দর্শনীয় স্থান
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ আবিষ্কার করুন। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনস্থল।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পার্ক
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পার্ক ময়মনসিংহ শহরের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত একটি মনোরম স্থান। এখানে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে এবং পার্কে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা, মিনি চিড়িয়াখানা এবং আরও অনেক আকর্ষণ।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু
সড়কপথে ভৈরব ও আশুগঞ্জের মধ্যে অবাধ যোগাযোগের জন্য মেঘনা নদীর উপর নির্মিত নান্দ্যনিক এক সেতুর নাম সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু (Sayed Nazrul Islam Bridge) । ১৯৯৯ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০০২ সালে শেষ হয়। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থিত ১.২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৯.৬০ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট এই সেতুটিতে ৭টি ১১০ মিটার স্প্যান এবং ২টি ৭৯.৫ মিটার স্প্যান রয়েছে। সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পূর্ব নাম ছিল বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু, যা ২০১০ সালে পরিবর্তন করা হয়। যদিও স্থানীয়দের কাছে সেতুটি ভৈরব ব্রিজ নামে অধিক পরিচিত। সেতুতে দাঁড়িয়ে মেঘনা নদীর সৌন্দর্য অবলোকনের পাশাপাশি বিভিন্ন নৌযান ও জেলেদের কর্মব্যস্ততা প্রত্যক্ষ করা যায়।

মেহেরুন শিশু পার্ক
কে আর মলিক ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে ৬০ বিঘা জায়গার উপর মেহেরুন শিশু পার্ক ও মিনি চিড়িয়াখানা (Meherun Children Park and Mini Zoo) গড়ে তোলা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই পার্কটি স্থানীয় মানুষের চিত্তবিনোদনের অন্যতম স্থানে পরিণত হয়ে উঠছে, ফলে মেহেরুন শিশু পার্কে প্রতিদিনই বিনোদন প্রত্যাশী দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে।

জুগিরকান্দি মায়াবন
জুগিরকান্দি মায়াবন (Jugirkandi Mayabon), যা স্থানীয়ভাবে “মায়াবন” নামে পরিচিত, বাংলাদেশের সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার আলীরগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত একটি বিস্ময়কর জলাবন। মায়াবনের চারদিকের অথই পানিতে সারি সারি গাছের বিশাল এক জঙ্গল। উত্তরে রয়েছে সারি ও পিয়াইন নদীর মিলনস্থল। প্রায় এক হাজার একর ভূমি জুড়ে বিস্তৃত এই বনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলাবনগুলোর মধ্যে একটি এবং রাতারগুলের চেয়ে আয়তনে প্রায় তিনগুণ বড় এই বন।

টাকা জাদুঘর
বাংলাদেশ এবং সারাবিশ্বের অতীত ও বর্তমান মুদ্রার ইতিহাস সংরক্ষণ, মুদ্রার ঐতিহ্য ও বিকাশের ক্রমধারা সবার কাছে উপস্থাপনের লক্ষে ২০১৩ সালের ৫ই অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের প্রথম টাকা জাদুঘর (Taka Museum) প্রতিষ্ঠা করেন। রাজধানী ঢাকার মিরপুর দুই নাম্বার সেক্টরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির ২য় তলায় টাকা জাদুঘরের অবস্থান। টাকা জাদুঘরের দেয়ালে সাজানো আছে রঙ-বেরঙের নকশায় সজ্জিত বৈচিত্র্যময় টাকার সংগ্রহ। প্রাচীন আমল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই অঞ্চলে প্রচলিত প্রায় সকল ধরণের মুদ্রা দেখতে পারবেন এই জাদুঘরে। এছাড়া ডিজিটাল কিয়স্ক, ডিজিটাল সাইনেজ, এলইডি টিভি, থ্রিডি টিভি, ফোটো কিয়স্ক, প্রোজেক্টর এবং স্যুভেনির শপ স্থান পেয়েছে এই জাদুঘরে।

কেরু এন্ড কোং
১৯৩৮ সালে প্রায় ৩০০ বিঘা জমির উপর চুয়াডাঙ্গা (Chuadanga) জেলায় এশিয়া মহাদেশের অন্যতম বৃহত্তম চিনির কল ‘কেরু এন্ড কোং’ স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে কেরু এন্ড কোং-কে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করে। প্রায় ৮০ বছরের পুরানো কেরু এন্ড কোং-এ চিনি ছাড়াও দেশি এবং বিলেতি মদ উৎপাদন করা হয়। এছাড়া কেরু এন্ড কোং-এর অধীনে একটি ডিস্টিলারি এবং ফার্মাসিউটিকাল ইউনিট পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে অবশিষ্ট চিনিকলগুলোর মধ্যে একমাত্র কেরু এ্যান্ড কোং (Carew & Co Bangladesh Ltd) আজো কোন লোকশানের মুখ দেখেনি। দর্শনায় অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি দেখতে অনুমতির প্রয়োজন হয়, আর ডিস্টিলারি সেকশনে ঢুকতে গেলে তো সরাসরি এমডি’র কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। বিনোদনের সুবিধার্থে এখানে একটি পিকনিক স্পট এবং গেস্ট হাউজ নির্মাণ করা হয়েছে।

মুপ্পোছড়া ঝর্ণা
মুপ্পোছড়া ঝর্ণা (Muppochora Jhorna) প্রস্থের দিক থেকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি ঝর্ণা। অনিন্দ্য সুন্দর মুপ্পোছড়া ঝর্ণা দেখতে হলে রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বাঙ্গালকাটায় যেতে হবে। কাপ্তাই লেক পাড়ের এই উপজেলা সাথে সড়ক পথে কোন সংযোগ নেই। কাপ্তাই উপজেলা হতে শুধুমাত্র নৌ-পথে এই উপজেলায় যাওয়া যায়। দূর্গম পার্বত্য এলাকা হওয়ায় এখানে অসংখ্য ছোট বড় পাহাড়ে আছে প্রচুর ঝর্ণা। চাকমা শব্দ বিলাই অর্থ বিড়াল এবং ছড়ি অর্থ পাহাড় হতে প্রাবাহিত ঝর্ণা। মুপ্পোছড়া ঝর্ণা বিলাইছড়িতে অবস্থিত বৃহত্তম ঝর্ণাগুলোর একটি। বিলাইছড়ি হতে শুধুমাত্র নৌপথে বাঙ্গালকাটাতে যাওয়া গেলেও বাঙ্গালকাটা হতে ট্রেকিং করে মুপ্পোছড়া ঝর্ণায় যেতে হয়।

আনন্দ পার্ক রিসোর্ট
আনন্দ পার্ক রিসোর্ট বা আনন্দ রিসোর্ট ( Ananda Park Resort ) গাজীপুরের কালিয়াকৈরের একটি পরিচিত নাম। ৪২ বিঘা জায়গায় বিনোদনের বিভিন্ন আয়োজন নিয়ে গড়ে উঠা আনন্দ রিসোর্টটির সাথে নামের যথার্থতা লক্ষ্য করা যায়। কালিয়াকৈরের সিনাবহের তালতলি এলাকায় অবস্থিত এই রিসোর্টে বিভিন্ন রকম রাইডের পাশাপাশি রয়েছে সরাসরি বিল থেকে মাছ শিকারের ব্যবস্থা। ঢাকা থেকে কাছে গাজীপুরের এই রিসোর্ট থেকে চাইলে দিনে গিয়ে দিনেই ঘুরে আসা যায়।

শশী লজ
শশী লজ ( Shoshi Lodge ) ময়মনসিংহ জেলা সদরে অবস্থিত একটি রাজবাড়ি। ঊনবিংশ শতকে মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী দৃষ্টিনন্দন প্রাসাদ নির্মাণ করেন। মহারাজ সূর্যকান্ত তার দত্তক ছেলে শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর নামানুসারে প্রাসাদটির নামকরণ করেন শশী লজ। স্থানীয়ভাবে ময়মনসিংহ রাজবাড়ি নামেও পরিচিত। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী পুনরায় নির্মাণ করেন। ৯ একর জায়গা উপর নির্মিত শশী লজ ভবনের প্রধান ফটকে ১৬ টি গম্বুজ রয়েছে।

আরশিনগর ফিউচার পার্ক
চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকায় প্রায় ১৪ একর জায়গা জুড়ে ব্যাক্তি উদ্যোগে আরশিনগর ফিউচার পার্ক (Arshi Nagar Future Park) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মীরসরাইয়ের সব বয়সী বাসিন্দাদের বিনোদনের জন্য নির্মিত আরশিনগর ফিউচার পার্কে আছে কৃত্রিম ঝর্ণা, বাগান, নাগর দোলা, স্পিডবোট, প্যাডেল বোট সহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় রাইড, কার্টুন ও ভাস্কর্য, কিডস জোন, কাবাব ঘর, রেস্টুরেন্ট, কনভেনশন সেন্টার, বার-বি-কিউ এবং আলোকসজ্জার ব্যবস্থা। সম্প্রতি প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ শেষে পার্কটি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি পুনরায় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

দ্যা প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী পাহাড়ে ৫ তারকা মানের দ্যা প্যালেস রিসোর্ট (The Palace Luxury Resort) অবস্থিত। রিসোর্টের চারপাশে সবুজ পাহাড়ের সমারোহ আর মেঘের লুকোচুরি খেলা মনকে সহজেই প্রফুল্য করে তোলে। প্রায় ১৫০ একর পাহাড়ি ভূমিতে ৩০ হাজার গাছ, ঝর্ণা, চা বাগান, রাবার বাগান দিয়ে সাজিয়ে রিসোর্টটি গড়ে তোলা হয়েছে। বর্তমানে টাওয়ার বিল্ডিংয়ে ১০৭টি বিলাসবহুল গেস্টরুম এবং পাহাড়ের বুকে ২২টি এক্সক্লুসিভ ভিলা নিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রিসোর্ট হিসেবে এটি নিজের পরিচয় সুদৃঢ় করেছে। চমৎকার নির্মাণশৈলী ও মনোরম পরিবেশের এই রিসোর্ট সত্যিকার অর্থেই যেন এক রাজপ্রাসাদ। হানিমুন কিংবা পরিবার নিয়ে নিরিবিলিতে ছুটির সময় কাটাতে চাইলে দ্যা প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট একটি অতুলনীয় স্থান।

পর্বত বাগান
১৯৩০ সালে রাস বিহারী পর্বত মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নে কুমার নদীর তীরে দেশি-বিদেশি প্রায় ৫০০ প্রজাতির গাছের চারা রোপন করে একটি বাগান গড়ে তোলেন। প্রায় ২৬ একর জমির ওপর তৈরী বাগানকে তাঁর নামানুসারে পর্বত বাগান (Parbat Bagan) নামকরণ করা হয়। পর্বত বাগানের পাশ দিয়ে বয়ে চলা কুমার নদী চারপাশের পরিবেশকে করেছে আরো মোহনীয়। ফলে তৎকালীন সময়ে মাদারীপুর মহকুমার সকল উচ্চপদস্থ কর্মকতার অবাধ আগমন ঘটতো পর্বত বাগানে।

কালভৈরব মন্দির
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত কালভৈরব মন্দির (Sri Sri Kal Bhairab Temple) এক ঐতিহাসিক স্থাপনার নাম। তিতাস নদীর কূল ঘেঁষা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া শহরের মেড্ডা এলাকায় ৩০০ বছরের পুরনো হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম এই তীর্থক্ষেত্রের অবস্থান। হিন্দু দেবতা শ্রী শ্রী কালভৈরবের মূর্তি এই মন্দিরের প্রধান আকর্ষণ। ১৯০৫ সালে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ২৮ ফুট উচ্চতার কালভৈরব বা শিব মূর্তি ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বাধিক উচ্চতার মূর্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। বিশালাকার মূর্তির ডান দিকে কালী এবং বাম দিকে দেবী পার্বতীর প্রতিমা রয়েছে। সরাইলের বিখ্যাত জমিদার নূর মোহাম্মদ কালভৈরব মন্দিরের জমি দান করেন।

দেবতাখুম
দেবতাখুম (Debotakhum) বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত এক অপরূপ প্রাকৃতিক বিস্ময়। খুম শব্দের অর্থ হচ্ছে গভীর জলাধার বা জলপ্রপাত-পরবর্তী শান্ত নদী অববাহিকা। দেবতাখুম মূলত বান্দরবানের অন্যতম পাহাড়ি স্রোতস্বিনী তারাছা খালের একটি অংশ, যার দুই পাশে আকাশছোঁয়া পাথুরে পাহাড় এবং মাঝখানে জমে থাকা গভীর নীল পানি। বান্দরবানে ছোট-বড় অনেক খুম আছে, যেমন থানচির বিখ্যাত আমিয়াখুম , ভেলাখুম বা সাতভাইখুম । তবে বান্দরবানে ঘুরে দেখার মতো যতগুলো খুম বা গিরিপথ রয়েছে, তাদের মধ্যে দেবতাখুম সবার কাছেই সবচেয়ে জনপ্রিয়। এর প্রধান কারণ হলো, অন্যান্য দুর্গম খুমগুলোর তুলনায় খুব সহজেই এবং কম ট্র্যাকিং করে এই স্বর্গের মতো জায়গা থেকে ঘুরে আসা যায়। স্থানীয় মারমা, ত্রিপুরা ও তঞ্চঙ্গ্যা অধিবাসীদের মতে, এই খুমের কিছু কিছু জায়গা প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ফুট পর্যন্ত গভীর।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাদুঘর
পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থিত রাঙ্গামাটি শুধু লেক আর পাহাড়ের জন্যই নয় এখানকার বহুমাত্রিক সংস্কৃতির জন্যও বিশেষভাবে পরিচিত। এই বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে কাছ থেকে জানার সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলোর একটি হলো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাদুঘর (Museum of Ethnic Minorities), যা রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সড়কের আসামবস্তি এলাকায় অবস্থিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (Cultural Institute of Minority Ethnic Groups)-এর অভ্যন্তরে।

নিভৃতে নিসর্গ পার্ক
নিভৃতে নিসর্গ পার্ক (Nivrite Nishorgo Park) একসাথে নীল জলরাশি, সবুজ পাহাড় আর সাদা মেঘ মালার মিলনমেলায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন কক্সবাজারের ‘অচেনা দার্জিলিংয়ে’। নিভৃতে নিসর্গ পার্ক কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়নে মাতামুহুরি নদীর কোলঘেঁষে অবস্থিত। কক্সবাজার থেকে এই পার্কের দূরত্ব প্রায় ৫৫ কিলোমিটার এবং চকরিয়া থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার। এর দক্ষিণে পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলা। পার্কটি প্রায় ১০০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত।