দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

জাদিপাই ঝর্ণা
বান্দরবান জেলায় বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কেওক্রাডং পাহাড় থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে জাদিপাই ঝর্ণার (Jadipai Waterfall) অবস্থান। কেওক্রাডাং, জংছিয়া ও জাদিপাই এই ৩টি পাহাড়ি ঝিরির স্বচ্ছ পানির ধারা একত্রে মিলিত হয়ে প্রায় ২০০ ফুট উপর থেকে কালো পাথরের গা বেয়ে জাদিপাই ঝর্ণা রূপে সাংঙ্গু নদীর সাথে এসে মিশেছে। জাদিপাই বাংলাদেশের প্রশস্ততম ঝর্ণাগুলোর মধ্যে অন্যতম। জলপ্রপাতের চারিদিকে ছড়ানো আছে সবুজে মোড়ানো পাহাড় এবং প্রকৃতির নির্মল মাদকতা। যার বুক চিরে স্বশব্দে বয়ে চলা জাদিপাই আপন ভাবধারায় বান্দরবানের ঝর্ণার রাণী রূপে প্রাবাহমান।

মর্ডান ফ্যান্টাসি কিংডম
কর্মময় জীবনের ব্যস্ততার অবসরে একটু প্রশান্তি প্রদানের উদ্দেশ্যে ২০১১ সালে মডার্ন হারবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ডা. আলমগির মতি প্রায় ৫০ একর জমি নিয়ে মডার্ন ফ্যান্টাসি কিংডম (Modern Fantasy Kingdom) ও মিনি চিড়িয়াখানা পার্কটি প্রতিষ্ঠা করেন। শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার কলুকাঠি গ্রামের মনোরম পরিবেশে অবস্থিত মর্ডান ফ্যান্টাসি কিংডমে রয়েছে বিনোদনের সকল আধুনিক সুযোগ সুবিধা।

এগারো শিব মন্দির
বাংলাদেশের যশোর জেলার অভয়নগরে অবস্থিত এগারো শিব মন্দির এক ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক বিস্ময়। প্রায় ২৫০-৩০০ বছরের পুরনো এই মন্দিরগুলো রাজা নীলকণ্ঠ রায়ের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছিল, যা তাঁর একমাত্র কন্যা অভয়ার স্মরণে উৎসর্গীকৃত। তাঁর নামানুসারেই এই অঞ্চলের নাম অভয়নগর হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত এই ১১টি মন্দিরের স্থাপত্যশৈলীতে বাংলার আঞ্চলিক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। এটি শুধু একটি ধর্মীয় স্থানই নয়, বরং বাংলার জমিদার আমলের ইতিহাস, লোককথা এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের এক অনন্য মেলবন্ধন। যারা ইতিহাস ও প্রাচীন স্থাপত্য ভালোবাসেন, তাদের জন্য এই স্থানটি এক দারুণ আকর্ষণ। 🤩

গজনী অবকাশ কেন্দ্র
গজনী অবকাশ কেন্দ্র শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। শেরপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে এবং ঢাকা থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তরে এর অবস্থান। ভারত সীমান্ত সংলগ্ন গারো পাহাড়ের চূড়া ও ঢালে প্রায় ৯০ একর এলাকা জুড়ে এই অবকাশ কেন্দ্রটি বিস্তৃত। প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে গজনীর সারি সারি গজারী, শাল ও সেগুন গাছ প্রশান্তি এনে দেয়। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি সময়টি গজনী অবকাশ কেন্দ্র ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। এ সময় আবহাওয়া তুলনামূলক শীতল থাকে এবং গারো পাহাড়ের চারপাশে সবুজ পরিবেশ ও কুয়াশাচ্ছন্ন দৃশ্য বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। পাহাড়ি ঝরণা, লেক, টিলা, ছড়ার স্বচ্ছ জল ও ঘন সবুজ বন এখানকার পরিবেশকে দিয়েছে এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

শিশু উদ্যান ও রিসোর্ট
জয়পুরহাট শহর থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে বুলু পাড়ায় জয়পুর রিসোর্টের ( Joypur Resort ) পাশাপাশি গড়ে তোলা হয়েছে একটি মনোরম শিশু উদ্যান ( Shishu Udyan) । জয়পুরহাট জেলায় অবস্থিত এই শিশু উদ্যানটির সাজানো গোছানো পরিবেশ যে কাউকে মুগ্ধ করে দেবার জন্য যথেষ্ট। সকল বয়সী মানুষকে নির্মল বিনোদন দেওয়ায় উদ্দেশ্যে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী (প্রিন্স) ২০০৫ সালে ৬০ বিঘা জমির উপর এই শিশু পার্কটি প্রতিষ্ঠা করেন।

ডানা পার্ক
নওগাঁ জেলা শহরের ভবানীপুর গ্রামে প্রায় ১০ বিঘা জায়গাজুড়ে ডানা পার্ক (Dana Park) গড়ে তোলা হয়েছে। সব বয়সী দর্শনার্থীদের বিনোদনের উদ্দেশ্যে নির্মিত ডানা পার্কে আছে টয় ট্রেন, নাগরদোলা, চরকি, মেরিগো হর্স, প্যাডেল বোট, স্লিপার, দোলনা সহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় রাইড, জীবন্ত ঘোড়া, শিশু কর্ণার, সুইমিংপুল, কটেজ, রেস্টুরেন্ট, কমিউনিটি সেন্টার এবং পিকনিক আয়োজনের ব্যবস্থা। নিরিবিলি পরিবেশের ডানা পার্ক জুড়ে হাতি, হরিণ, বাঘ, ক্যাঙ্গারু, ঘোড়া, জিরাফ, বক ইত্যাদি প্রাণীর ভাস্কর্য ছড়িয়ে আছে। আর পার্কের দেয়ালে অঙ্কিত রয়েছে গ্রাম বাংলার বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলীর প্রতিচ্ছবি। ডানা পার্কের পুকুরে অর্থের বিনিময়ে যেকেউ বোট রাইডিং সুবিধা নিতে পারেন।

মেরিন ড্রাইভ রোড
বর্তমানে কক্সবাজার ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ রোড (Marine Drive Road) । ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রোড কক্সবাজারের কলাতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরিন ড্রাইভ রোডের এক দিকে রয়েছে উত্তাল সমুদ্র সৈকত আর অন্য দিকে রয়েছে সবুজের ঢাকা ছোট-বড় পাহাড়। আবার কোথাও কোথাও পাহাড়ের গা বেয়ে ঝর্ণা ধারার দেখা মিলে। মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে যেতে যেতে বিস্তৃত সাগরের সমস্ত সৌন্দর্য্য আহরণ ও জেলেদের সাগরে মাছ ধরার দৃশ্য উপভোগ করা যায়। সেই সাথে সমুদ্র সৈকতে দেখা মিলবে টেকনাফ গর্জন ফরেস্ট খ্যাত চিরহরিৎ বন। কক্সবাজারের থেকে খোলা জিপ, মাইক্রোবাস, সিএনজি কিংবা অটোরিকশায় মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে হিমছড়ি ও ইনানী সমুদ্র সৈকত যাওয়া যায়।

মৈনট ঘাট
দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট (Moinot Ghat Dhaka) কে ডাকা হয় মিনি কক্সবাজার নামে। ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে সোজা একটি রাস্তা এসে মিলেছে দোহারের মৈনট ঘাটে। পদ্মার এক পাড়ে দোহার আর অপর পাড়ে ফরিদপুর। মৈনট ঘাট থেকে মানুষ পদ্মা পাড় হয়ে ফরিদপুরের গোপালপুর যায়। ঘাটের পূর্ব পাশে বিশাল চর মানুষকে সাগরের বেলাভূমির কথা মনে করিয়ে দেয় আর সামনের বিস্তীর্ণ পদ্মা হয়ে যায় সাগর। আর চাইলে এখান থেকে নৌকায় করে পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়ানো যায় কিংবা পাড় ধরে হাটা যায় ইচ্ছে মত।

হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক
পাহাড়ী সৌন্দর্যের শহর খাগড়াছড়ি জেলার জিরো পয়েন্ট থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে নির্মিত সবুজ বেষ্টনীতে ঘেরা মনোরম সুন্দর পরিবেশে হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক (Horticulture Heritage Park) শহরের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। প্রায় ২২ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত পার্কের কটেজ ও গেটসহ প্রতিটি স্থাপনার বর্ণিল নকশা দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে।

তাড়াশ রাজবাড়ী
পাবনা জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বনমালী রায় বাহাদুরের তাড়াশ রাজবাড়ী (Tarash Rajbari) এই অঞ্চলের সবচেয়ে পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ী হিসাবে সুপরিচিত। বগুড়া জেলার কোদলা গ্রামে তাড়াশের রায় বংশের পূর্বপুরুষ বাসুদেব অর্থাৎ তাড়াশ পরিবার জেলার সবচেয়ে বড় জমিদার ছিলেন। নবাব মুর্শিদকুলি খানের রাজস্ব বিভাগে চাকরি করে বাসুদেব তাড়াশ ভবন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে বাসুদেব নবাব মুর্শিদকুলি খান কতৃক ‘রায়চৌধুরী’ খেতাবে ভূষিত হন। বাসুদেবের এষ্টেটে মৌজার পরিমাণ ছিল প্রায় ২০০টি।

জাহানাবাদ অ্যাডভেঞ্চার বেস
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খুলনা জেলার রূপসা-ভৈরব বিধৌত অঞ্চলের কাছে, খুলনা সেনানিবাস (Jahanabad Cantonment) এলাকায় গিলাতলার শিরোমণি নামক স্থানে যশোর রোডের পাশেই অবস্থিত জাহানাবাদ অ্যাডভেঞ্চার বেস (Jahanabad Adventure Base)। সবুজ প্রকৃতির মাঝে রোমাঞ্চের এক অপার বিস্ময় আর শিহরনের নাম এই পার্কটি। আপনি যদি নাগরিক জীবনের ক্লান্তি ভুলে পরিবার ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে একটি স্মরণীয় দিন কাটাতে চান, তবে এটি আপনাকে মুগ্ধ করে রাখবে।

বলধা গার্ডেন
বলধা গার্ডেন (Baldha Garden) একটি উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেন। পুরান ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত বলধা গার্ডেনের আয়তন ৩.৩৮ একর। ১৯০৯ সালে ঢাকা জেলার বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী বিভিন্ন দেশ থেকে ফুল এবং দুর্লভ উদ্ভিদ এনে বলধা গার্ডেন সাজানো শুরু করেন। বর্তমান গাজীপুর জেলাই তৎকালীন সময়ে বলধা নামে পরিচিত ছিল। বলধা গার্ডেনে রয়েছে বিভিন্ন রঙের শাপলায় পূর্ণ একটি শাপলা হাউজ। এছাড়াও আছে বিরল প্রজাতির দেশি-বিদেশি ক্যাকটাস, এনথুরিয়াম, অর্কিড, বকুল, ক্যামেলিয়া, ভূজ্জপত্র, আশোক, আমাজান লিলি, আফ্রিকান টিউলিপসহ নানা প্রজাতির গাছ।

জেস গার্ডেন পার্ক
যশোর জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরত্বে বাহাদুরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে সুন্দর ও নিরিবিলি পরিবেশে জেস গার্ডেন পার্ক (Jess Garden Park) অবস্থিত। ১৯৯২ সালে মরহুম এ. এস. এম হাবিবুল হক চুনি প্রায় ১২ একর জমির উপর পার্কটি প্রতিষ্ঠা করেন।

শ্রীপুর জমিদার বাড়ি
মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলা সদর থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরে রয়েছে পাল রাজার রাজপ্রাসাদের ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন তথা শ্রীপুর জমিদার বাড়ি (Sreepur Zamindar Bari)। শ্রীপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সারদারঞ্জন পাল চৌধুরী জমিদারী প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৫০০ শতাব্দীতে সারদারঞ্জন পাল চৌধুরী নবাব আলীবর্দী খাঁর কাছ থেকে এই জমিদারী কিনে নেন।

মধুটিলা ইকোপার্ক
শেরপুর জেলা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁওয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারিভাবে মধুটিলা ইকো পার্ক ( Madhutila Eco Park ) এর অবস্থান। মধুটিলা ইকোপার্কে শোভাবর্ধনকারী ও বিরল প্রজাতির বৃক্ষের বনায়নের পাশাপাশি আছে বিশ একরের ঔষধি বৃক্ষের বনায়ন। এছাড়া রয়েছে রেস্ট হাউজ, বাসগৃহ, বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, আকর্ষণীয় রাইড, স্টার ব্রিজ, ক্যান্টিন, মিনি চিড়িয়াখানা, কার পার্কিং এবং বসার স্থান। মধুটিলার লেকে ঘুরে বেড়ানো জন্য ৫ টি দেশীয় নৌকা ও ৩টি প্যাডেল বোট রয়েছে। সবুজের সমারোহ আর পাহাড়ের হাতছানিতে প্রতি বছর সারাদেশ থেকে সৌন্দর্য্য প্রিয় মানুষ মধুটিলায় বেড়াতে আসেন। মধুটিলা ইকোপার্কের খুব কাছেই রয়েছে গজনী অবকাশ কেন্দ্র , হাতে সময় থাকলে সেখান থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।

গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি, হোসেনপুর
জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়ে গেছে অনেক আগেই তবু কালের সাক্ষী হয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলায় গোবিন্দপুর ইউনিয়নে অবস্থিত গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি (Gangatia Jamidar Bari) । স্থানীয়দের কাছে এই বাড়িটি জমিদার বংশের বর্তমান উত্তরাধিকারী মানবেন্দ্র চক্রবর্তী চৌধুরীর নামানুসারে ‘মানব বাবুর বাড়ি’ (Manob Babur Bari) হিসাবে অধিক পরিচিত। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন এই জমিদার বাড়িটি অষ্টাদশ শতকের গ্রীক স্থাপত্যকলা অনুযায়ী নির্মিত। কারুকার্যময় বাড়িটিতে রয়েছে কাচারিঘর, নহবতখানা, দরবারগৃহ ও মন্দির। এছাড়াও চর্তুদিক থেকে সুউচ্চ প্রাচীর দ্বারা পরিবেষ্টিত গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়িতে রয়েছে পুকুর ও সবুজে ঢাকা সুবিশাল আঙ্গিনা। কাছারিঘরটি ছাড়া অন্য সমস্ত স্থাপনাই আজ প্রায় ধ্বংস প্রাপ্ত তবুও প্রাচীন স্থাপত্যের নির্মাণ শৈলী দেখতে প্রতি বছর দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এই জমিদার বাড়ি দেখতে আসেন।