দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

মোকনা জমিদার বাড়ি
নাগরপুর উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মোকনা জমিদার বাড়ি (Munkona Zamidar Bari) টাঙ্গাইল জেলার প্রাচীন জমিদার বাড়ীগুলোর মধ্যে অন্যতম এক দর্শনীয় স্থান। দ্বিতল ভবন বিশিষ্ট মোকনা জমিদার বাড়িটি ফুল লতা-পাতার বিভিন্ন কারুকার্যে সুসজ্জিত। কালের বিবর্তনে জমিদার বাড়ির আদিম সৌন্দর্য ও কারুকার্যময় নকশা বিলীন হয়ে গেলেও নাগরপুরের তৎকালীন জমিদারিত্বের প্রতীক হিসেবে শত বছরের পুরনো এই জমিদার বাড়িটি আজো টিকে আছে।

মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি
এককালের দাপুটে জমিদারদের বসবাসের বাড়িগুলোই বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসাবে খুঁজে পাওয়া যায়। কালের বিবর্তনে টিকে থাকা তেমনি এক শতবর্ষী জমিদার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি (Murapara Jamidar Bari) বা মঠেরঘাট জমিদার বাড়ি। যা বর্তমানে টিকে থাকা জমিদার বাড়িগুলোর মধ্যে বেশ আকর্ষণীয়। ডে আউটিং বা দিনে ঘুরতে গিয়ে দিনেই ফিরে আসবার জন্য মুড়াপাড়া হতে পারে আদর্শ নির্বাচন।

রহনপুর নওদা বুরুজ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে প্রাচীন ইতিহাস সমৃদ্ধ নওদা বুরুজ (Naoda Buruz) অবস্থিত। দূর থেকে নওদা বুরুজ দেখতে অনেকটা মাটির উঁচু ঢিবির মতো, যা স্থানীয়দের কাছে ষাঁড়বুরুজ পরিচিত। তবে এই অট্টালিকার প্রকৃত নাম শাহুরুজ। শাহ শব্দের অর্থ বাদশা ও বুরুজ শব্দের অর্থ অট্টালিকা। ইতিহাস বিখ্যাত নদীয়া অঞ্চলের কাছে হওয়ায় এই স্থাপনাটি নওদা নামে পরিচিতি লাভ করে।

নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি
নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি ( Naodanga Jomidar Bari ) একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন স্থাপনা। কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলা থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ির অবস্থান। অবিভক্ত ভারতবর্ষ প্রতিষ্ঠার আরো আগে নাওডাঙ্গা পরগনার তৎকালীন জমিদার বাহাদুর প্রমদারঞ্জন বক্সী বাড়িটি নির্মাণ করেন। পরবর্তী জমিদারীর উত্তরসরী বীরেশ্বর প্রসাদ বক্সী নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়িতে একটি মাইনর স্কুল এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমানে নাওডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে পরিচিত। বীরেশ্বর প্রসাদ বক্সী ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পুণ্য জন্মতিথিতে প্রতি দোলপূর্ণিমায় নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ির সামনের মাঠে দোল মেলার আয়োজন শুরু করেন যা বর্তমানেও চালু আছে।

নড়াইল বাঁধা ঘাট
নড়াইল শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে ভিক্টোরিয়া কলেজ সংলগ্ন চিত্রা নদীর পাড়ে ঐতিহ্যবাহী নড়াইল বাঁধা ঘাট (Narail Badha Ghat) বা বাঁধানো ঘাট অবস্থিত। ভারতের গঙ্গা নদীর তীরে একই আদলে আরও একটি ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। নৌপরিবহন ও নদীর তীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য নড়াইলের জমিদার এই বাঁধা ঘাট নির্মাণ করেন। স্থানীয়দের কাছে এটি রাজবাড়ী ঘাট হিসেবে পরিচিত।

নরসুন্দা লেকসিটি ও মুক্তমঞ্চ
কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের বুক চিরে বয়ে চলা নরসুন্দা নদীকে কেন্দ্র করে নরসুন্দা লেকসিটি (Narashunda Lake City) গড়ে তোলা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণ, নানা উপাখ্যানের সাক্ষী এক সময়ের খরস্রোতা এই নদীকে নবজীবন প্রদান এবং পৌর নাগরিকদের জীবন মান বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গৃহীত নরসুন্দা লেকসিটি প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসাবে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ৫টি দৃষ্টিন্দন সেতু ও ২টি ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। নদীর দুই পাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ এবং হাঁটাচলা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে সুপরিসর ওয়াকওয়ে।

নারায়ণতলা
সুনামগঞ্জ জেলার শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নারায়ণতলা (Narayantala) অবস্থিত। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থানের কারণে নারায়ণতলা থেকে দূরের সবুজ পাহাড়ের চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও নারায়ণতলার রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব। নারায়ণতলার ডলুরা নামক স্থানে ৪৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার গণকবর রয়েছে। তাই এখানে আসা দর্শনার্থীরা বালাট সাব সেক্টরের অধীনে থাকা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে মোটেও ভুল করেন না। আর নারায়ণতলার মুগাইর পাড় গ্রামে গেলে গারো আদিবাসীদের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবন
রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন ( National Parliament House ) বাংলাদেশের স্থাপত্য শিল্পের একটি অনন্য নিদের্শন। ১৯৬১ সালে সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হলেও তা ১৯৮২ সালে শেষ হয়। স্থপতি লুই আই কানের নকশায় নির্মিত জাতীয় সংসদ ভবনের মাঝখানে রয়েছে প্রধান হল। প্রধান হলে সংসদ সদস্যগণ পার্লামেন্টের কাজ করেন। মূল হল রুমকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবনের অন্যান্ন অংশগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। সংসদ ভবন নয়তলা বিশিষ্ট হলেও মাত্র তিনটি তলার সাথে অনুভূমিক যোগাযোগ রয়েছে এবং মাটির উপরের কাঠামোর উচ্চতা ৪৯.৬৮ মিটার।

নয়াবাদ মসজিদ
দিনাজপুর জেলা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে কাহারোল উপজেলার নয়াবাদ গ্রামে ১.১৫ বিঘা জমির উপর নয়াবাদ মসজিদ (Nayabad Mosque) নির্মাণ করা হয়েছে। নয়াবাদ মসজিদের দেয়ালে প্রাপ্ত ফলকের তথ্য মতে, ১৭৯৩ সালে সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের রাজত্ব কালে এই মসজিদটি তৈরী করা হয়। তৎকালীন সময়ে রাজা বৈদ্যনাথ ছিলেন দিনাজপুর রাজ পরিবারের সর্বশেষ বংশধর। স্থানীয়দের মতে, ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে কান্তনগর মন্দির তৈরীতে আগত মুসলমান স্থপতি ও শ্রমিকদের মাধ্যমে নয়াবাদ মসজিদটি নির্মিত হয়।

নজরুল স্কয়ার
চট্টগ্রাম শহরের জিরো পয়েন্টের কাছে নন্দনকান বৌদ্ধ মন্দির সড়কে অবস্থিত ডিসি হিল/ডিসির পাহাড়ের বর্তমান নাম নজরুল স্কয়ার (Nazrul Square)। চারপাশে সুউচ্চ গাছগাছালিতে ঘেরা এই পাহাড়ের চূড়ায় চট্টগ্রাম জেলা কমিশনারের সরকারী বাসভবন রয়েছে। ইংরেজ শাসনামলে শুরুর দিকে এই পাহাড়ের চূড়ায় চাকমা রাজার বাড়ি ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এখানে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের বাংলো তৈরী করা হলে পাহাড়টি ডিসি হিল নামে পরিচিত হয়ে উঠে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম প্রায়শই এখানে অবসর সময় কাটাতে আসতেন। তাঁর এই আগমনকে অম্লান করে রাখতে ২০০৫ সালের ১০ এপ্রিল ডিসি হিলের নাম পরিবর্তন করে নজরুল স্কয়ার রাখা হয়।

নেভারল্যান্ড
রাজধানী ঢাকার মিরপুর ১-এর চটবাড়ী এলাকায় আশুলিয়া বেড়িবাঁধ সড়কে প্রায় ১২ একর জমির উপর দৃষ্টিনন্দন পিকনিক ও শুটিং স্পট নেভারল্যান্ড – দ্যা আরবান এস্কেপ (Neverland) গড়ে তোলা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার মধ্যে বৃক্ষের সুশীতল ছায়াঘেরা নদী তীরের মুক্ত বাতাস ও কোলাহলহীন পরিবেশে পরিবার কিংবা বন্ধু-বান্ধবের সাথে অবসর সময় কাটানোর জন্য নেভারল্যান্ড একটি সেরা বিনোদন কেন্দ্রের নাম।

নিদাড়িয়া মসজিদ
লালমনিরহাট সদর উপজেলাধীন পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের বড়বাড়িতে প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন মুসলিম স্থাপত্য নিদর্শন নিদাড়িয়া মসজিদ (Nidaria Mosjid) অবস্থিত। ইট, সুরকি ও চুন দিয়ে নির্মিত এই মসজিদে মোঘল স্থাপত্য শিল্পের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়। নিদাড়িয়া মসজিদের দৈর্ঘ্য ৪২ ফুট এবং প্রস্থ ১৬ ফুট। মসজিদের উপরিভাগে এক সারি তিনটি গম্বুজ ও চারকোণে নকশা করা চারটি বুরুজ রয়েছে। ৩টি দরজা ও ছোট বড় ১২ টি মিনারের সমন্বয় মসজিদের মূল কাঠামোর শোভা বাড়িয়েছে। আর মসজিদের সামনে আছে একটি দোচালা ঘর ও বিশাল ঈদগাহ মাঠ। এই মাঠে ঈদের নামাজ ও বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। নিদাড়িয়া মসজিদ থেকে ফার্সি ভাষায় লিখিত শিলালিপি মতে, ১১৭৬ হিজরি সনে মোঘল সুবেদার মাসুদ খাঁ ও তাঁর পুত্র মনসুর খাঁর তত্ত্বাবধানে এই মসজিদটি নির্মিত হয়। পরবর্তীতে সুবেদার মনসুর খাঁ মসজিদের জন্য আরও ১০.৫৬ একর জায়গা দান করেন। জনশ্রুতি আছে, সুবেদার মনসুর খাঁর মুখে দাড়ি না থাকায় তিনি প্রার্থনা করেছিলেন, তাঁর মুখে দাড়ি গজালে একটি মসজিদ নির্মাণ করবেন। পরবর্তীতে সুবেদারের মুখে দাড়ি উঠলে প্রতিশ্রুতি স্বরূপ তিনি এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। তাঁর দাড়িহীনতার কারণেই ফার্সি ভাষায় মসজিদটির নাম নিদাড়িয়া করা হয়েছে।

নীহাররঞ্জন গুপ্তের বাড়ি
জনপ্রিয় বাঙ্গালী ঔপন্যাসিক নীহাররঞ্জন গুপ্ত পিতার কর্মসূত্রে ভারতের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। নড়াইল জেলা শহর থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে লোহাগড়া উপজেলার ইতনা গ্রামে তাঁর পৈত্রিক নিবাসের (Nihar Ranjan Gupta Family House) অবস্থান। প্রায় ৭০ শতক জায়গার উপর নির্মিত গাছগাছালিতে ঘেরা দ্বিতল বাড়ির উত্তর দিকের দোতালা অংশে বারান্দাসহ তিনটি কক্ষ ও একটি মন্দির এবং দক্ষিণের একতালা অংশে ৭টি কক্ষ ও খিলানযুক্ত সরু বারান্দা রয়েছে। ভবনের প্রতিটি কক্ষে আছে একাধিক কুলঙ্গী ও দেয়াল আলমারি। নীহাররঞ্জন গুপ্তের বাড়ির দরজা, জানালা ও দেয়াল আলমারিতে কাঠের কারুকার্যময় ফুল ও লতাপাতার অলংকরণ বাড়িটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বাড়ির সামনে দিকে একটি পুকুর রয়েছে।

নিকলী হাওর
দ্বিগন্ত বিস্তৃত জলরাশির বুকে নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ পেতে চাইলে চলে যান নিকলী হাওরে (Nikli Haor)। অথবা শীতে ভিন্ন এক সবুজ মাঠ ফসলের প্রকৃতি দেখতে যেতে পারেন কিশোরগঞ্জ জেলার অবস্থিত নিকলী উপজেলার হাওর এলাকায়। কিশোরগঞ্জ সদর থেকে নিকলি উপজেলার দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার। সড়ক পথেই নিকলী যাওয়া যায়।

নীলাচল
নীলাচল (Nilachal) পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবান শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায় দুই হাজার ফুট উচ্চতায় টাইগার পাড়ায় পাহাড়ের উপর অবস্থিত। নীলাচলে রয়েছে আকাশ, পাহাড় আর মেঘের অপূর্ব মিতালী আর তুলনাহীন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য। সকালে মেঘের ভেলার খেলা আর বিকেলের সূর্যাস্ত এই দুইটি সময়ই নীলাচল তার পূর্ণ রূপ ধারণ করে। নীলাচল থেকে পুরো বান্দরবান শহরকে দেখা যায় আবার মেঘমুক্ত আকাশ থাকলে দূরের কক্সবাজার সাগর সৈকত হাতছানী দেয় পর্যটকদের। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা সমানভাবে বিমোহিত করে পর্যটকদের। নীলাচলে বর্ষা, শরৎ আর হেমন্তকালে হাতের কাছে মেঘ খেলা করে। নীলাচলের একেক স্থান থেকে একেক রকম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়।

নীলসাগর
নীলফামারী জেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক দিঘীর নাম নীলসাগর (Nilsagar)। নীলফামারী জেলা সদর থেকে নীলসাগরের দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার। অষ্টম শতাব্দীতে বৈদিক রাজা ‘বিরাট’ এই ঐতিহাসিক দিঘিটি খনন করেন বলে ধারণা করা হয়। বিরাট রাজার নামানুসারে একসময় দিঘীটি বিরাট দিঘী নামে পরিচিতি লাভ করে৷ পরবর্তীতে অনেকে একে বিন্না দিঘি নামে ডাকতে শুরু করে এবং ১৯৭৯ সালে এই দিঘীটির নামকরণ করা হয় নীলসাগর। নীলসাগরের মোট জমির পরিমাণ ৫৩.৯০ একর। এর মধ্যে জল ভাগের মোট আয়তন ৩২.৭০ একর এবং দিঘির পাড়ের জমির পরিমাণ ২১ একর। বর্তমানে নীলসাগরের আশেপাশের পরিবেশকে ভ্রমণপিপাসু মানুষের চিত্তবিনোদনের উপযোগী করার জন্য বিভিন্ন ধরণের সংস্কার কাজ করা হয়েছে। সাথে নির্মাণ করা হয়েছে একটি রেস্ট হাউস, প্রবেশ তোরণ এবং মসজিদ। আর দিঘীর পাড়ের ভবিষ্যৎ সৌন্দর্য অক্ষত রাখতে পাড়ে লাগানো হয়েছে বেশকিছু বিভিন্ন ধরণের বৃক্ষ।