দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী
গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী (Bhawal Raj Shamshanswari) বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। জমিদার পরিবারের সদস্যদের শবদাহ সৎকারের উদ্দেশ্যে ভাওয়াল রাজবাড়ি থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরে চিলাই নদীর দক্ষিণ তীরে প্রায় ৫ একর জায়গাজুড়ে ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী নামের এই সমাধিসৌধটি স্থাপন করা হয়। পরিবারের মৃত সদস্যদের নামে নামফলক ও সৌধ এছাড়াও শ্মশান চত্বরে মোগল স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত ৬ স্তম্ভবিশিষ্ট একটি শিবমন্দির রয়েছে।

ভাওয়াল রাজবাড়ী
গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে প্রায় ৫ একর জায়গার উপর কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী (Bhawal Rajbari)। ১৯৭৮ সালে এই রাজবাড়িটিকে জেলা পরিষদ ভবন হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হলেও বর্তমানে ভাওয়াল রাজবাড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভাওয়াল রাজবাড়ীর সাথে জড়িয়ে আছে ভাওয়াল সন্ন্যাসী রাজা রমেন্দ্র নারায়ণের কথিত মৃত্যুর ১২ বছর পর পুনঃআবির্ভাবের ইতিহাস, যাকে কেন্দ্র করে বিখ্যাত ভাওয়ালের সন্ন্যাসী মামলার সূচনা হয়। এছাড়া ভাওয়াল রাজবাড়িকে ঘিরে উত্তম কুমার অভিনীত জনপ্রিয় চলচ্চিত্র “সন্ন্যাসী রাজা” নির্মাণ করা হয়।

ভেতরবন্দ জমিদার বাড়ি
ভেতরবন্দ জমিদার বাড়ি ( Bhetarbandh Zamindar Bari ) কুড়িগ্রাম সদর থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরে নাগেশ্বরী উপজেলায় অবস্থিত। ইংরেজ শাসনামলে রাজশাহী ছিল ভেতরবন্দ পরগণার সদর দপ্তর। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পর নাগেশ্বরী উপজেলার ভেতরবন্দ গ্রামে এই পরগণার সদর দপ্তর স্থানান্তরিত হয়। কাঠ দিয়ে নির্মিত ভেতরবন্দ জমিদার বাড়ির প্রায় অর্ধেক অংশ কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে, বর্তমানে টিকে থাকা জমিদার বাড়ির বাকি অর্ধেকাংশে ভেতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় হিসাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

ভোলাগঞ্জ
সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রকৃতি মায়ায় মোড়ানো ভোলাগঞ্জ (Bholaganj) দেশের সর্ববৃহৎ পাথর কোয়ারির অঞ্চল। ভোলাগঞ্জ সীমান্তে প্রাকৃতিক দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের উঁচু উঁচু পাহাড়। সেই পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝর্ণাধারা একদিকে ধলাই নদের পানির যোগানদাতা অন্যদিকে এই পানি প্রবাহই ভোলাগঞ্জের রূপের উৎস। সবুজ পাহাড়, মেঘের হাতছানি আর বর্ষার পাহাড়ি ঢলের সাথে নেমে আসা সাদা পাথর ধলাই নদের বুকে মিলে মিশে ভোলাগঞ্জের সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ।

দেবী চৌধুরাণীর রাজবাড়ি
রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলা কার্যালয় ও পীরগাছা রেলওয়ে ষ্টেশনের কাছে দেবী চৌধুরাণীর রাজবাড়ি (Devi Chowdhuryan Palace) অবস্থিত। মন্থনা জমিদার দেবী চৌধুরানীর আসল নাম জয়াদুর্গা দেবী চৌধুরানী। পীরগাছা উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এই জমিদার বাড়িটি পীরগাছা রাজবাড়ি ও মন্থনা জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত। ১৭০৩-০৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রায় ২৮ একর জায়গা নিয়ে জমিদার অনন্তরামের মাধ্যমে দেবী চৌধুরানীর রাজবাড়ির গোড়াপত্তন হয়। দেবী চৌধুরানীর রাজবাড়িতে আছে জমিদার জ্ঞানেন্দ্র নারায়ন রায় কর্তৃক নির্মিত দেড় শতাধিক বছরের পুরাতন ত্রিবিগ্রহ মন্দিরে অন্নপুর্ণ বিশেশ্বর, শিব ও হরিহর বিগ্রহ পাশাপাশি কক্ষে রাখা হয়েছে।

ফুরমোন পাহাড়
বাংলাদেশের রূপের রানী রাঙ্গামাটির কোলে শান্তিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এক অসাধারণ সুন্দর পাহাড়। বলছি ফুরমোন পাহাড় (Furomown Hill) এর কথা। প্রায় ১৫১৮ ফুট উচ্চতার এই পাহাড়টি এখনও অনেক পর্যটকের ভিড় থেকে দূরে, আপন রূপে মহিমান্বিত। যারা প্রকৃতির সেরা রূপটি দেখতে চান এবং নিজেদের একটু চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুত, তাদের জন্য ফুরমোন পাহাড় আদর্শ গন্তব্য।

গুপ্ত বৃন্দাবন
টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পুর্বে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় রাধা কৃষ্ণের ভক্তদের পুণ্যস্থান গুপ্ত বৃন্দাবন (Gupta Brindaban) গ্রাম অবস্থিত। এখানে প্রতিবছর চৈত্র মাসের ১২ তারিখ প্রায় ৭০০ বছরের পুরনো একটি কালো তমাল গাছকে কেন্দ্র করে জমজমাট বারুনি মেলার আয়োজন করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছাড়াও এই উৎসবে আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে সকল ধর্মের দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে।

হ্যাপি আইল্যান্ড
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার রাঙ্গামাটি জেলার ভেদভেদী এলাকা সংলগ্ন কাপ্তাই হৃদের কোল ঘেঁষে হ্যাপি আইল্যান্ড (Happy Island) গড়ে তোলা হয়েছে। মনোরম সবুজ প্রকৃতি ও চমৎকার নির্মাণশৈলীর এই দ্বীপটি মূলত একটি ওয়াটার পার্ক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩০৫ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডের উদ্যোগে প্রায় দুই বছরের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় কাপ্তাই লেক পরিবেষ্টিত একটি টিলার উপর ২০১৮ সালের ২৩ এপ্রিল এই অসাধারণ ওয়াটার আইল্যান্ডটি উদ্বোধন করা হয়।

হাজাছড়া ঝর্ণা
হাজাছড়া ঝর্ণা বা শুকনাছড়া ঝর্ণা (Hazachora Waterfalls/Shuknachara Falls) নামে পরিচিত জলপ্রপাতটি পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট এলাকায় অবস্থিত। আর স্থানীয় আদিবাসীরা ঝর্ণাটিকে চিত জুরানি থাংঝাং ঝর্ণা (মন প্রশান্তি ঝর্ণা) নামে ডাকেন। ঝর্ণাটি রাঙ্গামাটি জেলার অন্তর্গত হলেও খাগড়াছড়ি থেকে সহজেই ঝর্ণাটি দেখতে যাওয়া যায়। খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালা উপজেলা থেকে হাজাছড়া যাওয়ার পথে প্রকৃতির অপূর্ব ক্যানভাস হৃদয় ছুঁয়ে যায়। মাইনী নদীর জলধারা, রাস্তার দু’পাশে আদিবাসীদের বসবাস, জুম চাষের ক্ষেত এবং সবুজে ঘেরা ঝিরিপথ অভিযাত্রীদের স্বাগতম জানায় হাজাছড়া ঝর্ণার রূপে অভিভূত হতে।

ইনানী সমুদ্র সৈকত
কক্সবাজার থেকে ২৯ কিলোমিটার আর হিমছড়ি থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে ইনানী সমুদ্র সৈকত (Inani Sea Beach) । ভাটার সময় ইনানী সমুদ্র সৈকতে সেন্টমার্টিনের মত প্রবাল পাথরের দেখা মিলে। এখানে কক্সবাজারের মত সাগর এত উত্তাল থাকে না আর এই শান্ত সাগরই পর্যটকদের আরো বেশী বিমোহিত করে। সাধারণত বিকেল বেলায় ইনানী সৈকত ভ্রমণের জন্য আদর্শ সময়। বিকেল বেলায় পর্যটক তুলনামূলক কম থাকে আর সাথে অপূর্ব সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ হাতছাড়া করা পরবর্তীতে আপনার আফসুসের কারণ হতে পারে। এছাড়া টেকনাফ গামী মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে ইনানী বীচে যাবার সময় হিমছড়ির পাহাড় , সমুদ্র তীরের সাম্পান, নারিকেল ও ঝাউবন গাছের সারি আর চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে আপনার ভ্রমণের সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে মন প্রফুল্ল হয়ে উঠবে।

ইটনা হাওর
কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর উপজেলাগুলোর মধ্যে ইটনা অন্যতম। সারা বছরই ইটনার হাওড় গুলোতে কম-বেশি পানি থাকলেও বর্ষাকালে হাওরগুলো যেন শৈল্পিক রূপ লাভ করে। তখন দুচোখে শুধু দিগন্তজোড়া সাগরসম অথৈ পানির বিস্তৃতি লক্ষ করা যায়। আবার কোথাও কোথাও মাথা চারা দিয়ে উঠে একটি দুটি সবুজ বৃক্ষ, দ্বীপের মত ভাসমান একটি দুটি কিংবা একগুচ্ছ বসতবাড়ি। বর্ষায় ইটনা হাওর (Itna Haor) অঞ্চলের মানুষের চলাচলের একমাত্র বাহন হচ্ছে নৌকা। তাই অনেক নৌকার দেখা মিলবে ইটনা ভ্রমণে।

যাদুকাটা নদী
যাদুকাটা নদী বা জাদুকাটা নদী (Jadukata River) সুনামগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশ-ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা এক অপরূপ প্রাকৃতিক বিস্ময়। একে বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই নদীর আদি নাম ছিল রেণুকা। তবে এর বর্তমান নামকরণের পেছনে একটি করুণ জনশ্রুতি রয়েছে। প্রচলিত আছে, নদী তীরবর্তী কোনো এক গাঁয়ের বধূ তার শিশুপুত্র ‘যাদু’কে কোলে নিয়ে নদীর পাড়ে মাছ কাটছিলেন। একপর্যায়ে অন্যমনস্ক হয়ে মাছের জায়গায় তিনি নিজের কোলের শিশুকে কেটে ফেলেন। পরবর্তীতে সেই মর্মান্তিক কাহিনী থেকেই নদীটির নাম হয় ‘যাদুকাটা’।

জল্লাদখানা বধ্যভূমি
১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল বাঙ্গালীরা। সেই সময় প্রায় দেড় মাস অবরুদ্ধ থাকা মিরপুরের অনেক গুলো জায়গাই পাকিস্থানিদের বর্বর অত্যাচারের করুন পরিণতি হিসেবে বধ্যভূমি হয়ে উঠেছিল। ১৯৯৯ সালে ১৫ই নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে মিরপুরের বিভিন্ন জায়গা খনন করা হলে মিরপুর ১০ এ জল্লাদ খানা বধ্যভূমি আবিষ্কৃত হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তৎকালীন সরকারের স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইনের সার্বিক পরিকল্পনায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রচেষ্টায় তৈরি করা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতি পাঠ। ঢাকার মিরপুর ১০ এ অবস্থিত এই বধ্যভূমি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙ্গালীদের উপর পাকিস্থানের পৈশাচিক অত্যাচারের কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম এই জল্লাদখানা বধ্যভূমিতে নির্যাতিত অসংখ্য বাঙ্গালীদের গণকবর দেওয়া হয়েছিল।

জঙ্গলবাড়ি দূর্গ
জঙ্গলবাড়ি দূর্গ ( Jangalbari Fort ) কিশোরগঞ্জ (Kishoreganj) জেলা থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নে অবস্থিত। বাংলার বার ভূঁইয়াদের প্রধান ঈশা খাঁ জঙ্গলবাড়ির দুর্গে তাঁর দ্বিতীয় রাজধানী স্থাপন করেন। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের একটি ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসাবে তালিকাভুক্ত।

জিতু মিয়ার বাড়ী
সিলেটের শেখঘাটে কাজীরবাজার সেতুর উত্তরে ঐতিহাসিক জিতু মিয়ার বাড়ী (Jitu Miah’r Bari) অবস্থিত। ১ দশমিক ৩৬৫ একর জায়গা জুড়ে খান বাহাদুর আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া ওরফে জিতু মিয়া মুসলিম স্থাপত্যশৈলীর এই স্থাপনাটি নির্মাণ করেন। খান বাহাদুর আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া ওরফে জিতু মিয়া সাব রেজিস্টার হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও ১৮৯৭ থেকে ১৯০৩ সাল পযর্ন্ত সিলেট পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান এবং অনারারী ম্যাজিস্টেট ছিলেন। তৎকালীন সময়ে জিতু মিয়ার পরিবারের জাকঁজমকপূর্ণ বিলাসী জীবনযাপন সিলেটে ব্যাপকভাবে আলোচিত হত। কথিত আছে, সে সময় এই বাড়ীর ড্রয়িংরুমে তুরস্কের পাশা, রুশ তুরস্কের যুদ্ধ, ব্রিটিশ রাজ পরিবারের রাজপুরুষদের বিভিন্ন আলোকচিত্র শোভা পেত। আর প্রতিদিন সিলেটে আগত শত শত লোক জিতু মিয়ার বাড়িতে আতিথেয়তা গ্রহণ করতেন।

কালুরঘাট ব্রিজ
চট্টগ্রাম শহরের দক্ষিণ দিকে বহদ্দারহাট থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কালুরঘাট ব্রিজ(Kalurghat Bridge) একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯১৪ সালে) সৈন্য পরিচালনার জন্য কর্ণফুলী নদীতে ব্রীজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ব্রীজ নির্মাণের অংশ হিসাবে ১৯৩০ সালে ব্রুনিক এন্ড কোম্পানী ব্রীজ বিল্ডার্স হাওড়া নামক একটি প্রতিষ্ঠান ব্রীজ নির্মাণ কাজ শুরু করে। ১৯৩০ সালে শুধুমাত্র ট্রেন চলাচলের জন্য ৭০০ গজ লম্বা কালুরঘাট সেতু উদ্বোধন করা হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে ব্রীজে ডেক বসানো হয়। দেশ বিভাগের পর ১৯৫৮ সালে ব্রীজটিকে সবরকম যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে বর্তমান রূপ দেওয়া হয়। কালুরঘাট সেতুতে দুইটি এব্যাটমেট, ছয়টি ব্রিক পিলার, বারটি স্টীল পিলার ও উনিশটি স্প্যান রয়েছে।