দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

হাকালুকি হাওর
হাকালুকি হাওর ( Hakaluki Haor ) সিলেট ও মৌলভীবাজারের ৫টি উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ মিঠা পানির জলাভূমি। হাকালুকি হাওর প্রায় ২৩৮ টি বিল ও ১০ টি নদীর সমন্বয়ে গঠিত এবং বর্ষাকালে এই হাওরের আয়তন দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর। মাছের জন্য প্রসিদ্ধ হাকালুকি হাওরে শীতকালে অতিথি পাখিদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে। এছাড়াও এখানে প্রায় ১০০ প্রজাতির স্থানীয় পাখি দেখা মিলে। হাওরের বিস্তির্ন ভূমি, বিল নির্ভর মানুষের জীবনযাত্রা এবং অথিতি পাখির আহ্বানে ভ্রমনপিয়াসীরা হাকালুকি হাওরে ছুটে আসে।

হাঁসাইগাড়ী বিল
হাঁসাইগাড়ী বিল (Hansaigari Beel) নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ও শিকারপুর ইউনিয়নে অবস্থিত একটি অপরূপ প্রাকৃতিক জলাভূমি। সূর্য যখন পশ্চিমে হেলে পড়ে, তখন হাঁসাইগাড়ী বিলের বিস্তীর্ণ জলরাশিতে ছড়িয়ে পড়ে রক্তিম আভা। ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে বিলের বুক চিরে চলে যাওয়া আঁকাবাঁকা পিচঢালা সড়কে, বাতাসে ভেসে আসে হালকা মাছের গন্ধ আর দূরের গ্রামীণ জনপদ থেকে ভেসে আসা মানুষের কোলাহল। গোধূলিলগ্নে বাতাসের তোড়ে বিলের পানিতে যখন ছোট ছোট ঢেউ তৈরি হয় এবং তা রাস্তার কিনারায় আছড়ে পড়ে, তখন এক মায়াবী আবহ তৈরি হয়। এই দৃশ্য বাস্তবে একবার দেখলে যে কেউ সহজেই অনুধাবন করতে পারবেন কেন স্থানীয়রা ভালোবেসে একে ডাকেন “নওগাঁর মিনি কক্সবাজার”।

হার্ডিঞ্জ ব্রীজ
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ (Hardinge Bridge) পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বিভাজনকারী পদ্মা নদীর উপর নির্মিত একটি ঐতিহাসিক রেল সেতু। ১৯১৫ সালের ৪ মার্চ তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ এই সেতুর উদ্বোধন করেন এবং তাঁর নামানুসারেই এর নামকরণ করা হয়। ভারত উপমহাদেশের রেল যোগাযোগ সহজতর করতে ১৮৮৯ সালে পদ্মা নদীর ওপর এই সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। প্রকৌশলবিদ্যার এক বিস্ময় হিসেবে পরিচিত এই ব্রিজের ভিত স্থাপন করা হয়েছে পানির সর্বনিম্ন সীমা থেকে প্রায় ১৬০ ফুট মাটির গভীর পর্যন্ত। এই ব্রিজের ১৫ নম্বর স্তম্ভের কুয়া পানির নিম্নসীমা থেকে ১৫৯.৬০ ফুট এবং সর্বোচ্চ সীমা থেকে ১৯০.৬০ ফুট নিচে স্থাপন করা হয়েছে।

হরিণমারী শিব মন্দির
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে হরিণমারী হাটের উপর প্রায় চারশত বছরের প্রাচীন হরিণমারী শিব মন্দির (Harinmari Shiv Temple) অবস্থিত। ত্রিশ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট বর্গাকৃতির এই মন্দিরের আয়তন ১৪ x ১৪ ফুট। চারচালা পদ্ধতিতে নির্মিত হরিণমারী শিব মন্দিরের দক্ষিণ দিকে দরজায় পোড়ামাটির ফলকে লতাপাতার নকশাকৃত বিভিন্ন মূর্তির প্রতিকৃতি রয়েছে। আর মন্দিরের পূর্ব দিকে আছে একটি বড় পুকুর। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার অভাবে হরিণমারী শিব মন্দিরের ছাদ ও অন্যান্য অংশ আজ ধ্বংসের পথে।

হরিশ্চন্দ্রের পাঠ
নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রাচীন রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষের নাম হরিশচন্দ্রের পাঠ (Harishchandra Path)। চাড়াল কাটা নদীর দক্ষিণ তীরে প্রায় এক বিঘা জমির উপর ৫টি বড় কালো পাথর খণ্ডে ঘেরা স্থানটিকে দূর থেকে উঁচু মাটির ঢিবি বলে মনে হয়। এক সময় ঢিবির উচ্চতা ৫০-৬০ ফুট থাকলেও সময়ের পালা বদলে উচ্চতা কমে ১০ ফুট হয়ে গেছে। যদিও প্রচলিত আছে, পাথরগুলো এভাবে ঢিবির মাটির নিচে তলিয়ে গিয়ে আবার ভেসে উঠে। দানশীল রাজা হরিশচন্দ্রকে নিয়ে অনেক পালাগান, যাত্রাপালা রচিত হয়েছে। মৃত্যুর আগে রাজা হরিশচন্দ্র এই স্থানে একটি শিব মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করলেও তা সমাপ্ত করে যেতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুর পর স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্যোগে মন্দিরের কাজ সম্পন্ন হয়। প্রাচীনকালে এখানে বেশকিছু মূর্তি ছিল, যা এখন আর নেই।

রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম
আঁশবিহীন সুস্বাদু আম হিসেবে রংপুর জেলার হাড়িভাঙ্গা আম (Haribhanga Mango) সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে সমাদৃত। জনপ্রিয় এই আমের উৎস রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার খোড়াগাছের তেকানি গ্রাম। হাড়িভাঙ্গা আমের নামকরণ নিয়ে বেশ প্রচলিত এক জনশ্রুতি রয়েছে। তেকানি ও তার আশেপাশের এলাকা বরেন্দ্রপ্রবণ অঞ্চল হবার কারণে চারা গাছে পানি দেওয়ার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করতে হতো। সেই সময় নফল উদ্দিন পাইকার নামের এক বৃক্ষবিলাসী প্রথম এই আমটির গোড়াপত্তন করেছিলেন ।

হাসন রাজার জাদুঘর
হাসন রাজার বাড়ি ও জাদুঘর দেখতে যেতে হবে সুরমা নদীর ঘেঁষা শহর সুনামগঞ্জ (Sunamganj) জেলায়। ১৮৫৪ সালে হাসন রাজা জন্মগ্রহন করেন। এখান থেকেই হাসন রাজা তার অনন্য সব গান রচনা করেন। বর্তমানে এই বাড়িতে গড়ে তোলা হয়েছে মিউজিয়াম যা বাড়িটিকে হাসন রাজার জাদুঘর (Hason Raja Museum) হিসাবে পরিচিত করে তুলেছে। হাসন রাজার জাদুঘরের প্রবেশ পথে প্রথমেই চোখে পরে লালন শাহের ছবি। এরপর ১৯৬২ সালে কলকাতার একটি স্টুডিও থেকে সংগ্রহ করা হাসন রাজার একমাত্র আলোকচিত্র দেখতে পাওয়া যায়। যদিও বিভিন্ন শিল্পীর আঁকা প্রায় ৮-৯ টি ছবি জাদুঘরে রক্ষিত আছে। হাসন রাজার জাদুঘরটি হাসন রাজার স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন জিনিসপত্রের সংগ্রহে যেন জীবন্ত হয়ে আছে।

হাতিরঝিল
হাতিরঝিল (Hatirjhil) রাজধানী ঢাকার একটি এলাকা, যা নগরবাসীর বিনোদনের জন্য মনোরম এক বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। হাতিরঝিল পরিবেশ ও নান্দনিকতায় খুব সহজেই নগরবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছে। হাতিরঝিলে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সেতু, চমৎকার শ্বেতশুভ্র সিঁড়ি এবং নজরকাড়া ফোয়ারা। এখানে ঝিলের জলে পালতোলা নৌকায় করে নৌবিহার করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও হাতিরঝিলকে ঘিরে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, শিশুপার্ক, বিশ্বমানের থিয়েটার এবং শরীর চর্চা কেন্দ্র।

শাহ্ নেয়ামত উল্লাহর মাজার
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় ছোট সোনা মসজিদ থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে তাহাখানা কমপ্লেক্সে অবস্থিত হযরত শাহ্ নেয়ামত উল্লাহর মাজার (Hazrat Shah Niyamatullah’s Shrine) মুঘল স্থাপত্যের একটি প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে সুপরিচিত। ষোড়শ শতাব্দীর স্বনামধন্য সাধকদের মধ্যে হযরত শাহ্ সৈয়দ নেয়ামত উল্লাহ (রহঃ) অন্যতম। তিনি বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর বংশধর এবং একাধারে পুরুষাক্রমিক ওলী, আলেম ও আধ্যাত্মিক গুরু ছিলেন। সুলতান শাহ্ সুজার রাজত্বকালে তিনি দিল্লির করোনিয়া থেকে বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ করে ফিরোজপুরের রাজমহলে উপস্থিত হন। বঙ্গ সুলতান শাহ্ সুজা তাঁকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে অভ্যর্থনা জানিয়ে বায়াত গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি ফিরোজপুরের গৌড়ের উপকণ্ঠে স্থায়ীভাবে আস্থানা গড়ে দীর্ঘ ৩৩ বছর সুনামের সাথে ইসলাম প্রচার করেন। ১০৭৫ মতান্তরে ১০৮০ হিজরি সনে মারা যাওয়ার পর তাঁকে এই স্থানে সমাধিস্থ করা হয়।

হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার
৩৬০ আউলিয়ার সিলেট নগরী ‘পূন্যভূমি’ হিসাবে খ্যাত। সিলেটের মাটিতে যেসব পীর, দরবেশ শায়িত আছেন এদের মধ্যে হযরত শাহজালাল (রঃ) অন্যতম। আর এজন্য তাঁকে ওলিকুল শিরোমণি বলা হয়। হযরত শাহ জালাল (রঃ) সকল ধর্মের মানুষের কাছে সমাদৃত ছিলেন। প্রতি বছর হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার জিয়ারতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের ঢল দেখা করা যায়।

হিরণ পয়েন্ট
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবনের দক্ষিণাংশে খুলনা রেঞ্জে প্রমত্তা কুঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি সংরক্ষিত অভয়ারণ্যের নাম হিরণ পয়েন্ট (Hiron Point)। ইউনেস্কো ঘোষিত অন্যতম বিশ্ব ঐতিহ্য হিরণ পয়েন্টের অন্য নাম নীলকমল। অভয়ারণ্য হওয়ার কারণে হিরণ পয়েন্ট সহজেই বানর, হরিণ, বাঘ সহ নানা প্রজাতি বন্যপ্রাণী, সরীসৃপ ও পাখির নিরাপদ প্রাকৃতিক আবসস্থলে পরিণত হয়েছে। ফলে এখানে সুন্দরবনের অন্যতম আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, লার্জ এগ্রেট, কাঁদা খোঁচা, ধ্যানী বক প্রভৃতি পশুপাখির দর্শন মিলে।

হামহাম জলপ্রপাত
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে ২০১০ সালের শেষের দিকে পর্যটন গাইড শ্যামল দেববর্মাকে সাথে নিয় একদল পর্যটক হাম হামের এই অনিন্দ্য জলপ্রপাতটি আবিষ্কার করেন। স্থানীয়দের কাছে এই ঝর্ণা চিতা ঝর্ণা হিসাবে পরিচিত, তাদের মতে এই জঙ্গলে আগে চিতা পাওয়া যেত। প্রায় ১৪০ফিট উঁচু এই ঝর্ণার বুনো সৌন্দর্য দেখার জন্যে অনেক কষ্ট স্বীকার করে সমগ্র বাংলাদেশ থেকে মানুষ ছুটে আসে। শীতকালে তুলনামূলক পানি অনেক কম থাকে তাই বর্ষা কাল হাম হামের বুনো সৌন্দর্য্য দেখার উপযুক্ত সময়।

হোসেনী দালান
হোসেনী দালান (Hossaini Dalan) বা ইমামবাড়া মূলত কারবালার প্রান্তরে শাহাদাৎ বরণকারী হযরত ইমাম হোসেন (রাঃ)-এর স্মৃতির স্মরণে নির্মিত শিয়া সম্প্রদায়ের একটি প্রাচীন উপাসনালয় ও সমাবেশস্থল। পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি প্রায় ৩০০ বছরেরও বেশি পুরনো। নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, মোগল সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে ১৬৪২ খ্রিষ্টাব্দে (১৭শ শতক) সুবাহদার শাহ শুজার প্রধান ইমারত পরিদর্শক মীর মুরাদের তত্ত্বাবধানে এই হোসেনী দালান ভবনটি নির্মাণ করা হয়।

ইদ্রাকপুর কেল্লা
ইদ্রাকপুর কেল্লা ( Idrakpur Fort ) মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরে অবস্থিত মোঘল স্থাপত্যের একটি ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন। ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালিন বাংলার সুবাদার ও সেনাপতি মীর জুমলা ইছামতি নদীর তীরে ইদ্রাকপুর নামক স্থানে এই কেল্লাটি নির্মাণ করেন। ৮২ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭২ মিটার প্রস্থের ইটের তৈরি ইদ্রাকপুর কেল্লাটি মগ জলদস্যু এবং পর্তুগিজদের হাত থেকে রক্ষার জন্য নির্মাণ করা হয়।

স্বাধীনতা জাদুঘর
তরুণ প্রজন্মকে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে অবগত করার উদ্দেশ্যে ভোলার বাংলাবাজার এলাকায় তোফায়েল আহমেদ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে স্বাধীনতা জাদুঘর (Shadhinota Jadughor) গড়ে তোলা হয়েছে। স্বনামধন্য স্থপতি ফেরদৌস আহমেদ প্রায় এক একর জায়গার উপর নির্মিত ভোলার আকর্ষণীয় এই বিনোদন কেন্দ্রটি ডিজাইন করেন। স্বাধীনতা জাদুঘরে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২ সালের ছাত্র আন্দোলন, ৬৬ সালের ছয় দফা, ৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ৭০ সালের নির্বাচন এবং ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সম্পূর্ণ ইতিহাস সংরক্ষিত আছে। এছাড়া এখানে তথ্য ভিত্তিক ভিডিও এবং দুর্লভ ছবির সংগ্রহ দেখে বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের সুযোগ রয়েছে।

ইটনা হাওর
কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর উপজেলাগুলোর মধ্যে ইটনা অন্যতম। সারা বছরই ইটনার হাওড় গুলোতে কম-বেশি পানি থাকলেও বর্ষাকালে হাওরগুলো যেন শৈল্পিক রূপ লাভ করে। তখন দুচোখে শুধু দিগন্তজোড়া সাগরসম অথৈ পানির বিস্তৃতি লক্ষ করা যায়। আবার কোথাও কোথাও মাথা চারা দিয়ে উঠে একটি দুটি সবুজ বৃক্ষ, দ্বীপের মত ভাসমান একটি দুটি কিংবা একগুচ্ছ বসতবাড়ি। বর্ষায় ইটনা হাওর (Itna Haor) অঞ্চলের মানুষের চলাচলের একমাত্র বাহন হচ্ছে নৌকা। তাই অনেক নৌকার দেখা মিলবে ইটনা ভ্রমণে।