দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

কানাইপুর জমিদার বাড়ি
ফরিদপুর জেলা শাসনকারী জমিদারদের আছে এক সমৃদ্ধ ইতিহাস। কানাইপুরের শিকদার বংশ তেমনি ফরিদপুরের বিখ্যাত জমিদারদের মধ্যে অন্যতম। প্রায় ৪০০ বছর আগে শিকদার বংশের জমিদার কুমার নদীর পাড়ে বসবাসের জন্য জমিদার বাড়ি নির্মাণ করেন, যা কানাইপুর জমিদার বাড়ি (Kanaipur Zamindar Bari) হিসাবে পরিচিত হয়ে উঠে। তবে ফরিদপুর জেলার স্থানীয় বাসিন্দারা একে শিকদার বাড়ি (Shikdar Bari) হিসেবেই চিনেন।

কান্তজীর মন্দির
কান্তজীর মন্দির ( Kantajir Temple ) বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। এই মন্দিরটি বিভিন্ন নামে পরিচিত, কেউ কেউ একে কান্তজীউ মন্দির ( Kantajew Temple ) বা কান্তনগর মন্দির নামে চিনেন আবার অনেকের কাছে কান্তজীর মন্দিরটি নবরত্ন মন্দির নামেও সুপরিচিত। ১৮ শতকে নির্মিত মন্দিরটি দিনাজপুর (Dinajpur) শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে দিনাজপুর-তেঁতুলিয়া সড়কের প্রায় এক মাইল পশ্চিমে ঢেঁপা নদীর তীরে কান্তনগর গ্রামে অবস্থিত।

করটিয়া জমিদার বাড়ি
করটিয়া জমিদার বাড়ি (Karatia Jomidar Bari) টাঙ্গাইল শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে পুটিয়ার নদীর তীরে অবস্থিত। জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নী মোগল ও চৈনিক স্থাপত্য কৌশলে বাড়িটি নির্মাণ করেন। প্রায় ১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ০.৫ কিলোমিটার প্রস্থের করটিয়া জমিদার বাড়ি চারপাশে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। জমিদার বাড়িতে রয়েছে লোহার ঘর, রাণীর পুকুরঘাট, রোকেয়া মহল, ছোট তরফ দাউদ মহল এবং মোগল স্থাপত্যে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। মসজিদটিতে মোট আটটি গম্বুজ ও ১৫ ফুট উঁচু একটি মিনার রয়েছে। করটিয়া জমিদার বাড়ি করটিয়া রাজবাড়ী (Karatia Rajbari) নামেও পরিচিত।

খালিশপুর নীলকুঠি ভবন
ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার কপোতাক্ষ নদীর তীরে অবস্থিত খালিশপুর নীলকুঠি ভবন একটি অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। ভারত উপমহাদেশে নীল চাষের শুরুতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি খালিশপুরে ১৪ একর জায়গার উপর একটি দ্বিতল নীলকুঠি ভবন নির্মাণ করে। ১৮১০ থেকে ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত এই নীলকুঠিটি নীল চাষীদের অত্যাচারের জন্য ব্যবহৃত হত। নীলচাষীদের উপর ইংরেজদের অত্যাচারে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা ১৮৬০ সালে উপমহাদেশে নীল বিদ্রোহের সূচনা করে। তবে অন্যান্য নীলকুঠিগুলো ইংরেজরা বিক্রি করে দিলেও খালিশপুরের নীলকুঠি ভবন কৃষকদের বিদ্রোহের কারণে বিক্রি করতে পারেনি। ইংরেজদের ফেলে যাওয়া এই নীলকুঠি পরবর্তীতে জমিদাররা কাচারি ঘর হিসেবে ব্যবহার করেন।

কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ি
প্রায় একশত বছর আগে প্রতিষ্ঠিত কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ি (Kirtipasha Zamindar Bari) ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নে অবস্থিত। ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়িটি ঝালকাঠি জেলা সদর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বর্তমানে জমিদার বাড়ির একটি অংশে রয়েছে প্রসন্ন কুমার মাধ্যমিক বিদ্যালয়। নাটমঞ্চ ও হলরুমে কমলিকন্দ নবীন চন্দ্র বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। আর মূল জমিদার বাড়ি ও দূর্গামন্দির লতা-পাতা, জঙ্গলে জরাজীর্ণ হয়ে রয়েছে।

কির্সতং পাহাড়
প্রকৃতির এক অপার বিস্ময় আর রোমাঞ্চের নাম বান্দরবান । কির্সতং (Kristong) পাহাড় বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় চিম্বুক রেঞ্জের সর্বোচ্চ চূড়ায় অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই পাহাড়ের উচ্চতা প্রায় ২,৯০০ ফুট। ‘কির্সতং’ শব্দটি মারমা ভাষা থেকে এসেছে। ‘কির্স’ মানে একটি বিলুপ্তপ্রায় পাখি এবং ‘তং’ মানে পাহাড়। একসময় এই পাহাড়ের চূড়ায় এই বিরল পাখিগুলো দেখা যেত বলে এর এমন নামকরণ করা হয়েছে। এছারাও এই পাহাড় একসময় ধনেশ পাখির আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত ছিল। ঘন অরণ্যে ঘেরা এই পাহাড়ে এখনও অনেক দুর্লভ পশুপাখির দেখা মেলে। ঘন জঙ্গল, শতবর্ষী বিশাল সব গাছ আর বন্যপরিবেশ কির্সতংকে অন্য সব পাহাড় থেকে আলাদা করেছে। এখানে পৌঁছানোর পথ যেমন দুর্গম, তেমনই রোমাঞ্চকর।

লাউচাপড়া পিকনিক স্পট
লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্র বা লাউচাপড়া পিকনিক স্পট ( Lauchapra Picnic Spot ) বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত ঘেষা জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের পশরা সাজিয়ে থাকা লাউচাপড়ার পাহাড়, অরণ্য, লেক এবং আদিবাসীদের স্বতন্ত্র জীবনধারা দেশি বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। পর্যটকদের সুবিধার জন্য জামালপুর জেলা পরিষদ ১৯৯৬ সালে গারো পাহাড়ে ২৬ একর জায়গা জুড়ে ‘নিকা’ পিকনিক স্পট নির্মাণ করে। পিকনিট স্পটের প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু পাহাড়ের উপর আরও ৬০ ফুট উঁচু একটি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। এই ওয়াচ টাওয়ারের উপর থেকে সারি সারি সবুজ পাহাড়, মেঘের লুকোচুরি খেলা এবং অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করা যায়। আর লাউচাপড়া পিকনিক স্পটে শিশুদের জন্য রয়েছে দোলনা, স্লিপার সহ বেশকিছু রাইড এবং গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। পার্কে প্রবেশ করতে দশ টাকা দিয়ে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়।

মধুপুর জাতীয় উদ্যান
মধুপুর জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের অন্যতম আকর্ষণ। মধুপুর জাতীয় উদ্যান (Madhupur National Park) ঢাকা থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরত্বে টাঙ্গাইলে মধুপুর উপজেলায় অবস্থিত। টাঙ্গাইল জেলা থেকে মধুপুর উদ্যানের দূরত্ব প্রায় ৪৭ কিলোমিটার। শাল গাছ এই বনের প্রধান আকর্ষণ এবং ধারণা করা হয় এই বনাঞ্চল কয়েক’শ বছরের পুরাতন। মধুপুর জাতীয় উদ্যানটি ১৯৬২ সালে বন বিভাগের আওতাধীন আসে এবং ১৯৭৪ সালের বন্যপ্রাণী আইনের অধীনে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮২ সালে মধুপুর বনকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। জাতীয় মধুপুর উদ্যানের আয়তন প্রায় ৮৪,৩৬৬ হেক্টর। উদ্যানের পাশ দিয়ে প্রবাহমান বংশী নদী উদ্যানকে দিয়েছে ভিন্নমাত্র। জাতীয় এ উদ্যানের ভেতরে এবং বাইরে দেখা মিলে গারো, কোচ, বামনসহ বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের।

মহামুনি বৌদ্ধ বিহার
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী মহামুনি গ্রামে টিলার উপর মহামুনি বৌদ্ধ বিহার (Mahamuni Buddhist Vihara) অবস্থিত। ধারণা করা হয়, ১৮১৩ সালে চাইংগা ঠাকুর নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে এই বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখা হয় মহামুনি মন্দির। আবার ড. রামচন্দ্র বড়ুয়া তাঁর ‘চট্টগ্রামের মগের ইতিহাস প্রাগুক্ত’ গ্রন্থে ১৮০৫ সালে মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের মন্দির ও মুর্তি নির্মাণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও এই স্থাপনাটি প্রায় ২০০ বছরের পুরাতন একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।

মীর্জানগর হাম্মামখানা
১৬৪৯ সালে যশোরের ফৌজদার নিযুক্ত হন মীর্জা সফসিকান। তিনি ছিলেন বাংলার সুবেদার শাহ সুজা শ্যালক পুত্র। কেশবপুর উপজেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে কপোতাক্ষ ও বুড়িভদ্রা নদীর ত্রিমোহিনীতে মীর্জা সফসিকানের বসবাসের এলাকাটির নাম রাখা হয় মীর্জানগর। মীর্জানগরের নবাববাড়িতে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন হাম্মামখানা, যা মীর্জানগর হাম্মামখানা (Mirzanagar Hammamkhana) নামে পরিচিত। বর্তমানে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নবাববাড়ির এই হাম্মামখানার অস্তিত্ব এখনও বিদ্যামান এবং দূরদূরান্ত থেকে মোগল আমলের এই নিদর্শন দেখতে দর্শনার্থীরা মির্জানগরে ভিড় করেন।

তোহাখানা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নে ঐতিহ্যবাহী মুঘল তোহাখানা (Mughal Tahakhana) বা তোহাখানা কমপ্লেক্সের অবস্থান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে তোহাখানার দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। ফার্সি শব্দ তোহাখানার অর্থ ঠান্ডা ভবন বা প্রাসাদ। মুঘল সম্রাট শাহজাহানের পু্ত্র সুলতান শাহ সুজা তাঁর মুর্শিদ সৈয়দ নেয়ামতউল্লাহর শীতকালীন বসবাসের সুবিধার্থে ফিরোজপুরে তাপনিয়ন্ত্রিত ৩ তলা বিশিষ্ট এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্র মতে, ১৬৩৯-১৬৫৮ খ্রিষ্টাব্দে এই তোহাখানাটি নির্মিত হয়।

জাতীয় সংসদ ভবন
রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন ( National Parliament House ) বাংলাদেশের স্থাপত্য শিল্পের একটি অনন্য নিদের্শন। ১৯৬১ সালে সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হলেও তা ১৯৮২ সালে শেষ হয়। স্থপতি লুই আই কানের নকশায় নির্মিত জাতীয় সংসদ ভবনের মাঝখানে রয়েছে প্রধান হল। প্রধান হলে সংসদ সদস্যগণ পার্লামেন্টের কাজ করেন। মূল হল রুমকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবনের অন্যান্ন অংশগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। সংসদ ভবন নয়তলা বিশিষ্ট হলেও মাত্র তিনটি তলার সাথে অনুভূমিক যোগাযোগ রয়েছে এবং মাটির উপরের কাঠামোর উচ্চতা ৪৯.৬৮ মিটার।

নকশীপল্লী
রাজধানী ঢাকার কাছে একটি বিকেল কাটানোর জন্য নকশীপল্লী (Nokshi Polli) রেস্টুরেন্ট ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা এনে দিতে পারে। নান্দ্যনিক উপস্থাপনায় তৈরী নকশিপল্লী রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া ছাড়াও চারপাশে চমৎকার পরিবেশের আবেশে আড্ডায় কেটে যাবে ঘন্টার পর ঘন্টা।

পারকি সমুদ্র সৈকত
বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থানের তালিকায় কক্সবাজার বা পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত শীর্ষে অবস্থান করলেও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আনোয়ারার পারকি সমুদ্র সৈকতের (Parki Sea Beach) সৌন্দর্য কোন অংশেই কম নয়। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠা এই সাগর সৈকতের সবুজ ঝাউবন, লাল কাঁকড়া ও নীলাভ জলরাশি যেন সর্বদা ভ্রমণকারীদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। পারকি সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ স্থানভেদে ৩০০-৩৫০ ফুট। স্থানীয়দের কাছে উপকূলীয় পার্কি সমুদ্র সৈকত ‘পারকির চর’ নামে পরিচিত।

পাথারিয়া পাহাড়
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত পাথারিয়া পাহাড় স্থানীয়দের কাছে আদম আইল হিসেবে পরিচিত। বড়লেখা থেকে ভারতের পূর্ব সীমান্তবর্তী খাসিয়া-জয়ন্তীয়া উচ্চভূমির আসাম অংশের ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পাথারিয়া পাহাড়ি অঞ্চলের বিস্তৃতি। প্রায় ১০০০ বছর আগে এই অঞ্চলটি গভীর অরণ্যে পূর্ণ ছিল। সেসময় পাথরি নামক নাগা জনগোষ্ঠীর একটি উপশাখার অধিবাসীরা এখানে বসবাস করতো। এই জনগোষ্ঠীর সাথে মিল রেখে এই অরণ্য অঞ্চলের নামকরণ করা হয় পাথরিয়া।

রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ী
নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় পতিসর গ্রামে নাগর নদীর তীরে অবস্থিত রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ী (Rabindra Kachari Bari) বাংলাদেশের একটি অন্যতম সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। নওগাঁ শহর থেকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৩৬ কিলোমিটার। ১৮৩০ সালে রবি ঠাকুরের পিতামহ ও জোড়াঠাকুর পরিবারের অন্যতম সদস্য দ্বারকানাথ ঠাকুর এই অঞ্চলে আগমন করেন। পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে সর্বপ্রথম কালিগ্রাম পরগনার জমিদারী দেখাশোনা করার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পতিসরে আসেন। প্রায় ১০ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত পতিসর রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ীর সামনে সিংহ দুয়ার, প্রশস্থ আঙ্গিনা, দোতালা কুঠিবাড়ি এবং কুঠিবাড়িকে ঘিরে থাকা বেশকিছু ভবনের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পাওয়া যায়। নান্দনিক প্রবেশ পথ দিয়ে সামনে আগালেই মূল ভবনের সামনে নজরে পড়ে কংক্রিটের তৈরী রবি ঠাকুরের একটি আবক্ষ মূর্তি ও মার্বেল পাথরে খোদিত রবীন্দ্র রচনার কিছু কথা। রবীন্দ্র কাচারি বাড়ির ভিতরে বিভিন্ন সংরক্ষিত নিদর্শনের মধ্যে আছে কবির ব্যবহৃত বিভিন্ন তৈজসপত্র, কবির স্বহস্তে লিখিত চিঠি, কবির বিভিন্ন বয়সের ছবি ও আসবাপত্র প্রভৃতি। এছাড়া কুঠিবাড়ির সামনে আছে রবীন্দ্র সরোবর, দীঘি ও কালিগ্রাম রবীন্দ্রনাথ ইন্সটিটিউট।