ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে বালিয়া মসজিদ (Balia Mosque) অন্যতম। প্রচলিত আছে, কোন এক অমাবস্যার রাতে কিছু জ্বীন এই এলাকার উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় এখানে একটি মসজিদ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় এবং সারা রাত ধরে তারা মসজিদের নির্মাণের কাজ করতে থাকে। রাত শেষে যখন ভোর হয়ে আসে তখনও মসজিদের গম্বুজ নির্মাণের কাজ বাকি ছিল। অতঃপর জ্বীনেরা মসজিদের কাজ অসম্পন্ন রেখেই প্রস্থান করে। পরবর্তী প্রায় শতবছর ধরে এই বালিয়া মসজিদটি গম্বুজহীন অবস্থায় পরিত্যাক্ত ছিল। ২০০৫ সালে বালিয়া মসজিদটির সংস্কার কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১০ সালে মসজিদটি মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে খুলে দেয়া হয়। প্রচলিত এই ঘটনার জন্য অনেকের কাছে বালিয়া মসজিদটি জ্বীনের মসজিদ নামে পরিচিত।

বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর
বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর (Bangabandhu Boat Museum Barguna) বরগুনা শহরে এক ভিন্নধর্মী দর্শনীয় স্থান। নদীমাতৃক এ দেশে নদী ও নৌকার ইতিহাস হাজার বছরের। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নৌকা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর নির্মাণ করা হয় জাদুঘরটি।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর
রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে ২০১৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী জাদুঘর (Bangladesh Air Force Museum) প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গৌরবময় ঐতিহ্যের ইতিহাস এবং সাফল্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে এই অনন্য জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়। জাদুঘরের প্রধান প্রবেশদ্বার দিয়ে ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়ে একটি বিশাল উন্মুক্ত চত্বর। আর এই নান্দনিক ও সুপরিসর চত্বরেই অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক জঙ্গি বিমান, যুদ্ধকালীন হেলিকপ্টার এবং বিশালাকৃতির রাডার।

সোনারগাঁও জাদুঘর
আবহমান গ্রামবাংলার সংস্কৃতি ও লোকশিল্পকে ধরে রাখা ও সর্বজন স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্য ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁওয়ের পানাম নগরীর একটি পুরোনো বাড়িতে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (Bangladesh Folk Art and Craft Foundation) প্রতিষ্ঠা করেন। পানাম নগরীর ঠাকুরবাড়ি ভবন ও ঈশা খাঁর তোরন এই দুই স্থাপনাকে একত্রে নিয়ে প্রায় ১৬ হেক্টর জায়গা জুড়ে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন বিস্তৃত। এই ফাউন্ডেশনে আছে গোপীনাথ সাহা সরদার বাড়ি, জয়নুল আবেদীনের ঐতিহাসিক সংগ্রাম ভাস্কর্য, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের আবক্ষ ভাস্কর্য, জয়নুল আবেদীনের ভাস্কর্য, জয়নুল আবেদিন স্মৃতি জাদুঘর, লোকজ মঞ্চ, সেমিনার রুম, কারুশিল্প গ্রাম এবং সবুজে মোড়া সুবিশাল উদ্যান।

বাংলার তাজমহল
পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম ভারতের আগ্রার তাজমহলের মত করে বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পেরাব গ্রামে নির্মাণ করা হয়েছে বাংলার তাজমহল বা দ্বিতীয় তাজমহল।

বাটালি হিল
পার্বত্য জেলা চট্টগ্রামের জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরে টাইগারপাস এলাকায় অবস্থিত শহরের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের নাম বাটালি হিল (Batali Hill)। বাটালি হিলের রাস্তা প্যাঁচালো হবার কারণে এটি জিলাপি পাহাড় নামেও পরিচিত। পাহাড়ের সর্বোচ্চ চূড়ার নাম শতায়ু অঙ্গন। ২৮০ ফুট উচ্চতার বাটালি হিলের চূড়া থেকে চট্টগ্রাম শহর এবং বঙ্গোপসাগর দেখা যায়। পাহাড়ের উপর থেকে বঙ্গোপসাগরের মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করার পাশাপাশি বিশ্রাম নেওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে বর্তমানে পাহাড়ের চূড়া ও সংলগ্ন এলাকায় উন্নত ওয়াকিং ট্রেইল ও বসার স্থান তৈরি করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু উদ্যান বেলস পার্ক
বরিশাল জেলা সদর থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যান বা বেলস পার্ক অবস্থিত (Bangabandhu Udyan/Bell’s Park)। ১৮৯৬ সালে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এন.ডি.বিটসন বেলস বরিশালে আসেন। বেলসের শাসনামলে ব্রিটিশ রাজা পঞ্চম জর্জের আগমনকে কেন্দ্র করে কীর্তনখোলা নদীর কিনারে এই উদ্যানটি নির্মাণ করা হয়। বরিশাল শহরের উন্নয়ন, মুসলিম শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যে বিটসন বেলসের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তার নামানুসারে উদ্যানটির নাম হয় বেলস পার্ক। বিভিন্ন সময় অনেক রাষ্ট্রীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি এই পার্কে তাদের মূল্যবান ভাষণ দিয়েছেন। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের দেওয়া ভাষণকে স্মরণীয় করে রাখতে এই পার্কে একটি মুক্ত মঞ্চ ও ম্যুর্যাল স্থাপন করা হয়। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার বেলস পার্কের নাম পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু উদ্যান রাখা হয়। বর্তমানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধীনে থাকা এই উদ্যানটি পরিচালনা করেন।

বেতিলা জমিদার বাড়ি
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলায় অবস্থিত বেতিলা জমিদার বাড়ি (Betila Zamindar Bari) একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। সবুজ ঘেরা বেতিলা গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া বেতিলা খাল দিয়ে একসময় বিভিন্ন মহাজনী নৌকা ও বজরার যাতায়াত ছিল। বেতিলা খাল দিয়ে ধলেশ্বরী ও কালিগঙ্গা নদীতে সহজেই যাওয়া যেত। এরই ফলশ্রুতিতে তৎকালীন সময়ের বড় বড় বণিকেরা এই বেতিলা খালকে নিরাপদ পথ হিসাবে ব্যবহার করতেন। অত্র অঞ্চলের অন্যতম বনিক সত্য বাবুর বসতবাড়িই লোকমুখে বেতিলা জমিদারবাড়ি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। অজপাড়াগাঁয়ে এমন বিশালাকারের দালান ও আভিজাত্যের প্রকাশ স্থানীয়দের কাছে জমিদারী থেকে কম ছিল না।

মল্লিকপুরের বটগাছ
ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বেথুলি গ্রামের মল্লিকপুরে ৫২টি বিভিন্ন আকারের বটগাছের রুপে প্রায় ১১ একর জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ঐতিহাসিক এক বটগাছের অস্তিত্ব। বটগাছের আনুমানিক উচ্চতা ২৫০ থেকে ৩০০ ফুট। বিবিসির জরিপে মল্লিকপুরের বটগাছটি ১৯৮৪ সালে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম বটগাছের (Big Banian Tree in Asia) খ্যাতি অর্জন করে। বটগাছটির ভিন্ন ভিন্ন কয়েকটি নাম রয়েছে, যার মধ্যে সুইতলার বটগাছ, সুইতলা মল্লিকপুরের বটগাছ এবং বেথুলীর বটগাছ নাম অধিক প্রচলিত।